প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

আরিফুজ্জামান তুহিন: রোজিনা ইসলামকে হত্যাচেষ্টায় অভিযুক্তদের শাস্তি নিশ্চিতের দাবি তুলুন।

আরিফুজ্জামান তুহিন: রোাজিনা আপা আর আমি পাশাপাশি বসতাম। প্রতিদিন তার চার্জার চাই। তার জন্য আলাদা একটা চার্জার এনে রেখেছিলাম। প্রথম আলো ছাড়ার পরও মাঝেমধ্যে খোঁজ নিতেন। বড় আপা সুলভ একটা বিষয় তার মধ্যে আছে। যে ছবিটি দেখছি এটা নেওয়া যাচ্ছে না। কেউ যদি রাষ্ট্র ভেঙে ফেলার মতোও অপরাধ করে তাহলে প্রজাতন্ত্রের চাকর মানে কর্মচারী তার মালিকের গায়ে হাত তুলতে পারে না। পারে না। অন্য সবকিছু বাদ দিয়ে রোজিনা ইসলামকে হত্যাচেষ্টার একটা মামলা আশা করবো তার স্বামী বা পরিবারের কেউ করবে। ছবিতে যাদের দেখা যাচ্ছে সবাইকে আসামি করতে হবে। ডিফেন্স খেলতে খেলতে এইভাবে মার খাওয়ার মানে নেই। ছবিটি ভালো করে তাকিয়ে দেখুন, রোাজিনা ইসলামকে অতিরিক্ত সচিব গলা টিপে ধরছে। মানে কী? তিনি তাকে হত্যা করতে চান? পরিষ্কার ছবি ও ভিডিও রয়েছে। এটা কোন দেশ? কীসের জিডিপি? কীসের উন্নয়ন? প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে একজনকে হত্যা করার চেষ্টা করছে! এই মহিলাকে যতো দ্রুত সম্ভব গ্রেপ্তার করা উচিত। স্বাস্থ্য বিভাগ দুর্নীতির আখড়া।

আগামী ১০ দিন গভীর মনোযোাগ দিয়ে তথ্য অনুসন্ধান করুন, হলফ করে বলতে পারি,  অতিরিক্ত সচিবের কাছ থেকে কয়েক ডজন কালো বিড়াল আমরা বের করতে পারবো। যদি তা না পারি তাহলে সাংবাদিকতা ছেড়ে নীলক্ষেতে কম্পোজ করবো। সাংবাদিকতা না করলে তো যা করা হবে সেটাতো কম্পোজই। আর নেতারা এখন থানা ঘেরাও করছে মামলা হবার পর সেটা হাস্যকর। রোাজিনা ইসলামকে সচিবলায় পাঁচঘণ্টা যখন আটকে রেখেছিলো সে খবর কোনো সাংবাদিক নেতা পায়নি? সচিবালয় সব সময় ৩০/৪০ জন সাংবাদিক থাকে। একসঙ্গে সবাই রুমে ঢুকে তাকে নিয়ে আসলেই তো ঝামেলা চুকে যেতো। সত্যি তারা সংবাদটি জানতেন না? প্রথম আলোর ভূমিকা রহস্যজনক।

তারা এতো দেরিতে ভয়াবহ এই হামলার রিপোর্টটি কেন করল? এই রিপোর্ট শুরুতে করলে আমরা শ’ খানেক সাংবাদিক মামলা হওয়ার আগেই তো যেতে পারতাম। গোটা ঘটনায় ভয়াবহ কালো অন্ধকার নামার ইশারা দিচ্ছে। রোজিনা ইসলামকে হত্যা চেষ্টার অভিযুক্তদের শাস্তি নিশ্চিতের দাবি তুলুন। স্বাস্থ্য বিভাগ নিয়ে নজর দেন। কালো বিড়াল পাবেনই। কেবল দুর্নীতিবাজরাই তথ্য গোপন করতে চায়। দুর্নীতিবাজদের মুখের সামনে দাঁড়িয়ে বলেন, রাজা তুমি ন্যাংটা! এই দেশটা আমলা কামলারা স্বাধীন করেনি। আমলারা সব খেয়ে কানাডায় বেগমপাড়া বানাবে আর আমরা কলম চুশবো তাতো হয় না। আর যদি না পারি চলেন সবাই এ পেশা থেকে বিদায় নিই। ফেসবুক থেকে

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত