প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় খাল খননের সুফল পাবে ৫ হাজার কৃষক

তৌহিদুর রহমান : [২] নতুন করে স্বপ্ন দেখছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কৃষকরা। সেচ সুবিধা নিশ্চতে মৃতপ্রায় ৪১ কিলোমিটার খাল পূণঃ খনন হওয়ায় কৃষকদের চোখে মুখে এখন আশার আলো। এতে সেচ সুবিধা বাড়ায় ফসল উৎপাদনও বেড়েছ। পাশিপাশি সহজতর হয়েছে নৌ পথে যোগযোগ ব্যবস্থা।

[৩] ভরাট হয়ে যাওয়া এসব খাল খননের ফলে অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি আর্থ সামাজিক ক্ষেত্রেও ব্যাপক পরিবর্তন ঘটবে বলে আশাবাদী কৃষকরা। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন খাল পূঃন খননের মাধ্যমে সেচ সুবিধা নিশ্চিত হওয়ায় অন্তত ১৮ হাজার মেঃ টনঃ বেশী ফসল উৎপাদন হবে। যার বাজার দর ৪৫ কোটি টাকা।

[৪] পলি পরে কোনটা আংশিক আবার কোনটা পুরোপুরি ভরাট হয়ে গেছে এমনই চিত্র ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিভিন্ন খালের। আর এসব খাল পুণঃ খননে গত বছরের জানুয়ারী মাসে বিএডিসি কুমিল্লা-চাঁদপুর-ব্রাহ্মনবাড়িয়া সেচ এলাকা উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে জেলা সদর ছাড়াও বিজয়নগর, আখাউড়াসহ ছয় উপজেলায় সোয়া চার কোটি টাকা ব্যায়ে প্রায় ৪১ কিলোমিটার খাল খনন কার্যক্রম শুরু
করে।

[৫] চলতি বছরের এপ্রিলে আধুনিক সেচ প্রকল্পের মাধ্যমে এসব খালের খনন কাজ শেষ হয়। যার সুফল পাবে অন্তত ৫ হাজার কৃষক পরিবার। জেলার সদর উপজেলা মজলিসপুর, কান্দুলিয়া ও পেদাখালী খালসহ বিভিন্ন খালের খনন কাজ শেষ হওয়ায় এর সুফল পাচ্ছে স্থানীয়রা। এতে সেচ সুবিধা সম্প্রসারিত হওয়ায় বেড়েছে ফসলের উৎপান। সে সাথে নৌ পথে যাতায়াত সহজতর হওয়াসহ অবকাঠামোগত সুবিধা পেয়েছে। বাড়ছে দেশী-বিদেশী বিভিন্ন মাছের প্রজনন ও উৎপাদন বাড়ছে।

[৬] এসব খালের ন্যায় ভরাট হয়ে যাওয়া অন্যান্য খাল খননের দাবী স্থানীয়দের। স্হানীয় কৃষক শাসমু মিয়া বলেন, খাল খননের ফলে আমরা পানি স্বাভাবিক গতি ঠিক পাচ্ছি। ফলে আগের যে কোন সময়ের চেয়ে অধিক ফলনের আশাবাদি আমরা।

[৭] কৃষক মিলন মিয়া বলেন, আমাদের এলাকায় খাল খননের ফলে কৃষকদের বেশ সুবিধা হয়েছে। যার ফলে জমিতে এখন আর পানির সংকট দেখা দিবেনা। সময়মত জমিতে পানিতে দিতে পারলে তুলনামূলক ফসল ফলনের দিয়ে অনেক ভালো হয়।

[৮] এ বিষয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিএডিসির সহকারী নির্বাহী প্রকৌশলী রুবায়েত ফয়সাল আল মাসুম বলেন, খালগুলো পূণঃ খননের ফলে ৫ হাজার কৃষক পরিবার উপকৃত হবার পাশাপাশি প্রায় ৪৫ কোটি টাকার বাড়তি ফসল উৎপাদিত হবে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত