প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

দীপক চৌধুরী: পৃথিবীতে এমন নজির আর কোথাও কী আছে?

দীপক চৌধুরী: অতিদরিদ্র ও ভূমিহীনদের নতুন ঘর প্রাপ্তি এ বছর ঈদের আনন্দ ভীষণভাবে বাড়িয়ে দিয়েছে। কারণ, তারা মুজিববর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপহার পেয়েছিলেন। বিনামূল্যে শুধু স্থায়ী ঠিকানাই নয়, পাওয়া নির্মিত বাড়িগুলোও বেশ উন্নতমানের। প্রতিটি ভূমিহীন-গৃহহীন পরিবার পাবেন বাড়িসহ দুই শতক জমির মালিকানা- এমনটি ঘোষণা ছিল। গতবছর আমরা সংবাদ লিখেছিলাম, ‘আশ্রায়নের অধিকার শেখ হাসিনার উপহার’- এই স্লোগানকে সামনে রেখে মুজিববর্ষে নির্মিত হচ্ছে ভূমিহীন ও গৃহহীনদের জন্য এই ‘স্বপ্নের নীড়’। সারাদেশে গৃহ ও ভূমিহীন প্রায় ৯ লাখ পরিবারকে পাকা বাড়ি নির্মাণ করে দিচ্ছে সরকার। মুজিববর্ষে ভূমিহীন-গৃহহীন প্রতিটি পরিবারই পাচ্ছে একক ঘর, আর দুই শতাংশ জমির মালিকানা। বিপুলসংখ্যক অসহায় মানুষ শুধু পুনর্বাসিতই হবেন না, দেশের দারিদ্র্যবিমোচনেও ভূমিকা রাখবে। এটা ভীষণভাবে দরিদ্রদের আনন্দিত করছে।

আমরা জানি, সুবিশাল অর্জনে সমৃদ্ধ শেখ হাসিনার কর্মময় জীবন। এরমধ্যে এটিও একটি। পাকা ঘর পাওয়া সেতো কল্পনারও অতীত ছিলো। সেমিপাকা প্রতিটি বাড়িতে থাকছে দুটি বিডরুম, একটা কিচেন রুম, একটা ইউটিলিটি রুম, একটা টয়লেট ও একটা বারান্দা। ইটের দেয়াল, কংক্রিটের মেঝে এবং রঙিন টিনের ছাউনি দিয়ে তৈরি দুইটি কক্ষের ঘর। ‘মুজিববর্ষে বাংলাদেশে কোনো মানুষ গৃহহীন থাকবে না’- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এমন নির্দেশের পর ঘর বানিয়ে দেওয়ার এই উদ্যোগ নেয়া হয়।

এটা কেনো যেনো চোখ বন্ধ করেই বলা যায়, শেখ হাসিনা জীবন সংগ্রামী একজন জননেত্রী। বাংলাদেশের মানুষের আশা-আকাক্সক্ষা ও আস্থার জায়গা। এদেশের মানুষের একমাত্র আশা-ভরসার স্থান। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা নতুন পর্যায়ের বাংলাদেশের ইতিহাসের নির্মাতা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মেধা-মনন, সততা, নিষ্ঠা, যোগ্যতা আজ প্রমাণিত। তাঁর কল্যাণমুখী নেতৃত্বে বাংলাদেশ নবতর অভিযাত্রায় এগিয়ে চলছে। বিশ্বসভায় আত্মমর্যাদাশীল জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এটা এখন তো পরিষ্কার যে, তিনি বঙ্গবন্ধুর শুধু রক্তের উত্তরাধিকারই নন, শেখ হাসিনা আদর্শেরও যথার্থ উত্তরাধিকার। বঙ্গবন্ধু ও বাঙালি জাতি এক ও অভিন্ন সত্তা। কুঁড়েঘরে বসবাস করা ও ঈদের দিনে শাক বা ডাল দিয়ে ভাত খাওয়া দরিদ্র মানুষের মনে এবার ঈদের আনন্দ বিরাজ করেছে। তারা এবার পাকা বাড়িতে ঈদ করেছেন, নিজেরা পোলাও-মুরগী, পিঠা-পায়েশ খেয়েছেন। এসবের সঙ্গে মিলেছে প্রধানমন্ত্রীর উপহার পাওয়া নতুন পাকা বাড়ি। মোবাইল ফোনে এটাই এবার শুনছি বিভিন্ন জায়গা থেকে।

কৌতূহল থেকেই জানতে কয়েক জায়গায় খোঁজ নিচ্ছিলাম। যারা সরকারের দেওয়া ‘প্রধানমন্ত্রীর ঘর উপহার’ পেয়েছিল তারা এবারের ঈদে কেমন আছেন, কেমন ঈদ করলেন।শুনলাম, গত বছর কুঁড়েঘরে যারা ঈদ করেছেন বা খোলা জায়গায় ছিলেন তারা এবার প্রধানন্ত্রীর দেওয়া নতুন ঘরে ঈদ করতে পেরে ভীষণ মজা করেছেন। যারা এখনো পাননি তারা অবশ্যই নতুন ঘর পাবেন।

আসলে, এদেশের রাজনীতিকে কলুষিত, ঘৃণিত ও দলিত করার কৌশলে শ্রেষ্ঠ বিএনপি নিক্ষিপ্ত হয়েছে ইতিহাসের প্রতিশোধে। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে নিকৃষ্টভাবে দল গঠন করার কীর্তি দলটির আছে। এ দলটি দীর্ঘ সময় দেশে ক্ষমতায় থাকলেও গরিব মানুষের জন্য কিছু করে দেওয়ার চিন্তাও করেনি।

লেখক : উপসম্পাদক, আমাদের অর্থনীতি, সিনিয়র সাংবাদিক ও কথাসাহিত্যিক

 

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত