প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

একের পর এক মৃত্যুতে আতংক ছড়িয়ে পড়েছে সাংস্কৃতিক অঙ্গনে

ইমরুল শাহেদ: কবরীর পর চলে গেলেন ওয়াসিম। একইদিনে চলে গেলেন অভিনেতা ও নাট্যগুরু এসএম মহসিন। একের পর এক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে সাংস্কৃতিক অঙ্গনে মৃত্যুর-আতংক ছড়িয়ে পড়েছে। কিন্তু সংশ্লিষ্টদের আলোচনায় ঘুরে ফিরেই চলে আসছে ফারুকের নাম। তিনি বর্তমানে সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে আছেন। যে কোনো সময় সেখান ভালোমন্দ সংবাদ আসতে পারে।

আতংকে রয়েছেন শবনম, সুজাতাসহ আরো অভিনেত্রীরা। নাসিমা খান দীর্ঘদিন থেকেই সকলের দৃষ্টির আড়ালে রয়েছেন। বিশিষ্ট গীতিকার, প্রযোজক, চিত্রনাট্যকার ও পরিচালক গাজী মাজহারুল আনোয়ার বলতে গেলে মরতে মরতে বেঁচে গেছেন। কোভিড ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর ঘটনাবলি আতংক ছড়িয়ে দিয়েছে সমাজের সর্ব স্তরেই। পরিচালক এফআই মানিক বলেন, ‘আমি থাকি গুলশান নিকেতন এলাকায়। ইদানিং অই এলাকাতে অ্যাম্বুলেন্সের যাতায়াত বেড়ে গেছে। কি হচ্ছে কিছুই বুঝতে পারছি না।’ পরিচালক সমিতির সভাপতি ও পরিচালক সোহানুর রহমান সোহান বলেন, ‘একের পর এক মৃত্যুতে সত্যিই আমরা মানসিক শক্তি হারিয়ে ফেলছি।

কবরী এবং ওয়াসিমের মৃত্যু আমাদেরকে মর্মাহত করেছে। মহসিন ভাইয়ের মৃত্যুও আমাদের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি। আমরা নতুন শিল্পী আনলেই প্রশিক্ষণ দিয়ে প্রস্তুত করার জন্য মধু ভাই, সাদেক বাচ্চু বা মহসিন ভাইয়ের শরণাপন্ন হতাম। দুজন আগেই চলে গেছেন। এবার মহসিন ভাইও চলে গেলেন। জানিনা আমাদের কি হবে? কিভাবে আমরা নতুন শিল্পী তৈরি করব।’

সোহান বলেন, ‘আমরা থাকি বা না থাকি চলচ্চিত্র থাকবে। নতুনদের হাতে গড়ে উঠবে এই শিল্প। যুদ্ধ যেমন একটি দেশকে শেষ করে দিয়ে যায়। কোভিড মহামারিও আমাদের শিল্প অঙ্গনকে মৃতপ্রায় করে দিয়েছে।’ কোভিড আতংক শুরু হওয়ার পরই চলচ্চিত্রসহ গোটা সাংস্কৃতিক অঙ্গন স্থবির হয়ে পড়েছে। বেকার হয়ে পড়েছে এই অঙ্গন সংশ্লিষ্ট শিল্পী-কুশলীরা। মৃত্যু আতংক নিয়েই সকলে অপেক্ষমান কবে নাগাদ সব কিছু স্বাভাবিক হয়ে আসবে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত