প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

সাইফুদ্দিন আহমেদ নান্নু: আমাদের অদূরদূর্শী প্রচার-প্রপাগাণ্ডায় স্বাস্থ্যবিধি কেবল মাস্কে এসে ঠেকেছে, যা ভয়ংকর বিপদের জন্ম দেবে!

সাইফুদ্দিন আহমেদ নান্নু: আমাদের অদূরদূর্শী প্রচার-প্রপাগাণ্ডায় স্বাস্থ্যবিধি কেবল মাস্কে এসে ঠেকেছে। যা ভয়ংকর বিপদের জন্ম দেবে। অদূরদর্শী প্রচারণার প্রবল প্রভাবে হাতধোয়া,নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখার বিষয়টি ক্রমশ গৌণ হয়ে যাচ্ছে। করোনাকালের স্বাস্থ্যবিধি বলতে মোটাদাগে আমাদের যে তিনটি বিষয় মানতে বলা হয়েছে তা হল, [১] মাস্ক পরা [২] সাবান অথবা স্যানিটাইজার দিয়ে হাত পরিষ্কার রাখা। [৩] সামাজিক দূরত্ব মেনে চলা। এই তিনটি বিষয়ের মধ্যে আমার বিবেচনায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে নিরাপদ দূরত্ব মেনে চলা। তার সাথে মাস্ক পরা,তারপরে হাত ধোয়া। তিনটাই গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু হাট বাজার শপিংমল মসজিদ গণপরিবহণে মানুষের যে চিত্র দেখছি তাতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠবার কথা নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখা।

কারণ শপিংমলে,মার্কেটে গায়ে গা লাগানো মানুষের ভীরে মাস্ক কার্যত: কোন সুরক্ষা দিতে পারবে না।  আপনার সামনে পিছনে, ডাইনে বামে দুইফুট দূরে থাকা মানুষটা যদি কোভিড রোগের বাহন হন তাহলে আপনার মাস্ক আপনাকে সুরক্ষা দেবে না। সুরক্ষার জন্য জরুরি হল মাস্ক এবং নিরাপদ দূরত্ব। কিন্তু একটা বিষয় লক্ষ্য করছি, আমাদের টেলিভিশন, বিজ্ঞাপন, টকশো, স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ, পুলিশ আমলাগণ কেবলই মাস্ক মাস্ক মাস্ককেই নিরাপদে থাকার মূলমন্ত্র বলছেন, কম গুরুত্ব দিচ্ছেন সামাজিক দূরত্ব কে (এই সামাজিক দূরত্ব একটা অকার্যকর শব্দ, যার মনঃস্তাত্বিক প্রভাব নেই। এর পরিবর্তে বলা উচিত তিন বা ছয় ফুট দূরত্ব বজায় রাখুন)। ফলে একটি ক্ষতিকর প্রবণতা, ক্ষতিকর বিশ্বাস আমাদের প্রচণ্ড রকমে গ্রাস করছে, তা হল মাস্ক পরলেই হবে। ভীর যতোই হোক, গাঁদাগাদি যতোই হোক সমস্যা নাই, মুখে মাস্ক আছে না। এই মাস্ককে নিরাপদ জ্ঞান করে শিক্ষিত মানুষেরাও নিরাপদ দূরত্বের কথা ভুলে রিপুর তাড়নায় মার্কেট শপিংমলগুলোকে কুম্ভমেলা বানিয়ে ফেলছেন। ফেসবুক থেকে

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত