প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] ফেনীতে কিশোরীকে গলাকেটে হত্যা, কিশোর আটক

শাহজালাল ভূঞা:[২] ফেনী সদর উপজেলার কালিদহে তানিশা ইসলাম (১১) নামে এক কিশোরীকে গলা কেটে হত্যা করেছে। বৃহস্পতিবার রাতে সদর উপজেলার কালিদহ ইউনিয়নের কালিদহ গ্রামে এঘটনা ঘটে। নিহত তানিশা প্রবাসী শহিদুল ইসলামের ছোট মেয়ে ও শহরের ডাক্তারপাড়া মহিউচ্ছুন্নাহ মাদ্রাসার ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। পুলিশ জিঙ্গাসাবাদের জন্য আক্তার হোসেন নিশান নামে নিহতের জেঠাাতো ভাইকে আটক করেছে।

[৩] পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার রাতে বাড়ির স্বজনরা পাশের বাড়িতে গেলে ঘরে কিশোরী তানিশা ও তার বৃদ্ধ দাদি ওয়াজ খাতুন ছিলো। রাত ১০ টার দিকে তানিশার মা ও বোন পাশের বাড়ি থেকে ঘরে ফিরলে তানিশাকে খোঁজাখুজি শুরু করে। ঘরে কোথাও না পেলে তারা বাড়ির ছাদে চিলেকোঠা ঘরে যেয়ে মেঝেতে তানিশার রক্তাক্ত লাশ দেখতে পায়। এসময় তাদের শোরচিৎকারে আশপাশের বাড়ির স্বজরা এগিয়ে এসে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে যেয়ে গলাকাটা লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ফেনী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করে।

[৪] নিহতের মা তাসলিমা আক্তার জানান, গত বুধবার তানিশার জন্মদিন ছিলো। তার জন্য নতুন জামাও কেনা হয়েছিলো। কেন তাকে নৃশংস ভাবে হত্যা করা হয়েছে এ বিষয়ে তিনি কিছুই বলতে পারেছেন না। তিন ভাই বোনের মধ্যে সবার ছোট ছিল তানিশা ইসলাম।

[৫] ফেনী মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ওমর হায়দার জানান, খবর পেয়ে পুলিশ সুপার খোন্দকার নুরুন্নবীসহ জেলার শীর্ষ পুলিশ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে ছুটে যান। পুলিশ জিঙ্গাসাবাদের জন্য নিহতের চাচাতো ভাই আক্তার হোসেন নিশানকে আটক করেছে।

[৬] পুলিশ সুপার খোন্দকার নুরুন্নবী জানান, ঘটনাস্থল থেকে কিছু আলামত সংগ্রহ করেছে পুলিশ। থানা পুলিশের পাশাপাশি গোয়েন্দা পুলিশ, পিবিআই ও সিআইডির একাধিক তদন্ত দল কাজ শুরু করেছে। কি কারণে কিশোরীকে হত্যা করা হয়েছে তা তদন্ত করে জানানো যাবে।সম্পাদনা:অনন্যা আফরিন

 

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত