প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] য‌শো‌রে ক‌রোনায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৬১২২

র‌হিদুল খান: [২] যশোর জেলায় আজ আরো অর্ধশত করোনা রোগী বাড়লো। স্বাস্থ্য বিভাগের হিসেব অনুযায়ী, এখন জেলায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত ব্যক্তির সংখ্যা ছয় হাজার ১২২।

[৩] যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) জেনোম সেন্টারে বৃহস্পতিবার রাতে যে নমুনাগুলো পরীক্ষা করা হয়, তার মধ্যে যশোরের ৫০টিতে করোনা ভাইরাসের উপস্থিতি ধরা পড়ে। এদিন জেলার ২২৮টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছিল।

[৪] বিশ্ববিদ্যালয়ের অণুজীববিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান ও পরীক্ষণ দলের সদস্য অধ্যাপক ড. মো. ইকবাল কবীর জাহিদ এই তথ্য নিশ্চিত করে তিনি জানান, এদিন তাদের ল্যাবে মোট ২৫৩টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়, যেগুলো যশোর ও মাগুরা জেলার সন্দেহভাজন করোনা রোগীদের শরীর থেকে সংগ্রহ করা। মাগুরার ২৫টি নমুনা পরীক্ষা করে এদিন পাঁচটিতে করোনার উপস্থিতি শনাক্ত হয়।

[৫] পরীক্ষা সংক্রান্ত বিস্তারিত ফলাফল সংশ্লিষ্ট দুই জেলার সিভিল সার্জনের কার্যালয়ে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

[৬] স্বাস্থ্য বিভাগের হিসেব অনুযায়ী বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত যশোর জেলায় মোট ছয় হাজার ৭২ জনের শরীরে করোনা ভাইরাসের উপস্থিতি শনাক্ত হয়। আজ এর সঙ্গে যোগ হবে যবিপ্রবি থেকে পাঠানো তথ্য। এছাড়া খুলনা বা অন্য কোনো জেলা থেকেও যশোরের কোনো বাসিন্দার করোনাভাইরাস আক্রান্ত হওয়ার তথ্য আসতে পারে; যেমনটি প্রায়ই ঘটে।

[৭] অন্যদিকে, যশোর জেনারেল হাসপাতালের পিড অ্যান্টিজেন টেস্টের মাধ্যমেও প্রাথমিকভাবে কিছু করোনা রোগী শনাক্ত করা হয়। অ্যান্টিজেন টেস্টের রিপোর্ট অবশ্য নিশ্চিত হওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট নমুনা পিসিআর ল্যাবে পাঠানো হয়।

[৮] সিভিল সার্জনের দেওয়া তথ্য মতে, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত যশোর জেলায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৬৮ জন। ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থান ও দেশের বাইরে, বিশেষ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে যশোরের বেশ কয়েকজন নাগরিক করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।যাদের হিসেব এই তালিকায় নেই।

[৯] স্বাস্থ্য বিভাগ বলছে, যশোরে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তদের মধ্যে ইতোমধ্যে পাঁচ হাজার ২০০ জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন। হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন ২৬ জন। আর বাড়িতে আইসোলেশনে আছেন ৭৭৮ জন।

[১০] গত বছরের মার্চ মাস থেকে গতকাল বৃহস্পতিবার পর্যন্ত যশোর জেলার সন্দেহভাজন করোনা রোগীদের শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করে বিভিন্ন ল্যাবে পাঠানো হয়েছে মোট ২৯ হাজার ২৪৪টি। এ যাবৎ মোট রিপোর্ট হাতে এসেছে ৩৩ হাজার ৮৬৭টি।

[১১] গত বছর ৫ ডিসেম্বর যশোরে র্যা পিড অ্যান্টিজেন টেস্ট শুরু হয়। তখন থেকে গেল বৃহস্পতিবার পর্যন্ত এই জেলায় মোট এক হাজার ৩৭৮ ব্যক্তির নমুনা অ্যান্টিজেন পরীক্ষা করা হয়েছে। এর মধ্যে ২৭৪টি পজেটিভ কেস পাওয়া গেছে।

[১২] করোনা ভাইরাসের এই বিপজ্জনক সময়ে মানুষকে কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধি মানা, ঘরে থাকা, বিশেষ প্রয়োজনে বাইরে বেরুলে মুখে মাস্ক ব্যবহার করতে বলছেন জেলার সিভিল সার্জন ডা. শেখ আবু শাহীন। সম্পাদনা: হ্যাপি

সর্বাধিক পঠিত