প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] মাদারীপুরে হামলা চালিয়ে তিনটি বসতবাড়ি ভাংচুর ও বোমা বিস্ফোরণ

এইচ এম মিলন:[২] মাদারীপুরের কালকিনি পৌরসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষ পরাজিত নারী কাউন্সিলর প্রার্থীর লোকজন হামলা চালিয়ে তিনটি বসতঘর ভাংচুর, লুটপাট ও কয়েকটি বোমা বিস্ফোরনের ঘটনা ঘটনায়। মঙ্গলবার দুপুরে মামলা সুত্রে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

[৩] এ নিয়ে বর্তমানে উভয় পক্ষের মাঝে উত্তেজনা বিরাজ করছে। যেকোন মুহুর্তে পুনরায় দুই পক্ষের মাঝে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আসংখ্যা রয়েছে বলে জানান স্থানীয় লোকজন।মামলার বিবরনী সুত্রে জানাগেছে, পৌর এলাকার উত্তর রাজদী গ্রামের সাবেক সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর আসমা খাতুন ও সাজেদা লোকমান কালকিনি পৌরসভায় ৭,৮,৯ ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে প্রার্থী হয়ে নির্বাচনে অংশ গ্রহন করেন।

[৪] ওই নির্বাচনে তারা দুজনেই হেরে যান। তাই এ পরাজয় মেনে নিতে না পেরে ক্ষিপ্ত হয়ে সম্প্রতি সাজেদা লোকমানের নেতৃত্বে দুলাল বোপারী ও শান্ত বেপারীসহ প্রায় ২৫/৩০জন লোকজন মিলে দেশী অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সাবেক সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর আসমা খাতুন, কবির হোসেন ও প্রবাসি হায়দারের বসতঘর রাম দা দিয়ে কুপিয়ে ভাংচুর, ঘরের মালামাল ও স্বর্নালঙ্কার লুট করে নিয়ে।

[৫] এসময় তারা বেশ কয়েকটি বোমা বিস্ফোরন করে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করে। এ ঘটনায় আসমা খাতুন বাদী হয়ে মাদারীপুর কোর্টে একটি মামলা দায়ের করেন।ভুক্তভোগী আসমা খাতুন ও কবির হোসেন বলেন, আমরা মুলত কাউন্সিলর নির্বাচনের পাশাপাশি নৌকার নির্বাচন নিয়ে ঝাপিয়ে পড়েছিলাম। আর সাজেদা লোকমান ও তার লোকজন করেছে স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থীর নির্বাচন।

[৬] এতে আমাদের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে আমাগো বাড়িঘর কুপিয়ে ভাংচুর, অনেকগুলো নগদ টাকা ও ২৩ ভরি স্বর্ন লুট করে নিয়ে যায় তারা।অভিযুক্ত সাজেদা লোকমান ঘটনা অস্বীকার করে বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা সাজোনো একটি মামলা দিয়ে হয়রানী করা হচ্ছে। এসব ঘটনা ঘটেনি।

[৭] এ ব্যাপারে কালকিনি থানার ওসি ইশতিয়াক আসফাত রাসেল বলেন, মামলার কাগজ এখন পর্যন্ত হাতে পাইনি। পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত