প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] বাংলাদেশকে ভ্যাকসিন উৎপাদনে যেতে হবেই

তরিকুল ইসলাম:[২] সরকার উদ্যোগ নিলে ছয় থেকে এক বছরের মধ্যে দেশেই করোনা ভ্যাকসিন উৎপাদন সম্ভব।

[৩] দেশীয় ওষুধ প্রস্তুতকারক জায়ান্টদের নিয়ে হতে হবে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ।

[৪] দেশের ওষুধ প্রস্তুতকারী জায়ান্ট ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নির্বাহীরা বলছেন, বিশ্বজুরে করোনা টিকা প্রাপ্তির এ লড়াইয়ে বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার অনুমোদিত ভ্যাকসিন প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের আন্ডার লাইসেন্স ও তাদের টেকনোলজিক্যাল সহযোগিতা নিয়ে সরকারকে এক্ষুণি উৎপাদনের কথা ভাবতে হবে।

[৫] রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান এসেনসিয়াল ড্রাগস্ এবং দেশীয় ওষুধ প্রস্তুতকারক জায়ান্টদের নিয়ে এ উদ্যোগ হতে পারে।

[৬] কারণ, দেশীয় জায়ান্ট- বেক্সিমকো, স্কয়ার, ইনসেপ্টা, পপুলার ও বিকন কারোরই একার পক্ষে বিশাল চাহিদার ভ্যাকসিন উৎপাদনের সক্ষমতা নেই।

[৭] এককভাবে ভ্যাকসিন উৎপাদনে ব্যাপক ইনভেস্টমেন্টের পাশাপাশি উৎপাদন পরবর্তী সংরক্ষন ও বিতরণ খরচ এবং বৈশ্বিকভাবে ভ্যাকসিন প্রাপ্তির সহজ লভ্যতাও এসব জায়ান্টদের ঝুঁকিতে ফেলতে পারে। তাই সরকার উদ্যোগ নিলে এবং নিশ্চয়তা দিলেই কেবল বাংলাদেশে ভ্যাকসিন উৎপাদন এবং রপ্তানি করাও সম্ভব।

[৮] বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাজমুল হাসান পাপন বলেন, নোভাভ্যাক্স ও সানোফির ভ্যাকসিন হয়ত শীঘ্রই অ্যাপ্রুভাল পাবে। নোভাভ্যাক্সের সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ হয়েছে।

[৯] নোভাভ্যাক্স আমাদের বলেছে, তারা অ্যাপ্রুভাল পেলে আমরা যদি তাদের কাছ থেকে তিন মাস ভ্যাকসিন কিনি এর পর তারা আমাদের কাছে টেকনোলজি শেয়ার করবে। তখন আমরাই দেশে এটি উৎপদন করতে পারবো।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত