প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] রাজবাড়ীর দৌলত‌দিয়া যৌনপল্লীতে তরুণী উদ্ধারপল্লীর বাড়ীওয়ালা আটক

ইউসুফ মিয়া:[২] দেশের সর্ববৃহত্তর রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া যৌনপল্লীর বন্দী দশা হতে এক তরুণীকে উদ্ধার ও ঘটনার মুল‌হোতা যৌনপল্লীর বাড়ীওয়ালা কনক মন্ডল (৩০)কে আটক করেছে গোয়ালন্দ ঘাট থানা পুলিশ।

[৩] আটককৃত কনক প্রয়াত যৌনপল্লীর বাড়ীওয়ালী কল্পনা বেগম ও গোয়ালন্দ বাজার আড়ৎপট্টির মোশাররফ মন্ডলের ছেলে।বুধবার (১৯ মে) দিকে দৌলতদিয়া যৌনপল্লীতে এক খদ্দেরের মুঠোফোনে ঐ তরুণী গোপনে থানায় ফোন করে জানান তার পাচার হওয়া ও উদ্ধারের কথা। পরে গোয়ালন্দ ঘাট থানার পুলিশ যৌনপল্লীতে যেয়ে তরুণীকে উদ্ধার ও ঘটনার হোতা বাড়ীওয়ালা কনককে আটক করে।

[৪] এ ঘটনায় তরুণী নিজেই বাদী হয়ে গোয়ালন্দ ঘাট থানায় মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইনে মামলা দায়ের করেছেন।মামলার এজাহার সূত্রে জানাযায়, উদ্ধার হওয়া তরুণীর বাড়ী ফরিদপুর জেলার নগরকান্দা উপজেলায়। ৪ বছর আগে উপজেলার পাশ্ববর্তী এলাকায় তার বিয়ে হয়।

[৫] স্বামী দরিদ্র ও বেকার হওয়ায় ভাগ্য বদলের আশায় তারা ঢাকার সাভারের গার্মেন্টসে দু’জনেই চাকরি নেন। বেতন কম হলেও দু’জনের মোটামুটি চলছিল। সম্প্রতি এক অজ্ঞাত নারীর সাথে ওই তরুণী গৃহবধূর পরিচয় হয়। অজ্ঞাত নারী মূলত নারী পাচারকারী চক্রের একজন স্বকীয় সদস্য।

[৬] ভালো বেতনে চাকরির কথা বলে ঐ নারী তরুণীর সাথে সম্পর্ক গড়ে তোলেন। নতুন চাকরিতে যোগদানের কথা বলে ঐ নারী, তরুণীকে গত ২৭ মার্চ বিকেলে দৌলতদিয়া যৌনপল্লীতে নিয়ে আসে। পরে সে যৌনপল্লীর বাড়ীয়ালা কনকের কাছে তরুণীকে বিক্রি করে পালিয়ে যায়।

[৭] কনক তরুণীকে তার যৌনপল্লীর বাড়ীর একটি রুমে আটকে রাখে এবং তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর পূর্বক ঘরে খদ্দের পাঠিয়ে জোরপূর্বক দেহ ব্যবসা করাতে থাকে। যৌনপল্লীর বাড়ীওয়ালা কনক তরুণীর ব্যাক্তিগত মোবাইল ফোনটি নিয়ে ভেংগে ফেলে।

[৮] এ প্রসঙ্গে গোয়ালন্দ ঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল তায়াবীর জানান, এ ঘটনায় যৌনপল্লীর বাড়ীওয়ালা কনক এবং তাকে পাচার করে আনা অজ্ঞাত মহিলার বিরুদ্ধে তরুণী মামলা করেছেন। আটককৃত আসামি কনককে আদালতের মাধ্যমে রাজবাড়ীর কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অজ্ঞাত মহিলাকে আটকের চেষ্টা চলছে বলে জানান।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত