প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

চুয়াডাঙ্গায় ঈদ বাজারে উপচে পড়া ভিড়, মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি

সোহেল রানা ডালিম: করোনার উর্ধ্বগতির এই মৌসুমে প্রশাসনের দেওয়া বিভিন্ন নিয়মকানুনসহ স্বাথ্যবিধির তোয়াক্কা না করেই চুয়াডাঙ্গার শপিংমল ও বিপণনী বিতানগুলোতে উপচে পড়ছে মানুষের ভিড়। ঠেলা ঠেলিসহ গাদাগাদি করে ঈদের কেনাকাটায় প্রতিযোগিতায় নেমেছে মানুষ। করোনা মোকাবেলায় সরকারিভাবে বিভিন্ন নির্দেশনা থাকলেও নেই তার সঠিক বাস্তবায়ন। প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ তদারকি থাকলেও গত কয়েকদিনে কমেছে মোবাইল কোর্টে জরিমানার পরিমাণ। সচেতন মহলের অনেকেই বলছেন, করোনাভাইরাসের সংক্রমণের উর্ধগতির মধ্যে এভাবে স্বাস্থ্যবিধির তোয়াক্কা না করা এবং প্রশাসনের ছাড় দেওয়ার মনোভব, বাড়তে পারে সংক্রমণের হার।

শুক্রবার (৭ মে) চুয়াডাঙ্গা শহরের বিভিন্ন শপিংমল, কাপড়ের দোকান, জুতার দোকান, দর্জির দোকান থেকে শুরু করে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস কেনাকাটায় প্রচুর ভিড় দেখা গেছে। লকডাউন চলছে, অন্যদিকে মার্কেটও খোলা। ঈদের আর মাত্র এক সপ্তাহ বাকি আছে। করোনা সংকটের এসময়ের মধ্যেই জমে উঠেছে ঈদ বাজার।

সামাজিক দূরত্ব কিংবা শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে মানুষজনকে মার্কেট করার সরকারি নির্দেশনা থাকলেও কোথাও মানা হচ্ছে না সামাজিক কিংবা শারীরিক দূরত্ব। এসকল নির্দেশনা অমান্য করার তালিকায় এগিয়ে আছে এ জেলার নারীরা। চুয়াডাঙ্গা শহরের সমবায় নিউ মার্কেট, আব্দুল্লাহ সিটি, ফাতেমা প্লাজা, প্রিন্স প্লাজা কিংবা আলী হোসেন সুপার মার্কেটেও নেই স্বাস্থ্যবিধি মানার প্রবণতা। এটা শুধুমাত্র নির্দেশনাতেই থেমে আছে। সমস্ত মার্কেটেই লক্ষ্য করা গেছে, ক্রেতা এবং বিক্রেতা উভয়ই অসচেতন বা মানতে চাচ্ছেন না নিয়ম কানুন। মাঝে মধ্যে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট টহলে আসলে একটু সামাজিক দূরুত্ব মানতে দেখা গেলেও একটু পরেই তা আবার আগের মতো স্বাভাবিক হয়ে যাচ্ছে। জেলার অন্য উপজেলা শহরগুলোতেও একই চিত্র লক্ষ্য করা গেছে।

চুয়াডাঙ্গা সমবায় নিউ মার্কেটে, পুরাতন গলির বাজার, প্রিন্স প্লাজা, আব্দুল্লাহ সিটিসহ বিভিন্ন যায়গায় প্রচুর মানুষের ভিড়। আর এই ভিড়েরর মধ্যে নারীদের সংখায় বেশি। এক দোকানে মধ্যে গাদাগাদি করে একসাথে মার্কেট করছেন ২০-৩০ জন ক্রেতা। ক্রেতার যেমন নেই মাস্ক কিংবা স্বাস্থ্যবিধি মানার প্রবণতা, ঠিক তেমনি বিক্রেতারাও উদাসিন।

ভিড়ের মধ্যে কেনাকাটা করা মাক্সবিহীন কয়েকজন মহিলা ক্রেতার সাথে স্বাস্থ্যবিধির বিষয়ে প্রশ্ন করলে হেসেই উড়িয়ে দেন প্রশ্নের উত্তর। তাছাড়া মাক্স আনতে ভুলে গেছি, পড়ে গেছেসহ নানান অজুহাত দিয়ে পাশকাটিয়ে চলে যান।

স্বাস্থ্যবিধি না মানাসহ মাক্স বিহিন বিক্রেতাদের অজুহাত স্থানীয় প্রশাসন রাত ৮টা পর্যন্ত মার্কেট খোলা রাখতে নির্দেশ দিয়েছেন। ফলে সন্ধ্যার পর ক্রেতাদের ভিড় সামলাতে তারাও হিমসিম খাচ্চেন।

তবে,সচেতন মহলের দাবি, ঈদ সামনে দোকানপাট খোলা থাকলে কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধির প্রতিপালন করতে হবে এবং করাতে হবে। প্রশাসনকে আরও কঠোর হতে হবে।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত