প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] দৌলতখানে গ্রাম্য শালিসে দু’গ্রুপের সংঘর্ষ, নারীসহ আহত-১৫

মো. মামুন: [২] ভোলার দৌলতখানে জমিজমা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে গ্রাম্য সালিশ বৈঠকে দু’গ্রুপের সংঘর্ষে বসতঘর ভাঙচুর করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এসময় অন্তঃসত্ত্বা নারীসহ অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছে।

[৩] আহতদের মধ্যে হারুন গংদের সোহেল, জাহানারা, মোস্তাফিজ, বিবি খাদিজা, বিবি ইয়াসমিন ও অন্তঃসত্ত্বা ইয়াসমীন দৌলতখান হাসপাতাল এবং অপর জসিম গংদের রিয়াজ,সেন্টু,ময়না,নুরনবী, রিংকু ও আজিমন ভোলা সদর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। বাকীরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

[৪] ৯৯৯ ফোন পেয়ে দৌলতখান থানার উপপরিদর্শক (এসআই) কামাল সংগীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। উপজেলার চরখলিফা ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের দিদারউল্যাহ গ্রামে বৃহস্পতিবার এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় উভয়পক্ষ থানায় পাল্টাপাল্টি অভিযোগ দায়ের করেছে।

[৫] এব্যাপারে হারুন জানান, দীর্ঘদিন ধরে প্রতিপক্ষ জসিম গংদের সাথে তাদের জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে। এ নিয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে একটি গ্রাম্যভাবে সালিশ বৈঠকের আয়োজন করা হয়। সালিশ বৈঠকে স্থানীয় ইউপি সদস্য মনির সহ গ্রাম্য মাতবর গণ উপস্থিত ছিলেন। সালিশ বৈঠকের মধ্যখানে প্রতিপক্ষ জসিমের ফুফাতো ভাই সেন্টুর সাথে আমার নানা বজলু পাঠানের বাকবিতণ্ডা হয়। বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে জসিম গংদের পক্ষে আসা সালিশদার মহিউদ্দিন মাষ্টার ফোন করে লোক এনে তার বসতঘর ভাঙচুর ও তাদের পরিবারের সোহেল, জাহানারা, মোস্তাফিজ, বিবি খাদিজা ,বিবি ইয়াসমিন ও অন্তঃসত্ত্বা ইয়াসমীনকে বেধড়ক মারধর করেন। পরে তাদের উদ্ধার করে দৌলতখান হাসাপাতালে এনে ভর্তি করানো হয়। হারুন আরও জানান, বসতঘর ভাঙচুর করার সময় মহিউদ্দিন মাষ্টারের লোকজন তার ঘরে থাকা ৭০ হাজার টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে যায়।

[৬] অন্যদিকে মহিউদ্দিন মাষ্টার জানান, সালিশ বৈঠকের এক পর্যায়ে জসিমের ফুফাতো ভাই সেন্টুর সাথে বজলু পাঠানের কথা কাটাকাটি হয়। এসময় উভয়পক্ষের লোকজনের সাথে সংঘর্ষ হয়। তখন তিনি সেখান থেকে চলে আসেন। তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে তিনি জানান।

[৭] জসিমের চাচাতো ভাই মিজান জানান, গ্রাম্যভাবে সালিশ বৈঠকের এক পর্যাযে হারুন গংরা তাদের উপর অতর্কিত হামলা ও ঘর ভাঙচুর করেন। এতে তার পরিবারের রিয়াজ, সেন্টু,ময়না,নুরনবী,আজিমন ও রিংকু আহত হয়। তারা ভোলা সদর জেনালের হাসাপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

[৮] স্থানীয় ইউপি সদস্য মনির জানান, সালিশ বৈঠকের মধ্যখানে উভয়ের মধ্য সংঘর্ষ হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে ভাঙচুর ও হামলা ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। দৌলতখান থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) বজলার রহমান জানান, এ ঘটনায় উভয়পক্ষ অভিযোগ দায়ের করেছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত