প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

কমছে নমুনা পরীক্ষা, আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যা

নিউজ ডেস্ক: করোনার ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণ ও মৃত্যুর মধ্যে হঠাৎ করে নমুনা পরীক্ষা কমে গেছে। চলতি মাসে পরীক্ষা এক দিনে প্রায় ৩৫ হাজারে উঠেছিল। নমুনা পরীক্ষা বেশি হওয়ায় এক দিন শনাক্তও সাড়ে সাত হাজারের ওপরে চলে গিয়েছিল। পরপর কয়েকদিন সাত হাজারের ওপরে রোগী শনাক্ত হয়। কিন্তু ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণ ও মৃত্যুর মধ্যেই গত এক সপ্তাহ ধরে ধাপে ধাপে পরীক্ষা কমতে কমতে গত চব্বিশ ঘণ্টায় ১৬ হাজারে নেমেছে। নমুনা পরীক্ষা কমে যাওয়ায় রোগী শনাক্তও অর্ধেকে নেমেছে। তবে শনাক্তের হার কমেনি। গত চব্বিশ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ছিল ২১ দশমিক ৪৬ শতাংশ।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণের সময় বেশি বেশি নমনুা পরীক্ষার পরামর্শ দিয়েছেন। তাদের ভাষ্য, ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণের সময় নমুনা পরীক্ষা বেশি হওয়া প্রয়োজন। তাহলে সংক্রমিত ব্যক্তিকে আইসোলেশন করার পাশাপাশি কন্ট্রাক্ট ট্রেসিং করে তার সংস্পর্শে থাকা ব্যক্তিদের কোয়ারেন্টাইন করা সম্ভব। এতে সংক্রমণের বিস্তার রোধ করা সহজ হয়।

তবে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের পরামর্শের উল্টোপথে হাঁটছে স্বাস্থ্য বিভাগ। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, গত এক সপ্তাহে আগের সপ্তাহের তুলনায় নমুনা পরীক্ষা ১৯ দশমিক ৭৭ শতাংশ কম হয়েছে। এর ফলে শনাক্তও ২৫ দশমিক ৩৭ শতাংশ কমেছে। কিন্তু মৃত্যু বেড়েছে ৩৮ দশমিক ৮৪ শতাংশ।

নমুনা পরীক্ষা কমার কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা বলেন, আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বন্ধ থাকার কারণে বিদেশগামীদের নমুনা পরীক্ষার প্রয়োজন হচ্ছে না। বিদেশগামী প্রত্যেক যাত্রীর নমুনা পরীক্ষা বাধ্যতামূলক ছিল। কারণ, নমুনা পরীক্ষায় নেগেটিভ সনদ ছাড়া বিদেশে যাওয়া যায় না। কিন্তু লকডাউনে বিমান বন্ধ থাকায় ওই যাত্রীদের নমুনা পরীক্ষা করাতে হচ্ছে না। এছাড়া লকডাউনের কারণে লঞ্চ, বাস, ট্রেনসহ অন্যান্য পরিবহনও বন্ধ রয়েছে। এ কারণে লক্ষণ-উপসর্গ রয়েছে, এমন ব্যক্তিরাও গুরুতর অসুস্থ না হওয়া পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা করাচ্ছেন না। এতে নমুনা পরীক্ষা কমেছে।

নমুনা পরীক্ষা কমার পেছনে কিটের সংকট রয়েছে কি-না জানতে চাইলে তিনি বলেন, কোনো সংকট নেই। আরটিপিসিআর পরীক্ষার পাশাপাশি জিন এক্সপার্ট মেশিন ও অ্যান্টিজেনসহ ২৫৭টি ল্যাবের মাধ্যমে করোনার নমুনা পরীক্ষা করা হচ্ছে। মানুষ চাইলেই নমুনা পরীক্ষা করাতে পারছে। কিন্তু কেউ পরীক্ষাকেন্দ্রে না এলে বা পরীক্ষা না করাতে চাইলে স্বাস্থ্য বিভাগ খুঁজে খুঁজে বের করে পরীক্ষা করাতে পারে না। সবার প্রতি আহ্বান থাকবে, লক্ষণ-উপসর্গ দেখা দিলে নমুনা পরীক্ষা করুন। পজিটিভ শনাক্ত হলে পরিবারের অন্যদের থেকে আইসোলেশনে থাকুন। শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিন।

নমুনা পরীক্ষা কমলো যেভাবে :গত ২০ মার্চ ১৯ হাজার ৯০০টি নমুনা পরীক্ষা করে ১ হাজার ৮৬৮ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়। শনাক্তের হার ছিল ৯ দশমিক ৩৯ শতাংশ। মৃত্যু হয় ২৬ জনের। এক সপ্তাহ পর ২৭ মার্চ ২৪ হাজার ৬৬৪টি নমুনা পরীক্ষা করে ৩ হাজার ৬৭৪ জন শনাক্ত হয় এবং শনাক্তের হার ছিল ১৪ দশমিক ৯০ শতাংশ। মৃত্যু হয় ৩৯ জনের। করোনার সংক্রমণ বৃদ্ধির মধ্যেই হঠাৎ করে নমুনা পরীক্ষা বেড়ে যায়। গত ১ এপ্রিল ২৮ হাজার ১৯৮টি নমুনা পরীক্ষা করে ৬ হাজার ৪৬৯ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়। পর দিন ২ এপ্রিল নমুনা পরীক্ষা আরও বেড়ে ২৯ হাজার ৩৩৯টিতে পৌঁছায়। ওই দিন ৬ হাজার ৮৩০ জনের করোনা শনাক্ত হয়। ৬ এপ্রিল নমুনা পরীক্ষা বেড়ে ৩৪ হাজার ৩১১টিতে পৌঁছায়। ওই দিন ৭ হাজার ২১৩ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়। পর দিন ৭ এপ্রিল নমুনা পরীক্ষা বেড়ে ৩৪ হাজার ৬৩০টিতে পৌঁছায়। ওই দিন ৭ হাজার ৬২৬ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়। ৯ এপ্রিল ৩১ হাজার ৬৫৪টি নমুনা পরীক্ষা করে ৭ হাজার ৪৬২ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়। ১২ এপ্রিল ৩৪ হাজার ৯৬৮টি নমুনা পরীক্ষা করে ৭ হাজার ২০১ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়। এক দিনে এটিই সর্বোচ্চ সংখ্যক নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা।

এর পর থেকে প্রতিদিনই নমুনা পরীক্ষা কমতে থাকে। ১৩ এপ্রিল ৩২ হাজার ৯৫৫টি নমুনা পরীক্ষা করে ৬ হাজার ২৮ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়। ১৪ এপ্রিল ২৪ হাজার ৮২৫টি করে ৫ হাজার ৩৩৩ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়। ১৫ এপ্রিল ১৯ হাজার ৯৫৯টি নমুনা পরীক্ষা করে ৪ হাজার ১৯২ জন শনাক্ত হয়। শনাক্তের হার ২১ শতাংশ। মৃত্যু হয় ৯৪ জনের। ১৬ এপ্রিল ১৮ হাজার ৯০৬টি নমুনা পরীক্ষা করে ৪ হাজার ৪১৭ জনের শরীরে করোনার সংক্রমণ শনাক্ত হয়। শনাক্তের হার ২৩ দশমিক ৩৬ শতাংশ। মৃত্যু হয় ১০১ জনের। গতকাল শনিবার ১৭ এপ্রিল ১৬ হাজার ১৮৫টি নমুনা পরীক্ষা করে শনাক্ত হয় ৩ হাজার ৪৭৩ জন। শনাক্তের হার ২১ দশমিক ৪৬ শতাংশ। মৃত্যু হয় ১০১ জনের।

নমুনা পরীক্ষা কমলে শনাক্তও কমে :করোনা সংক্রমণের পর থেকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর নিয়মিত রোগতাত্ত্বিক পর্যালোচনা করে আসছে। প্রতি সপ্তাহের শনিবার এই রোগতাত্ত্বিক পর্যালোচনা প্রকাশ করা হয়। এক সপ্তাহে রোগটির ধরনে কী পরিবর্তন হলো তা এই পর্যালোচনা বেরিয়ে আসে। নমুনা পরীক্ষা, শনাক্তকরণ, সুস্থতা ও মৃত্যু- এই চারটি সূচকের ওপর ভিত্তি করে রোগতাত্ত্বিক পর্যালোচনা করা হয়। গত এক সপ্তাহের পর্যালোচনা গতকাল শনিবার প্রকাশ করা হয়েছে। আগের সপ্তাহের তুলনায় পরবর্তী সপ্তাহে রোগটির কোন সূচকে কী পরিবর্তন হয়েছে, তা এই পর্যালোচনা থেকে জানা যায়। এতে দেখা যায়, ১৪তম সপ্তাহের তুলনায় ১৫তম সপ্তাহে নমুনা পরীক্ষা ১৯ দশমিক ৭৭ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। এর ফলে শনাক্তও ২৫ দশমিক ৩৭ শতাংশ কমেছে। সুস্থতার সংখ্যা ৬১ দশমিক ২০ শতাংশ বেড়েছে। অন্যদিকে মৃত্যু বেড়েছে ৩৮ দশমিক ৮৪ শতাংশ।

গত ২০ মার্চের রোগতাত্ত্বিক পর্যালোচনা থেকে দেখা যায়, ১০তম সপ্তাহের তুলনায় ১১তম সপ্তাহে নমুনা পরীক্ষা ২০ দশমিক ৪৯ শতাংশ বৃদ্ধি পায়। এতে শনাক্ত ৯১ দশমিক ৪৯ শতাংশ বৃদ্ধি পায়। সুস্থতা ২৪ দশমিক ৭৪ শতাংশ এবং মৃত্যু ৮৫ দশমিক ৫৩ শতাংশ বৃদ্ধি পায়।

২৭ মার্চের রোগতাত্ত্বিক পর্যালোচনা থেকে দেখা যায়, ১১তম সপ্তাহের তুলনায় ১২তম সপ্তাহে নমুনা পরীক্ষা ২৭ দশমিক ৯৪ শতাংশ বৃদ্ধি পায়। শনাক্ত বৃদ্ধি পায় ৮৫ দশমিক ২৪ শতাংশ। সুস্থতা বাড়ে ২৬ দশমিক ৮৬ শতাংশ। মৃত্যু বাড়ে ৪২ দশমিক ৫৫ শতাংশ।

৩ এপ্রিলের রোগতাত্ত্বিক পর্যালোচনায় দেখা যায়, ১২তম সপ্তাহের তুলনায় ১৩তম সপ্তাহে নমুনা পরীক্ষা ৪ দশমিক ০৮ শতাংশ বৃদ্ধি পায়। শনাক্ত বাড়ে ৬৬ দশমিক ৫৪ শতাংশ। সুস্থতা বাড়ে ২০ দশমিক ০৬ শতাংশ। মৃত্যু বাড়ে ৭১ দশমিক ১৪ শতাংশ।

১০ এপ্রিলের পর্যালোচনা বলছে, ১৩তম সপ্তাহের তুলনায় ১৪তম সপ্তাহে নমুনা পরীক্ষা ১৮ দশমিক ৭৫ শতাংশ বৃদ্ধি পায়। শনাক্তও বৃদ্ধি পায় ২৬ দশমিক ৪৮ শতাংশ। সুস্থতা বাড়ে ৪২ দশমিক ৫৮ শতাংশ। মৃত্যু বৃদ্ধি পায় ৩০ দশমিক ২৩ শতাংশ।

করোনার সংক্রমণ পরিস্থিতি বিশ্নেষণ করে দেখা যায়, গত বছরের মার্চে দেশে করোনা রোগী শনাক্ত হয়। তবে শুরুর দিকে শনাক্তের হার কম ছিল। পরে গত বছরের মে মাসের মাঝামাঝি থেকে সংক্রমণ ও মৃত্যু বাড়তে থাকে। মে মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে আগস্টের তৃতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত রোগী শনাক্তের হার ২০ শতাংশের ওপরে ছিল। এরপর ধীরে ধীরে নতুন রোগী শনাক্তের হার কমতে থাকে। ১৮ জানুয়ারির পর থেকে সংক্রমণ ৫ শতাংশের নিচে ছিল। মাঝখানে সংক্রমণ তিন শতাংশের নিচেও নামে। গত ৯ এপ্রিল তা ২৩ দশমিক ৫৭ শতাংশে ওঠে। এটিই এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ শনাক্তের হার।

নমুনা পরীক্ষা বাড়ানোর পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের :বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও ভাইরোলজিস্ট অধ্যাপক ডা. নজরুল ইসলাম বলেন, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের মূলমন্ত্র, নমুনা পরীক্ষা করা। অর্থাৎ নমুনা পরীক্ষায় পজিটিভ ব্যক্তিকে আইসোলেশন করতে হবে। একই সঙ্গে তার সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করতে হবে। কিন্তু নমুনা পরীক্ষার সুযোগ সীমিত থাকলে কিংবা নমুনা পরীক্ষা না হলে আক্রান্ত ব্যক্তির মাধ্যমে পরিবারের সদস্য, প্রতিবেশীসহ অন্যদের মধ্যে রোগটি ছড়িয়ে পড়বে। লকডাউনের পর স্বাস্থ্য বিভাগের উচিত ছিল, নমুনা পরীক্ষায় গুরুত্ব দেওয়া। কিন্তু সেটি করা হয়নি।

তিনি আরও বলেন, পরিবহন ব্যবস্থা বন্ধ থাকায় অনেকে নির্ধারিত কেন্দ্রে আসতে না পারায় নমুনা পরীক্ষা করাতে পারছেন না। এজন্য স্বাস্থ্য বিভাগের পৃথক পরিকল্পনা নেওয়ার প্রয়োজন ছিল। রাজধানীর প্রত্যেকটি থানায় একটি করে নমুনা সংগ্রহ বুথ স্থাপন করে মাইকিং করে জনসাধারণকে উৎসাহিত করা যেত। সেটিও করা হয়নি। তাহলে লকডাউন দিয়ে কী লাভ হলো? পরীক্ষা কম হলে পরিসংখ্যানে আক্রান্ত কমলেও বাস্তবে তো উল্টোটা হবে।

বিএমএর সাবেক সভাপতি অধ্যাপক ডা. রশিদ-ই মাহবুব বলেন, করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে স্বাস্থ্য বিভাগের কোনো সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা আছে বলে মনে হয় না। পরিকল্পনা থাকলে নমুনা পরীক্ষা গুরুত্ব পেত। মানুষ কেন্দ্রে আসছে না- এটি কোনো অজুহাত হতে পারে না। পরিকল্পনা থাকলে লকডাউনে স্বাস্থ্য বিভাগ কর্তৃপক্ষ প্রত্যেকটি পাড়া-মহল্লায় নমুনা সংগ্রহ বুথ স্থাপন করতে পারত। নির্দিষ্ট এলাকার মানুষ ওই সব বুথে গিয়ে নমুনা দিতে আসত। এখন নমুনা পরীক্ষা কমে আসায় রোগী শনাক্ত কম হচ্ছে। আর সবাই মনে করছে করোনা কমে আসছে। কিন্তু বাস্তবে এটি ঠিক নয়। শনাক্তের হার এখন ২১ থেকে ২৩ শতাংশের মধ্যে। আর মৃত্যু বাড়ছে। এই মৃত্যু বৃদ্ধি প্রমাণ করে চিকিৎসা ব্যবস্থাপনাও ভালো নয়। চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা ভালো হলে মানুষের মৃত্যু কমিয়ে আনা সম্ভব হতো।

তবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, নমুনা পরীক্ষায় কিটের কোনো ঘাটতি নেই। প্রয়োজন থাকলে যে কেউ নমুনা পরীক্ষা করাতে পারে। সবার প্রতি আহ্বান থাকবে, লক্ষণ-উপসর্গ দেখা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নমুনা পরীক্ষা করিয়ে নিশ্চিত হোন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, করোনার চিকিৎসা সুবিধা সম্প্রসারণের জন্য সরকারিভাবে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মহাখালীর ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের হাসপাতালটি আজ চালু হচ্ছে। এই হাসপাতালে দেড় হাজারের মতো রোগী চিকিৎসা সুবিধা পাবে। এ ছাড়া রাজধানীর অন্য হাসপাতালগুলোতে শয্যা সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। কিন্তু মানুষ স্বাস্থ্যবিধি মেনে না চললে সংক্রমণ বাড়বেই। তখন হাসপাতালে শয্যা বাড়িয়েও রোগীর চাপ সামাল দেওয়া সম্ভব হবে না। – সমকাল

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত