প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সমুদ্র পৃষ্টের উচ্চতা ১ মিটার বেড়ে গেলে, দেশের ১৭ ভাগ ভূমি পানিতে তলিয়ে যাবে: পরিবেশ মন্ত্রী

সমীরণ রায়: [২] পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন আরও বলেন, বাংলাদেশের পরিবেশের দৃশ্যমান উন্নয়ন ও জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব মোকাবেলায় সরকার নানামুখী উদ্যোগ নিয়েছে, যা বিশ্ব দরবারের স্বীকৃতি পেয়েছে। পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে। বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি রোধে বিশ্ববাসীকে জলবায়ু পরিবর্তন, অভিযোজন ও গ্রিন হাউস নির্গমন কমিয়ে আনতে ব্যক্তিগত ও সামষ্টিকভাবে এগিয়ে আসতে হবে। ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ বিশ্ব গড়তে বিশ্ব সম্প্রদায়কে এখনই উদ্যোগী হতে হবে।

[৪] তিনি বলেন, এবারের বিশ্ব ধরিত্রী দিবস উদযাপন তাৎপর্যপূর্ণ। এর কারণ করোনা মহামারির রূঢ় বাস্তবতা আমাদের শিখিয়েছে, যতই অর্থ-সম্পদে বিত্তশালী হই না কেন প্রকৃতির বিরুদ্ধে লড়াই করে টিকে থাকা যায় না। জীবনের জন্য প্রয়োজনীয় মূল উপকরণগুলো আসে প্রকৃতি থেকে। প্রাকৃতিক সম্পদের ভাণ্ডারকে ধ্বংস করে কোনো উন্নয়নই টেকসই হবে না। যখন বিশ্ব ধরিত্রী দিবস পালন করছি, তখন করোনার পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত আরও বিপর্যয়কর হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

[৫] মন্ত্রী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। বাংলাদেশের সমুদ্র উপকুলীয় এলাকা এবং উত্তর-পুর্বাঞ্চলের হাওর এলাকা জলবায়ু পরিবর্তনে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত। হারাতে পারে তাদের আজন্মের পরিচিত গ্রাম ও অসংখ্য স্মৃতি। অথচ এই দরিদ্র ও নিরীহ মানুষগুলো নিজেরা কোনোভাবেই জলবায়ু-সংকট সৃষ্টির জন্য দায়ী নয়। এর জন্য দায়ী অতিরিক্ত কার্বন নিঃসরণকারী উন্নত দেশ সমূহ। তাই এর দায় তাদের নিতে হবে। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সমুদ্র পৃষ্টের উচ্চতা ১ মিটার বেড়ে গেলে, দেশের ১৭ ভাগ ভূমি পানিতে তলিয়ে যাবে এবং প্রায় ৩ কোটি মানুষ তাদের আবাসন হারাতে পারে ।

[৬] বুধবার ধরিত্রী দিবস ২০২১ উপলক্ষে ইয়ুথনেট ফর ক্লাইমেট জাস্টিস এবং পরিবেশ ও হাওর উন্নয়ন সংস্থা কর্তৃক আয়োজিত ‘রোড টু গ্লাসগোঃ আমাদের পৃথিবীর পুনরুদ্ধার ও জলবায়ু সুরক্ষা’ শিরোনামের ভার্চুয়াল সংলাপে তার বাসভবন থেকে যুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

সর্বাধিক পঠিত