প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

শেখ হাসিনা না ফিরলে কিছুই সম্ভব হত না: রাদওয়ান মুজিব

ডেস্ক রিপোর্ট : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশকে ‘অন্ধকার থেকে আলোর পথে’ এনেছে বলে ফেসবুকে মন্তব্য করেছেন জাতির পিতার কন্যা শেখ রেহেনার পুত্র রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক।

আওয়ামী লীগ সভাপতি হয়ে শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের ৪০ বছর পূর্তির দিনকে স্মরণ করে সোমবার নিজের ভেরিফাইড ফেইসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে এ মন্তব্য করেন তিনি।

রাদওয়ান লিখেছেন, “৪০ বছর আগের এই দিনে, আপনি বাংলাদেশকে অন্ধকার যুগ থেকে ফিরিয়ে এনেছেন এবং আপনার আলোয় আলোকিত হয়ে দেশে গণতন্ত্র ও উন্নয়ন দেখেছে এবং মানুষ মানসম্মত জীবন ব্যবস্থা পেয়েছে।

“এখনও অনেক পথ পাড়ি দিতে হবে আমাদের, কিন্তু এর কিছুই সম্ভব হত না, যদি না আপনি ফিরে আসতেন। ধন্যবাদ আপনাকে।”

এই পোস্টের সঙ্গে যুক্ত ছিল ৪০ বছর আগে স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের দিন শেখ হাসিনার ছবিসহ ছাপানো একটি পোস্টার, যেখানে লেখা আছে- “বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিপ্লবী সভানেত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ১৭ই মে রবিবার বিকাল ৩টায়, ঢাকা বিমান বন্দরে অভ্যর্থনা।”

১৯৭৫ সালের ১৫ই অগাস্ট বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার সময় দেশের বাইরে ছিলেন দুই মেয়ে শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা। ছয় বছর লড়াই শেষে ১৯৮১ সালের ১৭ই মে দেশে ফেরার সুযোগ পান শেখ হাসিনা।

বাবার মৃত্যুর পর জাতির পিতার মেয়ে শেখ হাসিনা স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের আগ পর্যন্ত যে কষ্টে জীবন-যাপন করেছেন, তা তুলে ধরা হয়েছে আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র অঙ্গনে সমাদৃত ‘হাসিনা: এ ডটারস টেল’ ডকুড্রামায়। এই ডকুড্রামার প্রযোজকও রাদওয়ান মুজিব।

৭০ মিনিটের এই ডকুড্রামায় বঙ্গবন্ধু পরিবারের এই দুই বোনের মুখ থেকে তাদের পথ চলার গল্প শুনেছে সাধারণ দর্শক, যেখানে বাংলাদেশের ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ সকল ঘটনা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

অলাভজনক গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশন (সিআরআই)-এর ট্রাস্টি রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক। এই গবেষণা প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন উদ্যোগের মধ্যে উল্লেখযোগ্য একটি হলো তরুণদের কাছে আকর্ষণীয় করে করে বাংলাদেশের ইতিহাস উপস্থাপন করা।

সিআরআইর তেমনি এক উদ্যোগ গ্রাফিক নভেল ‘মুজিব’। জাতির পিতাকে জানতে শিশুদের উপযোগী করে ছবি ও ছোট ছোট লেখায় ইতিহাসকে উপস্থাপন করা বাংলাদেশের ইতিহাসে এটাই প্রথম। বঙ্গবন্ধুর ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ বইয়ের ওপর ভিত্তি করে এই গ্রাফিক নভেলটি তৈরি।

এছাড়া দেশের নীতি নির্ধারকদের সঙ্গে তরুণদের চাওয়া-পাওয়ার সংযুক্তি ঘটাতে সিআরআই-এর আরেকটি উদ্যোগের নাম ইয়াং বাংলা। বিগত বছরগুলোতে সিআরআইর এই প্রতিষ্ঠানটি দেশে তরুণদের শীর্ষস্থানীয় প্লাটফর্ম হিসেবে স্থান করে নিয়েছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত