প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] রাজধানীর সরকারি কোভিড ডেডিকেটেড হাসপাতালগুলোতে ভর্তি রোগী কমলেও বেড়েছে আইসিইউ’র রোগীর সংখ্যা

শাহীন খন্দকার: [২] দেশে আগের চেয়ে ১০ গুণ বেড়েছে করোনা রোগীর জন্য অক্সিজেনের চাহিদা। প্রতিদিন ১৫০ টন করে অক্সিজেন প্রয়োজন হলেও ঘাটতি থাকছে অর্ধেকের বেশি। জীবন রক্ষাকারী অক্সিজেনের অভাবে মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে স্বাস্থ্যসেবা খাত।

[৩] মুক্ত বাতাসে যখন শ্বাস নেওয়ার সক্ষমতা হারায় ফুসফুস। মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে দাড়িয়ে বেঁচে থাকার একমাত্র ভরসা কৃত্রিম অক্সিজেন সরবরাহ। করোনায় এ দৃশ্য এখন চিরচেনা। যারা আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে আসছেন, তাদের শতভাগই ভুগছেন শ্বাসকষ্টে। কেউ অক্সিজেনসহ চিকিৎসা পাচ্ছেন, কেউ পাচ্ছেন না। রোগীর স্বজনরা অভিযোগ করে বলছেন, কারও কোনো খবর রাখে না কেউ। একটা রোগী ভর্তির পর বেঁচে আছেন না মারা গেছে সেটা দেখারও কেউ নেই।

[৪] সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. খলিলুর রহমান বলেন, করোনা আক্রান্ত রোগীরা এখানে আসছে, অক্সিজেনের সমস্যা অনেক রোগীর আছে বলেও জানান তিনি। প্রাথমিকভাবে সবার জন্য অক্সিজেন সরবরাহ নিশ্চিত করা গেলে হাই-ফ্লো ন্যাজাল ক্যানুলা কিংবা আইসিইউর মতো জটিলতা এড়ানো সম্ভব বলে মনে করেন।

[৫] তিনি আরো বলেন, গত তিন চারদিন ধরে ভর্তি রোগীর সংখ্যা তুলনামূলক কম। আগের তুলনায় আমাদের সক্ষমতাও অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু প্রতিদিনই বাড়ছে আইসিইউ’তে ভর্তি রোগীর সংখ্যা। মঙ্গলবার হাসপাতালে সাধারণ বেড খালি ছিল ১২৯৭টি। বুধবার তা ১২৭১টিতে নেমে আসে। বৃহষ্পতিবার তা একটু বেড়ে দাঁড়ায় ১৩৪২টিতে। অর্থাৎ বুধবার ভর্তি রোগীর সংখ্যা ২৬জন বাড়লেও বৃহষ্পতিবার ৭১জন কমে যায়।

[৬] ডিএনসিসি কোভিড-১৯ ডেডিকেটেড হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম নাসির উদ্দিন বলেন, ‘এই হাসপাতালে ৭৫ জন রোগী এখন আইসিইউতে রয়েছে। আইসিইউ বেড সংখ্যা বাড়ানোর চেষ্টা করছি।

[৭] কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জামিল আহমেদ বলেন, ‘করোনার শুরুর দিক থেকেই কুর্মিটোলা হাসপাতালের আইসিইউ বেডগুলো সব সময় পরিপূর্ণই থাকে। এখন বড় যে পরিবর্তনটা হয়েছে সেটা হলো, সেন্ট্রাল অক্সিজেন থাকায় সবাই অক্সিজেনের সুবিধাটা পায়।’

[৮] ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাজমুল হক বলেন, ‘আমাদের এখানে আইসিইউ থেকে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক রোগী সুস্থ হয়ে যাচ্ছেন। আমরা বলতেই পারি এটা অনেক ভালো খবর।
তিনি বলেন, লকডাউনের কারণে এরকমটা হয়ে থাকতে পারে। সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকরা বলছেন, করোনা সম্পর্কে মানুষের কিছুটা ধারণা তৈরি হওয়ায় আক্রান্ত হলেও হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসছেন দেরিতে। যার ফলে বেশির ভাগ রোগীই খারাপ অবস্থায় আসছেন। ফলে তাদেরকে দ্রুত আইসিইউতে পাঠানোর দরকার হচ্ছে। সম্পাদনা: মেহেদী হাসান

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত