প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১]গাজা-ইসরায়েল সংঘর্ষ অব্যাহত, যুদ্ধবিরতির জন্য কূটনৈতিক তৎপরতায় নেতৃত্ব দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে ফ্রান্স

লিহান লিমা: [২] গাজা-ইসরায়েল সহিংসতার দশম দিনেও ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতির কোনো কূটনৈতিক তৎপরতা এগোতে দেখা যায় নি। বুধবারও গাজায় সিরিজ বোমা হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েল। এদিন দেশটির হামলায় এক সাংবাদিকসহ কমপক্ষে ৪ ফিলিস্তিনি প্রাণ হারান। ডয়েচে ভেলে

[৩] যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতির জন্য জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের আহ্বান করা খসড়া রেজ্যুলেশন আটকে দিয়েছে। ফ্রান্স বলেছে, তারা ইসরায়েলের প্রতিবেশি দেশ মিশর ও জর্ডানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা করছে। সেই সঙ্গে নিরাপত্তা পরিষদে নতুন রেজ্যুলেশন পাশ করা নিয়ে কূটনৈতিক তৎপরতা চালাচ্ছে প্যারিস।

[৪]চীন বলেছে, তারা ফ্রান্সের প্রস্তাবকে সমর্থন দিতে প্রস্তুত। গাজায় বেসামরিক নাগরিক হতাহতের ঘটনাকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে মন্তব্য করেছেন রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। ইউরোপিয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির জন্য আহ্বান জানিয়েছেন। তবে ২৭ সদস্য রাষ্ট্রের এই ব্লকটির যৌথ যুদ্ধবিরতি বিবৃতিতে সমর্থন দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে হাঙ্গেরি। জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মের্কেল জর্ডানের বাদশার সঙ্গে ফোনালাপে যুদ্ধবিরতি জন্য রাজনৈতিক সমঝোতাকে সমর্থন দিয়েছেন। যুদ্ধবিরতির জন্য ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে মধ্যস্থতার প্রস্তাব দিয়েছে মিশর। গার্ডিয়ান

[৫]ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রো এক বিবৃতিতে বলেছেন, প্যারিস যুদ্ধবিরতির জন্য কাজ করে যাচ্ছে। আমরা নিরাপত্তা পরিষদের নতুন রেজ্যুলেশন আহ্বান করেছি। সেই সঙ্গে গাজায় গণমাধ্যমের অফিসে ইসরায়েলের হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে ম্যাক্রোঁ বলেন, দেশটিকে এর জন্য জবাবদিহি করতে হবে।

[৬]গাজায় জরুরি মানবিক সহায়তা পৌঁছানোর জন্য জাতিসংঘের খসড়া রেজ্যুলেশন এগিয়ে নিতে ফ্রান্সের সঙ্গে যোগ দিয়েছে জর্ডান। জর্ডানের রাজা দ্বিতীয় আবদুল্লাহ জাতিসংঘ প্রধান অ্যান্তনিও গুতেরেসকে করা ফোনে বলেছেন, ইসরায়েলের কার্যক্রম মধ্যপ্রাচ্যে পুনরায় উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করছে। জর্ডানের রাজা আরো বলেন, ১৯৬৭ সালের সীমান্ত অনুযায়ী পূর্ব জেরুজালেমকে রাজধানী করে একটি স্বাধীন, সার্বভৌম ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা এবং দ্বি-রাষ্ট্র ভিত্তিক সমাধান ব্যতীত এই সংঘর্ষের অন্য কোনো বিকল্প রাজনৈতিক সমাধান নেই।

[৭]কাতারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসরায়েলের হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেছেন, দখলকৃত অঞ্চলে ইসরায়েলের ধারাবাহিক অপরাধ বন্ধ এবং বেসামরিক নাগরিক, সাংবাদিক, চিকিৎসা কর্মী এবং মানবাধিকার কর্মীদের রক্ষার জন্য কাতার আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের শক্তিশালী ভূমিকা আহ্বান করছে।

[৮]১০ মে’র পর থেকে এই সংঘর্ষে ২১৯জন ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন। এর মধ্যে ৬৩ জন শিশু ও ৩৭ জন নারী। ইসরায়েলের বিমান হামলায় গাজার ১৫৬টি ভবন গুড়িয়ে গিয়েছে, ৭২৫টি বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, বাস্তুচ্যুত হয়েছেন ৭২ হাজার ফিলিস্তিনি। প্রায় আড়াই লাখ ফিলিস্তিনি খাবার পানির সংকটে রয়েছেন।

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত