প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] পশ্চিমবঙ্গের মতুয়া ও রাজবংশী উভয় সম্প্রদায়ের মানুষই সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের প্রয়োগ চান

আসিফুজ্জামান পৃথিল: [২]তবুও তারা বিজেপিকে ভোট দেননি, আইনটির বিরোধীতা করা তৃণমূলকে দিয়েছেন। [৩] বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভারতের কেন্দ্র সরকারের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আর তার টিম পশ্চিমবঙ্গে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন প্রয়োগ করতে ব্যর্থ হয়েছেন। এটিই রাজ্যটিতে তাদের ভরাডুবির কারণ হয়ে থাকতে পারে। দলিত মতুয়া অধ্যুষিত আসনগুলিতে একেবারেই ভালো করতে পারেনি গেরুয়া দলটি। দ্য প্রিন্ট

[৪] মতুয়া অধ্যুষিত উত্তর২৪ পরগণা আর নদিয়ার ৩২ আসনের ১২টিতে জিতেছে কিজেপি। ২০টি গেছে তৃণমূলের পকেটে। আর বাংলাদেশ থেকে একসময়ে শরণার্থী হিসেবে যাওয়া রাজবংশী অধ্যুষিত উত্তরবঙ্গের ১১ আসনে অবশ্য তুলনামূলক ভালো করেছে বিজেপি। এখানে ৯টি আসনে জয় পেয়েছে তারা।

[৫] বিশেষজ্ঞ মত হলো, পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে স্পষ্ট দুটি ধারায় বিভক্ত। যারা রাজ্যটির স্থানীয়, তারা এক ধারা, আর যারা সীমান্ত পার হয়ে এসেছেন, তারা এক ধারা। দুটি অংশই সিএএ চায়, কিন্তু এই চাওয়ার কারণ আলাদা। যাদবপুর বিশ^বিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং রাজবংশী মানুষদের উপর বিশেষজ্ঞ রুপ কুমার বর্মন বলেন, ‘রাজবংশী ও অন্য নম:শুদ্র গ্রুপগুলো জলপাইগুরি, কোচবিহার ও দার্জিলিংয়ে স্পষ্ট দুটি গোষ্ঠী তৈরি করেছে। এদের সংখ্যা ৪০ লাখ। আদিবাসীরা চায় সিএএ ও এনআরসির মাধ্যমে শরণার্থীদের চিহ্নিত করা হোক আর শরণার্থীরা চান নাগরিকত্ব।’

সর্বাধিক পঠিত