শিরোনাম
◈ আটক বিএনপি নেতার মৃত্যু: সেনাসদস্যদের প্রত্যাহার, উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি ◈ টেকনাফে গুলিবর্ষণের ঘটনায় ঢাকায় মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে তলব ◈ প্লট দুর্নীতি: হাসিনা, টিউলিপ ও আজমিনার মামলার রায় ২ ফেব্রুয়ারি ◈ সমঝোতা জটিলতায় ১১ দলীয় জোটে উন্মুক্ত আসনের সম্ভাবনা ◈ পুরোনো রাজনীতি বনাম নতুন ব্যবস্থা: বাংলাদেশের সামনে কঠিন নির্বাচন ◈ মক্কার গ্র্যান্ড মসজিদে বাংলাদেশি কর্মীর নিঃস্বার্থ মানবিকতা ভাইরাল, সৌদি কর্তৃপক্ষের সম্মাননা ◈ শিক্ষার লক্ষ্য চাকরির প্রস্তুতি নয়, সৃজনশীল মানুষ গড়া: দক্ষিণ এশীয় সম্মেলনে ড. ইউনূস ◈ ৬৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগে আবেদন শুরু, করবেন যেভাবে ◈ বেনাপোল বন্দরে পাসপোর্টধারী যাতায়াত ১,৫২১ জন, আমদানি–রফতানি ৩০০ ট্রাক ◈ ইরানে দেশব‌্যাপী চলমান বিক্ষোভে সেনাবাহিনীর অবস্থান কী, সরকার কী চায়?  

প্রকাশিত : ০৪ মে, ২০২১, ১১:১৪ দুপুর
আপডেট : ০৪ মে, ২০২১, ১১:১৪ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] পরিবেশ ও মা-মাছ রক্ষায় হালদা নদীতে উপজেলা প্রশাসনের কঠোর নজরদারী

মোহাম্মদ হোসেন:[২] দক্ষিণ এশিয়ায় কার্প জাতীয় মাছের অন্যতম প্রাকৃতিক প্রজনন ক্ষেত্র এবংবঙ্গবন্ধু মৎস্য হেরিটেজ হালদা নদীতে এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত প্রজনন মৌসুম।মৌসুমকে সামনে রেখে হাটহাজারী উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে হালদানদীতে টহল জোরদার করেছে।

[৩] গত এপ্রিল মাসে নদী থেকে প্রায় ২৫ হাজারও অধিকঘেরাও জাল জব্দ করেন উপজেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমান আদালত। তাছাড়া নদীর বিভিন্ন স্থানে সিসি ফুটেজ ছাড়া নিয়মিত টহল চলমান রয়েছে। এত কিছুর পরেওমাছ শিকারিরা নদীতে জাল ফেলে এসব মাছ শিকারের সুযোগ নেয়।

[৪] হাটহাজারী ইএনও নেতৃত্বে গত ৩০ এপ্রিল এক অভিযান পরিচালনা করে নদী থেকে১০ হাজার মিটার ঘেরাও জাল জব্দ করেন। এর আগেও নদীর বিভিন্ন স্থান থেকে জাল জব্দ করেন। নিয়মিত টহল জোরদারের ফলে মা-মাছ সুন্দর পরিবেশে ডিম ছাড়তে পারে এমন আশা করছেন নদী থেকে ডিমসংগ্রহকারীরা। হালদা নদীর আমতোয়া অংশ থেকে মদুনাঘাট পর্যন্ত প্রায় সাত কিলোমিটার নদীর অংশ সিসিটিভি ক্যামেরায় আওতাভুক্ত।

[৫] আটটি ক্যামরায় নদীর প্রায় ছয় কিলোমিটার অংশ পর্যবেক্ষণের আওতায় এসেছে। হালদায় মা-মাছের প্রজনন মৌসুমের আগে এ ব্যবস্থা চালু করাকেস্বাগত জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ও হালদা রিভাররিসার্চ ল্যাবরেটরির সমন্বয়ক ড. মুহম্মদ মনজুরুল কিবরিয়া বলেন, ''এখনতো আমাদের ৪০ জন স্বেচ্ছাসেবী ম্যানুয়ালি হালদা নদীর মা মাছ পাহারা বাসুরক্ষায় কাজ করছে। কিন্তু এত বড় একটি নদীকে এত কম মানুষ দিয়ে পাহারা দেয়া সম্ভব না।

[৬] এই জন্য আমরা অনেকদিন ধরেই সিসি ক্যামেরা বসানোর কথা বলে আসছিলাম। ক্যামেরাগুলো বসানোর ফলে কয়েকটা সুবিধা পাওয়া গেছে। যেকোনো স্থান থেকে নদী নজরদারি সুবিধা হয়েছে, রাতেও নদীতে কেউ জাল বসাচ্ছে কিনা, বালি উত্তোলন বা ডলফিন হত্যা করছে কিনা, অবৈধ কিছু করা হচ্ছে কিনা, সেটা অনেকটা বোঝা যাচ্ছে। সেই সঙ্গে যারা অবৈধ মাছ ধরে বা বালু উত্তোলন করছে,তাদের মধ্যেও একটা ভীতির তৈরি হবে। এসব ক্যামেরা হাটহাজারী উপজেলার রামদাস মুন্সির হাট এলাকায় হালদা নদীর পাড়ে অস্থায়ী নৌ-পুলিশ ফাঁড়ি থেকে মনিটর করা হচ্ছে।

[৭] হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও)মোহাম্মদ রুহুল আমিন বলেন,আমি হাটহাজারীতে যোগদানের পর হালদা পরিবেশ রক্ষার্থে অভিযান শুরু করি।সফলও হয়েছি তবে চোর চক্রটি শক্তিশালী হলেও আমাকে পিছনের দিকে ফিরে থাকাতে হয়নি।যখনই খবর পেয়েছি নদীতে জাল ফেলছে,বালু উত্তোলন করছে আমি দ্রুত গিয়ে আইনগত ব্যবস্থাও নিয়েছি। রাতে নিদিষ্ট সময় ছিল না। কখন চোরদল নদীর কোন অংশে জাল ফেলছে।

[৮] প্রকৃত ভাবে হালদা নদীতে অভিযান গুলো আমার জীবনে আনন্দের বিষয়। কারন অভিযান সফল করতে আমি সব সময় মাঠে থাকি। অনেকেই প্রভাব কাটিয়ে থামানোর চেষ্টা করলেও কখনো মনোবল হারাইনি।সম্পাদনা:অনন্যা আফরিন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়