শিরোনাম
◈ দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় বিএনপি: নতুন সরকারের অগ্রাধিকার হতে পারে যেসব বিষয় ◈ ফাঁসির দণ্ডাদেশ থেকে খালাস পেয়ে সংসদের পথে বাবর, পিন্টু ও আজহারুল ইসলাম ◈ ‌‌টি-‌টো‌য়ে‌ন্টি বিশ্বকা‌পে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ হওয়া নিয়ে শঙ্কা! ◈ গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জিতে যাওয়ায় যেসব পরিবর্তন আসতে পারে ◈ কতটা ক্ষমতাধর একজন এমপি, তিনি কী কী কাজ করেন? ◈ অনেকেই ধারণা করছেন নির্বাচন শেষ হলে আমি যুক্তরাজ্যে ফিরে যাব: তাসনিম জারা ◈ অর্থনীতি সচল করাই আগামী সরকারের প্রধান চ্যালেঞ্জ: ফখরুল ইসলাম ◈ গণতান্ত্রিক অধিকারের জন্য বিএনপি সব সময় লড়াই করেছে তারই বহিঃপ্রকাশ এই বিজয়: মির্জা ফখরুল ◈ মন্ত্রিসভা নিয়ে যা বললেন সালাহউদ্দিন ◈ ভোটে জিতেই আওয়ামী লীগের অফিস খুলে দিলেন বিএনপি নেতা (ভিডিও)

প্রকাশিত : ১৫ মে, ২০২১, ১২:০৬ রাত
আপডেট : ১৫ মে, ২০২১, ১২:০৬ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

স্বীকৃতি না পাওয়া প্রেমিকার ছবি বিক্রি হলো ৭৫৫ কোটি টাকায়!

ডেস্ক রিপোর্ট : বিবাহিত হওয়া সত্ত্বেও পঞ্চাশ ছুঁইছুঁই পাবলো পিকাসো প্রেমে পড়েছিলেন ১৭-র কিশোরী মেরি টেরেসা ওয়ালটারের। ঘাত প্রতিঘাত পেরিয়ে প্রায় এক দশক টিকেছিল সেই প্রেম। সমাজের ভ্রুকুটি সত্ত্বেও মেয়ে মারিয়া ওরফে মায়ার জন্ম দিয়েছিলেন মেরি। কিন্তু কথা রাখেননি পিকাসো। বিয়ে করে স্ত্রী হিসেবে স্বীকৃতি দেননি কখনও। বরং ক্যানভাসেই মেরিকে নিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা চালিয়ে গিয়েছিলেন। আজ থেকে ৯০ বছর আগে, জানলার ধারে উদাস দৃষ্টিতে বসে থাকা মেরির একটি ছবি এঁকেছিলেন তিনি। বৃহস্পতিবার আমেরিকায় সেটি ৭৫৫ কোটি ৬৩ লক্ষ টাকায় বিক্রি হল।

১৯৩২ সালে ‘উওম্যান সিটিং নিয়ার আ উইন্ডো’ ছবিতে মেরিকে ফুটিয়ে তোলেন পিকাসো। বৃহস্পতিবার সেটিকে নিলামে তোলে নিউ ইয়র্কের নিলাম শিল্পসামগ্রী নিলাম সংস্থা ‘ক্রিস্টিজ’। তাদের ধারণা ছিল, ৩০০-৩৫০ কোটি পর্যন্ত দাম উঠতে পারে ছবিটির। নিলাম শুরু হওয়ার ১৯ মিনিটের মধ্যে এই বিপুল দামে ছবিটি বিক্রি হয়ে যায়। এই নিয়ে পিকাসোর আঁকা পাঁচটি ছবি পর পর ৭০০ কোটির বেশি টাকায় বিক্রি হল। বিশ্বের আর কোনও শিল্পীর এমন কৃতিত্ব নেই। কোভিডের গ্রাস থেকে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে আমেরিকা। পিকাসোর ছবি এই বিপুল অঙ্কে বিক্রি হওয়াতে শিল্পকর্মের বাজারও ঘুরে দাঁড়াবে বলে মনে করছে ‘ক্রিস্টিজ’।

শিল্পীমহলের মতে, মেরি এবং পিকাসোর ব্যক্তিগত টানাপড়েন সম্পর্কে ভালই ওয়াকিবহাল শিল্পপ্রেমী মানুষ। পিকাসো শুধু মেয়ের ভরণপোষণের টাকা দিয়েই ক্ষান্ত ছিলেন। মেরিকে ছেড়ে আরও একাধিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন। কিন্তু মেরি আজীবন পিকাসোকেই ভালবেসে গিয়েছিলেন। ১৯৭৩ সালে পিকাসো মারা যাওয়ার ৪ বছর পর আত্মঘাতী হন তিনি। যে কারণে মেরির প্রতি অনেকেই সমব্যথী। তাই শুধু পিকাসো নন, মেরির জন্যও এই ছবি ঘিরে অন্য আকর্ষণ ছিল বলে মনে করছে শিল্পমহল।
সূত্র- আনন্দবাজার

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়