প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] কুমিল্লার দাউদকান্দিতে গোমতীর গর্ভে বিলীন হচ্ছে ফসলী জমি ও গ্রাম, আতংকে ২০ গ্রামের মানুষ!

মোশায়ারা আক্তার জলি: [২] চরাঞ্চলের মানুষের কাছে গোমতী নদী এখন সর্বনাশা এক নাম। এই নদীর নেই প্রবল স্রোত,নেই উত্তাল ঢেউ,গভীরতাও তেমন নেই। পূর্ব দিক থেকে নেমে আসা প্রবল স্রোতের তোড়ে নিরবে ধ্বংস করে দিচ্ছে গ্রামসহ ফসলি জমি।

[৩] কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার সদর উত্তর ইউনিয়নের প্রায় ২০ টি গ্রাম ও শত শত একর ফসলি জমি গোমতী নদীর বুকে হারিয়ে যাবে অচিরেই।

[৪] এই নদীর সাথে জড়িয়ে আছে ইতিহাস ও কুমিল্লার ঐতিহ্য। ভাঙনের কবলে পরে তৈরী হচ্ছে নতুন দঃখের ইতিহাস।

[৫] সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়,” দাউদকান্দি সদর উত্তর ইউনিয়নের হাসনাবাদ,নতুন হাসনাবাদ, ভিটিকান্দি, কান্দারগাঁওসহ প্রায় ১৫ টি গ্রাম ও প্রায় ১ হাজার একর ফসলি জমি ভেঙে বিলীন হতে চলছে গোমতী নদীর বুকে। এখানকার মানুষেরা ফসলি জমি চাষাবাদ করে প্রধান জীবিকা নির্বাহ করে থাকে। ইতোমধ্যে অনেকেই নিজেদের জমিজমা ও ভিটেমাটি হারিয়ে নি:স্ব হয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে।

[৬] কান্দারগাঁওসহ আশপাশের কয়েকটি গ্রামের ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য আজগর আলী,আফজাল বেপারী,মনু মিয়া, শাহজালাল,আলাউদ্দিন ও ইলিয়াস ফরাজিসহ আরও বাসিন্দারা বেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়ে বলেন,” জমিজমা যা ছিলো ফসল উৎপাদন করে ডাল-ভাত খাইতাম, এহন আমগো জমি রাক্ষসী গোমতী নদীতে ডুবে গেলো। এহন শুধু বসত ভিটামাটিই সম্বল।ঘর বাড়িও হুমকির মুখে যেকোনো সময় ভেঙে নদীগর্ভে বিলীন হতে পারে। আয়-রোজগারের পথও বন্ধ। কী খাবো? আমরা কোথায় মাথা গুছবো? এই ভাবনায় আমরা দিশেহারা। তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ভাঙনরোধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জোরালো দাবি জানাই।”

[৭] এ বিষয়ে দাউদকান্দি উপজেলা নির্বাহী অফিসার(ইউএনও) মো. কামরুল ইসলাম খান বলেন,গোমতী নদী ভাঙনের বিষয়টি আমি জেনেছি। সংশ্লিষ্ট বিভাগের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে গ্রামবাসির বেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবিসহ ভাঙনরোধে কী করণীয় সে বিষয়ে জানানো হবে।“সরকারি নির্দেশনা পেলেই নদী ভাঙনরোধে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করবো।” সম্পাদনা: সাদেক আলী

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত