প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] সালথার আলোচিত মলয় হত্যা মামলায় মুক্তি পাচ্ছেন আ’লীগ নেতা তারা মিয়া

হারুন-অর-রশীদ: [২] জেলার সালথার আলোচিত মলয় বোস হত্যা মামলায় নির্দোষ প্রমাণিত হয়ে অবশেষে মুক্তি পাচ্ছেন ইমামুল হোসেন (তারা মিয়া)। ইমামুল হোসেন উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও অবিভক্ত নগরকান্দা-সালথা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ছিলেন। সে উপজেলার সিংহপ্রতাপ গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা।

[৩] জানা যায়, তারা মিয়াকে উপজেলার আটঘর ইউপির আলোচিত সাবেক চেয়ারম্যান মলয় বোস হত্যা মামলায় আসামী করা হয়। দীর্ঘ ৯ বছর কারাভোগের পর তিনি মুক্তি পাচ্ছেন।

[৪] ইমামুল হোসেন (তারা মিয়া) এর ভাতিজা সোহেল মাহমুদ মুক্তির সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, তাঁর (তারা মিয়ার) কাগজপত্র জেলখানায় এসে পৌঁছেছে। দু-এক দিনের ভিতর তিনি মুক্তি পেতে পারেন।

[৫] সালথা উপজেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি শওকত হোসেন মুকুল বলেন, তারা মিয়া একটি মিথ্যা ষড়যন্ত্রমুলক মামলায় দীর্ঘদিন কারাভোগের পরে নির্দোষ প্রমাণিত হয়ে মুক্তি পাচ্ছেন বলে শুনেছি। তিনি বলেন, খালাসের কাগজপত্র কোর্ট থেকে আজ সোমবার জেলখানায় পৌঁছেছে বলে জানতে পেরেছি। আজ সোমবার অথবা আগামীকাল মঙ্গলবার তিনি মুক্তি পেতে পারেন।

[৬] উল্লেখ্য, ২০১২ সালের ৭ ফেব্রুয়ারী ফরিদপুরের সালথা উপজেলার আটঘর ইউনিয়নের সাবেক আলোচিত চেয়ারম্যান মলয় বোসকে (৪৫) প্রকাশ্যে দিবালোকে কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। মলয় বোস আটঘর ইউনিয়নের সাড়ুকদিয়া গ্রামের মৃত মনিন্দ্রনাথ বোসের ছেলে। এ হত্যা মামলায় সাবেক গট্টি ইউপি চেয়ারম্যান ইমামুল হোসেন (তারা মিয়া)কে আসামী করা হয়।

[৭] জানা যায়, ফরিদপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে একটি জরুরী কাজ শেষ করে মলয় বোস মোটরসাইকেল নিয়ে ২০১২ সালের ৭ ফেব্রুয়ারী দুপুর ১২টার দিকে আটঘর ইউনিয়ন পরিষদের উদ্দেশে রওনা হন।

[৮] পথিমধ্যে, সদর উপজেলার কানাইপুর ইউনিয়নের রণকাইল এলাকায় পৌঁছালে ৫ থেকে ৬ জনের একদল দুর্বৃত্ত রাস্তার উপর নছিমন রেখে তার গতিরোধ করে।

[৯] মোটরসাইকেল থামানোর সঙ্গে সঙ্গেই তাকে ধাঁরালো অস্ত্র দিয়ে উপর্যুপরি মাথায় আঘাত করে। এ সময় ঘটনাস্থলেই চেয়ারম্যান মারা যান। মোটরসাইকেলে থাকা অপর আরোহী সোহাগকেও কুপিয়ে মারত্মকভাবে জখম করা হয়।

[১০] এ সময় সোহাগের চিৎকারে আশপাঁশের লোকজন এগিয়ে আসলে নছিমন নিয়ে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। হত্যার দুই দিন পর ৯ ফেব্রুয়ারি মলয় বোস এর স্ত্রী ববিতা বোস বাদী হয়ে ২১ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও পাঁচ থেকে ছয়জনকে আসামি করে ফরিদপুরের কোতোয়ালি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে মামলাটি ঢাকার দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনাল-৪-এ স্থানান্তর করা হয়।

সর্বাধিক পঠিত