প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] ঝুকি নিয়ে ট্রলারে পদ্মা পাড়ি দিচ্ছে ঘরমুখো মানুষ

আরিফুর রহমান: [২] দুই ঘাটেই ঘরমুখো মানুষে চাপে ফেরি বন্ধ থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছে দক্ষিন অঞ্চলের ২১ জেলার মানুষ। তাই একটু বেশী ঝুকি নিয়ে কোস্টগার্ডকে ফাকি দিয়ে অনেকেই ৫শত টাকা ভাড়া দিয়ে ট্রলারে পদ্মা পাড়ি দিচ্ছে।

[৩] অন্য দিকে বিজিবি মোতায়েনের পরও গতকাল সকাল থেকে মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়ায় ও মাদারীপুরের বাংলাবাজার ঘটে বাড়িফেরা মানুষদের ঢল বেড়েই চলেছে। বিজিবির বাধা সত্ত্বেও ১কিলোমিটার পথ হেটে ফেরি ঘাটে আসছে ঘরমুখো মানুষ।

[৪] জানা যায়, অনেকেই গত রবিবার সকাল থেকে ঘাটে থাকতে থাকতে একটু বেশী ঝুকি নিয়ে ঘাট শিমুলিয়া ঘাটের একটু দুরে গিয়ে ট্রলারে উঠছে এবং ভাড়া ৫শ থেকে ৬শ টাকা পযন্ত নিচ্ছে। যাত্রী কম নিলে ৬শ আর যাত্রী বেশী নিলে ভাড়া ৫শ। একটি ট্রলারে কমপক্ষে ২০জন উঠতে পারলে সেখানে ৩০-৪০জন করে গড়ে তুলে পদ্মা পাড় করে শিবচর ও জাজিরার মাঝে দুর্গোম চরে পাশে তাদের নামিয়ে দিচ্ছে। এরপর সেখান থেকে পায়ে হেটে ঘাট এলাকায় আসছে। অন্যদিকে পদ্মা নদীতে কোস্টগার্ডের সদস্যদের টহল দিতে দেখা গেছে। কিন্ত তারপর কিভাবে এই ট্রলারগুলো শিমুলিয়া থেকে আসছে সেদিকে কারো নজর নেই।

[৫] পটুয়াখালীগামী এক গৃহীনী রওশনারা জানান, গতকাল থেকে পরিবার নিয়ে শিমুলিয়া ঘাটে বসে ছিলাম অনেকবার চেস্টা করেছি ফেরিতে উঠতে কিন্ত পরিবার নিয়ে উঠতে পারিনি তাছাড়া ফেরিও মাত্র দুটি পেয়েছিলাম। রাতেও উঠতে পারিনি তাই বাধ্য হয়ে পরিবার নিয়ে ট্রলারে পদ্মা পাড় হওলাম। ঝুকি ছিল বেশী আর আমিসহ আমার পরিবারের সবাই ভয়ে ভয়ে ছিলাম। যাইহাক এপারতো আসতে পারছি।

[৬] খুলানগামী এক যাত্রী রহুল আমিন জানান, লকডাউন দিলে সব বন্ধ রাখবে কিন্ত সবকিছু খুলে দিয়ে আমাদের বাড়ী যাওয়া ফিরাচ্ছে লঞ্চ ফেরি বন্ধ রেখে। এটা কি ঠিক বলেন?, এখন যা হচ্ছে মানুষের দুর্ভোগ তাতে মানুষ আরও বেশী অসুস্থ্য হয়ে যাবে। সরকারের উচিত লঞ্চ চালু না করলেও ফেরি গুলো সব চালূ করা।

[৭] এদিকে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে ঈদে ঘরমুখো যাত্রীদের অবাধে যাতায়াত ঠেকাতে শিমুলিয়া ঘাটে রোববার সকাল থেকে টহল দিচ্ছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। তবে বিজিবি সদস্যদের চোখ ফাঁকি দিয়ে নানা কৌশলে যাত্রীরা ঢুকে পড়ছেন ঘাট এলাকায়। এখনো ঘাট পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে হাজারো যাত্রী। যাত্রীদের পারাপার ঠেকাতে গতকাল শনিবার ভোর থেকে সকল প্রকার ফেরি চলাচল বন্ধ ঘোষনা করে ফেরি কতৃপক্ষ কিন্ত তারপরও ওই দিনও কয়েকটি ফেরি শিমুলিয়া থেকে বাংলাবাজার ঘাটে যাত্রী নিয়ে আসে এবং বাংলাবাজার থেকে শিমুলিয়ার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়।

[৮] বাংলাবাজার নৌ পুলিশ ফাড়ির ওসি আব্দুর রাজ্জাক জানান,যারা ট্রলারে পাড় করছে তারা কিন্ত আমাদের ঘাটের আশপাশেও ভিড়ছে না। তারা জানে যেখানে কোন পুলিশ বা গার্ড নেই সেখানে ভিড়ছে।তাছাড়া এই ট্রলার যদি শিমুলিয়া থেকে না ছাড়তো তাহলেতো আমাদের এখানে আসতো না। এটা দেখা উচিত শিমুলিয়া ঘাট থেকে। তবে আমরা চেষ্টা করছি যাতে কেউ ট্রলারে পাড় না হয়। সম্পাদনা: সাদেক আলী

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত