প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

গ্রীষ্মের খরতাপে প্রাণ জুড়াচ্ছে তালশাঁস, মেটাবে পুষ্টির চাহিদা

স্বাস্থ্য ডেস্ক: তীব্র গরম চারদিকে। বাইরে বইছে লু হাওয়া। ঘর থেকে বের হলেই মনে হচ্ছে অগ্নিকুণ্ড! একেবারেই হাঁসফাঁস অবস্থা। গ্রীষ্মের প্রচণ্ড তাপদাহে গলাটা একটু ভেজাতে পথচারীরা ভিড় করছেন তালশাঁস বিক্রেতার কাছে। সুস্বাদু তালশাঁস খেয়ে দিনমজুর থেকে শুরু করে স্কুল-কলেজ শিক্ষার্থীরা প্রশান্তির পরশ নিয়ে দূর করছেন তাৎক্ষণিক ক্লান্তি। আবার কেউ কেউ নিজের পরিবারের জন্যও নিয়ে ঘরে ফিরছেন। বাংলানিউজ২৪

আম ও লিচুসহ মৌসুমি অন্য ফলের ক্ষেত্রে বর্তমানে বিষাক্ত ফরমালিন ব্যবহারের ঘটনা খুবই স্বাভাবিক হয়ে উঠেছে। কিন্তু তালশাঁসে এসবের প্রয়োজন হয় না। ফলে ভেজালমুক্ত তালশাঁসের কদর বেশি।

তাল কেনা খরচ, বহন ও নিজের মজুরি মিলে খরচা বেড়ে যায়। তাই দাম একটু বেশি। একটি তিন চোখের পানিতাল ১৫ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। আর গ্রামাঞ্চলে বহন খরচের ওপর নির্ভর করে সেটি বিক্রি করা হচ্ছে ১০ টাকায়।

তালশাঁসের পুষ্টি উপাদান: প্রতি ১০০ গ্রাম তালশাঁসে রয়েছে ৮৭ কিলোক্যালরি, ৮ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, জলীয় অংশ ৮৭.৬ গ্রাম, আমিষ শূন্য দশমিক ৮ গ্রাম, ফ্যাট শূন্য দশমিক ১ গ্রাম, কার্বোহাইড্রেটস ১০.৯ গ্রাম, আঁশ ১ গ্রাম, ক্যালসিয়াম ২৭ মিলিগ্রাম, ফসফরাস ৩০ মিলিগ্রাম, লৌহ ১ মিলিগ্রাম, থায়ামিন শুন্য দশমিক ০৪ গ্রাম, রিবোফ্লাভিন শুন্য দশমিক ০২ মিলিগ্রাম, নিয়াসিন শুন্য দশমিক ৩ মিলিগ্রাম, ভিটামিন সি ৫ মিলিগ্রাম।

তালশাঁসের উপকারিতা: গরমের দিনে তালশাঁসে থাকা জলীয় অংশ শরীরের পানিশূন্যতা দূর করে। প্রাকৃতিকভাবে দেহকে রাখে ক্লান্তিহীন। তালে থাকা ভিটামিন ‘সি’ ও ‘বি’ কমপ্লেক্স পানিপানের তৃপ্তি বাড়ায়। খাবারেও রুচি বাড়ে। এর ভিটামিন এ দৃষ্টিশক্তিকে উন্নত করে। এন্টি অক্সিডেন্ট শরীরকে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

তালশাঁস বমিভাব আর বিস্বাদ দূর করতে ভূমিকা রাখে ও ত্বকের কোমলতা বাড়ায়। এটি লিভারের সমস্যা এ রক্তশূন্যতা দূর করতে সাহায্য করে। তাল হজমে সহায়তা করে, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয় ও শরীরের দুর্বলতা কাটায়। এছাড়া তাল শাঁসের ক্যালসিয়াম হাড় গঠনে দারুণ ভূমিকা রাখে।

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত