প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] গিনেজ বুকে স্থান পাওয়া শস্যচিত্রে বঙ্গবন্ধু শিল্পকর্মের ধান কাটা শুরু

জিএম মিজান : [২]  বগুড়ার শেরপুর উপজেলার বালেন্দা এলাকার ৪০ একর (১২০ বিঘা) কৃষি জমিতে গাঢ় বেগুণী ও সবুজ ক্যানভাসে ফুটে তোলা হয় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতি।

[৩] শস্যচিত্রে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি প্রকল্পের কৃষক বেশে কাস্তে হাতে কোমরে গামছা বেধে ধান কাটা উদ্বোধন করলেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা।

[৪] সোমবার বেলা ১টায় বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য এডঃ জাহাঙ্গীর কবির নানক ও কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কৃষিবিদ আফম বাহাউদ্দিন নাছিম কৃষকের বেশধরে দলের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে এই ধান কাটার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। পরে প্রকল্পের ধান কাটা উৎসবে মেতেছেন স্থানীয় আদিবাসী কৃষাণ-কৃষাণীরা।

[৫] বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষ্যে শস্যচিত্রে জাতীয় পরিষদের উদ্যোগে এবং বেসরকারি কোম্পানি ন্যাশনাল এগ্রিকেয়ারের সহযোগিতায় এই ‘শস্যচিত্রে বঙ্গবন্ধু’ নামে বিশাল আয়তনের এই প্রতিকৃতি তৈরি করা হয়। এটি গত ১৬মার্চ বিশে^র সর্ববৃহৎ শস্যচিত্র হিসেবে গিনেজ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে অর্ন্তভুক্ত হয়েছে।

[৬] যার মাধ্যমে বাঙালি জাতির নতুন ইতিহাস তৈরি হয়েছে। শস্যচিত্রে বঙ্গবন্ধু ধান কাটা উৎসব অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী বক্তব্যে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কৃষিবিদ আফম বাহাউদ্দিন নাছিম বিএনপি-জামায়াত ও হেফাজতকে নভেল করোনার সঙ্গে আখ্যায়িত করে বলেন, মহামারী করোনাভাইরাস থেকে বাঁচতে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করাসহ মুখে মাস্ক ব্যবহার করতে হয়। তেমনিভাবে সাম্প্রদায়িক ওই মৌলবাদী গোষ্ঠীকে রুখতে গণপ্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। যে কোনো মূল্যে স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তিকে বাংলার মাটিতে স্থান দেওয়া হবে না। আগামী প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্ধুদ্ধ করতে নানামমুখি কর্মসূচি গ্রহণের আহবান জানিয়ে তিনি আরও বলেন, কৃষি ও কৃষকের বন্ধু জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত দেশ বির্নিমানে কাজ করে গেছেন। তাই তাঁর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে ফসলি মাঠে ‘শস্যচিত্রে বঙ্গবন্ধু’ প্রতিকৃতি তৈরী করা হয়।

[৭] শস্যচিত্রে বঙ্গবন্ধু প্রতিকৃতির আয়তন ১২লাখ ৯২ হাজার বর্গফুট। শস্যচিত্রের দৈর্ঘ্য ৪শ’ মিটার এবং প্রস্থ হবে ৩শ’ মিটার। বিশে^র সর্ববৃহৎ শস্যচিত্র এটি। কারণ সর্বশেষ বিগত ২০১৯সালে চিনে তৈরী শস্যচিত্রটির আয়তন ছিল ৮লাখ ৫৫হাজার ৭৮৬বর্গফুট। শস্যচিত্রে বঙ্গবন্ধুর প্রতিচ্ছবি তৈরি করার জন্য দুই ধরনের ধান বেছে নেওয়া হয় গাঢ় বেগুণী ও সোনালী রং। চিন থেকে এই ধানের জাতটি আমদানি করা হয়েছে। ন্যাশনাল ক্যাডেট কোরের সদস্যদের নিয়ে লে-আউট তৈরি করা হয়।

[৮] পরে চারা লাগানোর জন্য নির্ধারিত মাঠ প্রস্তুত করা হয়। এই কাজে একশ’ বিএনসিসি সদস্যের দল অংশ নেন। চারা রোপন আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের পর পুরোদমে চলে চারা রোপনের কাজ। প্রতিদিন একশত বিশ থেকে একশত ত্রিশজন নারী-পুরুষ শ্রমিক এই চারা রোপণ কাজ করেছেন। সম্পাদনা: জেরিন আহমেদ

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত