প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] বাঘারপাড়ায় ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নীচে নেমে যাওয়ায় নলকুপে উঠছেনা পানি

আজিজুল ইসলামঃ [২] যশোরের বাঘারপাড়ায় নেমে গেছে পানির স্তর। এর প্রভাবে উপজেলার পৌর এলাকাসহ আশেপাশের অধিকাংশ নলকূপে উঠছে না পানি। পানির জন্য চলছে হাহাকার। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বলছে, বেশ কয়েক দিন ধরে প্রচন্ড আকারে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে, তাছাড়া অনেক দিন যাবৎ নেই কোনো বৃষ্টিপাত।

[৩] বৃষ্টি হলে অবস্থার পরিবর্তন হবে। এ উপজেলার প্রত্যেকটি পরিবারে কম বেশি নিজস্ব নলকূপ আছে। পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ার কারণে উপজেলার প্রায় সব নলকূপই অকেজো। যেগুলো কাজ করছে সেগুলোতে অতি সামন্য আকারে পানি উঠছে। এক বালতি পানি তুতে লাগছে অনেক সময়।

[৪] সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে পৌর এলাকাসহ উপজেলার ৯টি ইউনিয়নেই পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ায় এসব এলাকায় চলছে পানির জন্য হাহাকার। তবে বাঘারপাড়া পৌরসভা, দরাজহাট, রায়পুর ও বাসুয়াড়ি ইউনিয়নের অবস্থা সব চাইতে বেশি খারাপ। পানির জন্য খুবই দুর্বিসহ হয়ে পড়েছে এসব এলাকার বসবাসরত মানুষ।

[৫] এ বিষয়ে বাঘারপাড়া পৌর এলকার মহিরণ গ্রামের বাসিন্দা শওকোত হোসেন, মঞ্জুরুল ইসলাম, মুকুল হোসেন, দরাজহাট ইউনিয়নের আসাদুর রহমান, বাবুল হাসান, রাসেল হোসেন, রায়পুর ইউনিয়নের রজিবুল ইসলাম, মাহিম হোসেন এবং বাসুয়াড়ি ইউনিয়নের সামাদ, সোহাগ হোসেন ও ইমরান জানান, তারা পানির কষ্টে আছেন।

[৬] মটর বসিয়েও তেমন পানি উঠছে না। আশেপাশের এলাকাতেও একই অবস্থা। পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ায় কৃষকেরাও হাতাশ, জমিতে সেচ দিতে খুবই বিপাকে পড়তে হচ্ছে। বাঘারপাড়া বাজারের নলকূপ ব্যবসায়ী আব্দুল মজিদের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, নলকূপের লেয়ার নিচে নেমে যাওয়ায় এই সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে।

[৭] অনেকেই নলকূপের চেকবলের সমস্যা মনে করে নতুন চেকবল লাগাচ্ছেন। আসলে এখানে চেকবলের কোনো সমস্যা নেই, সমস্যা হলো লেয়ার নিচে নেমে যাওয়া।পানির স্তর নেমে যাওয়ার পেছনে যত্রতত্র সাবমার্সেল (গভীর নলকূপ) পাম্পের ব্যবহারকে দায়ী করছেন জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী আবু হানিফ।

[৮] তিনি বলেন শুস্ক মৌসুমে পানির স্তর নিচে নামার কারণে যেসব নলকূপের লেয়ার কম দেওয়া তাতে পানি না ওঠারই কথা। তাছাড়া অনেকদিন বৃষ্টি না হওয়ায় এ সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে, তবে বৃষ্টি হলে এটা ঠিক হয়ে যাবে।সম্পাদনা:অনন্যা আফরিন

 

 

সর্বাধিক পঠিত