প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

কামরুল আহসান: অধিকাংশ মানুষের যখন দিনে এনে দিনে খেতে নাভিশ্বাস বেরিয়ে যাচ্ছে খুব অল্প সংখ্যক মানুষ তখন ভাসছে ভোগ-বিলাসের সমুদ্রে

কামরুল আহসান: আপনারা খালি মানুষকেই বকবেন, এই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা সম্পর্কে কিছু বলবেন না? লাম্পট্যই যদি না করবে মানুষ এতো অর্থ-বিত্ত দিয়ে কী করবে? অধিকাংশ মানুষের যখন দিনে এনে দিনে খেতে নাভিশ্বাস বেরিয়ে যাচ্ছে খুব অল্প সংখ্যক মানুষ তখন ভাসছে ভোগ-বিলাসের সমুদ্রে। প্রয়োজনের অতিরিক্ত অর্থ হয়ে গেলে অনিবার্যভাবেই তা বিকারে রূপ নেয়। পুঁজি তো আসলে এক অর্থে পুঁজ। ভোগেরও সীমা আছে, কিন্তু বিকারের কোনো সীমা-পরিসীমা নেই।

আর আমাদের শেখানো হয়েছে তুমি ওই বিকারে সর্বস্ব শিখরে ওঠো। অবশ্য আমাদের কিছু ঠুনকো নৈতিকতাও শেখানো হয়েছে। কিন্তু অর্থনৈতিক-সামাজিক ব্যবস্থার মধ্যেই যখন বিকারের বীজ লুকিয়ে থাকে নৈতিকতা তখন গুড়ে বালি। গদার বলেছিলেন কথাটা, এই পুঁজিবাদী সমাজব্যবস্থায় আমরা সবাই কমবেশি বেশ্যাবৃত্তির মধ্যেই আছি। এখানে বহুজাতিক কোম্পানির এমডি, কলেজছাত্রী, সাংবাদিক, চাকরিজীবী, লেখক, বুদ্ধিজীবী সবাই বেশ্যা। কেউ কাউকে গাল দিয়ে লাভ নেই। থুতু নিজের ওপরই পড়বে। এ থেকে পরিত্রাণের কোনো সম্ভাবনাও আমি দেখি না।

বিপ্লবের স্বপ্ন আর দেখি না। স্বপ্ন দেখি ধ্বংসের। জ্ঞান দিয়ে এই মহাবিকার রোধ করা যাবে না। এখন যদি কোনো ধ্বংস এসে আমাদের চরম শিক্ষা দেয়। আশার কথা (আশঙ্কার কথা না) ধ্বংস শুরু হয়ে গেছে। অতিমারি, মহামারি, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, অর্থনৈতিক দুর্যোগ, মূল্যবোধের দুর্যোগ সবই আসছে একে একে। কথা হচ্ছে ধ্বংস দেখেও কি মানুষ শিখবে কিছু? ধ্বংস তো গেছে বহু, তাও কি মানুষ কিছু শিখেছে? ফেসবুক থেকে

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত