প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন যে বক্তব্য দিয়েছে তা প্রত্যাহারের দাবি জানান চিকিৎসকদের সংগঠন এফডিএসআর

আব্দুল্লাহ মামুন: [২] রাজধানীর এলিফ্যান্ট রোডে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) সহযোগী অধ্যাপক ডা. সাঈদা শওকত জেনির সঙ্গে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশ সদস্যদের বাগবিতণ্ডার ঘটনায় তার বিচার চেয়ে পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন যে বক্তব্য দিয়েছে তা প্রত্যাহারের দাবি জানান চিকিৎসকদের সংগঠন ফাউন্ডেশন ফর ডক্টরস সেফটি, রাইটস অ্যান্ড রেসপন্সিবিলিটিজ। সোমবার (১৯ এপ্রিল) সন্ধ্যায় অনলাইলে সংবাদ সম্মেলন আয়োজিত হয়।

[৩] সংবাদ সম্মেলনে এফডিএসআরের চেয়ারম্যান ডা. আবুল হাসনাৎ মিল্টন বলেন, পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন সত্যকে খণ্ডিত করে উপস্থাপন করছে। তারা সকল কিছুর জন্য ডা. জেনিকে দায়ী করেছেন। অথচ একজন নারী চিকিৎসককে একা পেয়ে কতিপয় পুলিশ সদস্য এক রকম উত্যক্ত করেছে।

[৪] ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করে তিনি বলেন, এই ঘটনা সম্পূর্ণ ইচ্ছাকৃতভাবে ঘটানো হয়েছে। পুলিশ বাহিনী ও চিকিৎসকদের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে সরকারকেই বিপদে ফেলার ষড়যন্ত্র করছে। এর সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত করা উচিত।

[৫] সংগঠনটির চেয়ারম্যান বলেন, করোনা পরিস্থিতিতে সারা পৃথিবীতে যেখানে ডাক্তারদের বিশেষভাবে সম্মানিত করা হচ্ছে, সেখানে শুরু থেকে আমরা পদে পদে বাধাগ্রস্ত হয়েছি। শুরুতে নকল মাস্ক সরবরাহ করে আমাদের মৃত্যুর সামনে দাঁড় করানো হয়। একসময় কর্তব্যরত চিকিৎসকদের জন্য আবাসন ও যানবাহনের ব্যবস্থা করা হলেও তা আকস্মিকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়। প্রণোদনা ও স্বাস্থ্যবিমার কথা বলা হলেও তার বাস্তবায়ন বলতে কিছুই হয়নি। এমন প্রতিকূলতার মুখেও আমরা জীবনবাজি রেখে কোভিড রোগীদের সেবা দিয়ে যাচ্ছি। এর বিনিময়ে সম্মান বা স্বীকৃতি তো দূরের কথা, পদে পদে অপমানিত হচ্ছি।

[৬] অ্যাপ্রন বিশ্বব্যাপী চিকিৎসকগণের পরিধেয় পেশাগত পোশাক হিসেবে বিবেচিত হয়। কিন্তু দায়িত্ব পালনকারী পুলিশ তাকে ভুয়া চিকিৎসক হিসাবে অভিহিত করেন। এর প্রেক্ষিতে ডা. সাঈদা শওকত বিক্ষুব্ধ হন এবং পুলিশের সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় লিপ্ত হন, যার খণ্ডকালীন সচিত্র প্রতিবেদন সামাজিক মিডিয়ায় প্রচার হয়েছে।

সর্বাধিক পঠিত