প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] বিধিনিষেধেও রাজধানীতে তীব্র যানজট, স্বাস্থ্যবিধি মানতে অনীহা

মাসুদ আলম: [২] বিধিনিষেধের শুরুর দিকে স্বাস্থ্যবিধি বাস্তবায়নে পুলিশের যে সরব ভূমিকা ছিল, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তা নিষ্প্রভ হয়ে গেছে। চেকপোস্ট গুলোতে শুরুর দিকে পুলিশের উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো হলেও এখন তেমনটি দেখা যাচ্ছে না। আর কোথাও কোথাও তো চেকপোস্টই গায়েব হয়ে গেছে।

[৩] অন্যদিকে, তৃতীয় দফায় লকডাউনে অধিকাংশ সড়কে তীব্র যানজট দেখা গেছে। গণপরিবহন বন্ধ থাকায় দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে অফিসগামী ও জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হওয়া মানুষদের। কোথাও কোথাও যানজটের কারণে ১০ থেকে ১৫ মিনিটের মত আটকে থাকতেও হয়েছে।

[৪] সরজমিনে দেখা যায়, ‘মুভমেন্ট পাস’ নিয়ে বিধিনিষেধের শুরুতে যে কড়াকড়ি দেখা গেলেও এখন ‘মুভমেন্ট পাস’ চেক করতে দেখা যাচ্ছে না পুলিশকে। সড়কে যে যারমতো চলাফেরা করছেন। দেশে বিধিনিষেধ চলছে দেখে বুঝার উপায় নেই। গণপরিবহন ছাড়া সব যানবাহন চলছে। তবে সড়কে ব্যক্তিগত গাড়ি, মোটরসাইকেল ও সিএনজির চাপ ছিলো বেশি। মাকের্টগুলোর সামনে ব্যক্তিগত গাড়ির লাইন দেখা গেছে।

[৫] তবে পুলিশ কর্মকর্তারা বলছেন, স্বাস্থ্যবিধি বাস্তবায়নে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর রয়েছে। মুভমেন্ট পাস চেকিং হচ্ছে। পাশাপাশি জরিমানাও করা হচ্ছে। মার্কেট খোলে দেওয়ায় সড়কে যানচলাচল বেড়েছে।

[৬] ভাটারা নুরেরচালার বাসিন্দা জান্নাতুল সোনিয়া হালিম বলেন, গণপরিবহন ছাড়া সবইতো স্বাভাবিক। তাহলে গণপরিবহন বন্ধ রেখে লাভ কি? বরং অফিসগামী ও জরুরি কাজে বের হওয়া মানুষের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। স্বাস্থ্যবিধি বাস্তবায়নে আরও কঠোর হতে হবে। অধিকাংশ মানুষের মুখে মাস্ক নেই। তবে পাড়া-মহল্লার চিত্র ভয়াবহ। কেউ স্বাস্থ্যবিধি মানতে নারাজ। সড়ক ও চায়ের দোকানে গভীর রাত পর্যন্ত আড্ডা চলে। পাড়া-মহল্লায় পুলিশের নজরদারি বাড়াতে হবে।

 

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত