প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] শত সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে বাংলাদেশের হিজাবী মডেল রথি আহমেদ এখন সোশ্যাল ইনফ্লুয়েন্সার

ইয়াসমিন আক্তার: [২] বর্তমান সময়ে সোশ্যাল মিডিয়াতে পরিচিত মুখ মডেল এবং ইনফ্লুয়েন্সার রথি আহমেদ মিকি। বাংলাদেশের হিজাবি মডেল হিসাবে তার বেশ সুনাম রয়েছে। এছাড়াও তিনি দেশের প্রথম টিকটকার- যিনি ওপো, ভিভো এবং দারাজসহ বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ইনফ্লুয়েন্সার হিসাবে কাজ করেছেন।

[৩] হিজাব পরে মডেলিংয়ের ক্ষেত্রে কোন বিড়ম্বনায় পড়তে হয় কিনা সে প্রসঙ্গে রথি বলেন, আমাকে যখন একটি বিজ্ঞাপনের জন্য চূড়ান্ত করা হলো তখন তারা আমাকে জানায়, ক্যামেরার সামনে আমাকে খোলা চুলে থাকতে হবে। হিজাব ছাড়াই নাকি আমাকে স্ক্রিনে ভালো দেখায়। তখন আমার মাথায় আসে, তাহলে কি যারা হিজাব পরে, তাদের দ্বারা কোনও কাজ সম্ভব না?

[৪] আমি মনে করি, আমি যেমন তেমনই থাকবো। আপনার কোয়ালিটি আর আত্মবিশ্বাস থাকলে আপনি আপনার অবস্থান থেকেই পছন্দের জায়গায় কাজ করতে পারবেন। আমি অনেকগুলো ব্র্যান্ডের সঙ্গে কাজ করেছি, সবগুলো হিজাব পরেই করেছি।

[৫] ইনফ্লুয়েন্সার হিসেবে নিজের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, আমি অনেক বছর ধরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ইনফ্লুয়েন্সার হিসেবে কাজ করছি। ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, টিকটকসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে আমি যখন কোনও ব্র্যান্ডের প্রমোশন করতাম, প্রতিটি জায়গায় নতুন নতুন বিষয় শিখতাম। কাজ করতে গিয়ে যা শিখেছি, সেগুলোর সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নিয়েছি।

[৬] তিনি আরও বলেন, আমার মনে হয়, বাংলাদেশে ইনফ্লুয়েন্সারদেরই ভবিষ্যৎ। যারা এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ইনফ্লুয়েন্সার, মানুষ তাদেরই অনুসরণ করে। আপনি কোনও ব্র্যান্ড চালু করলেও আপনার ইনফ্লুয়েন্সারদের সাহায্যের প্রয়োজন পড়বে। তিনি বলেন, আমরা যারা টিকটকে ইনফ্লুয়েন্সার আছি তারা মিউজিক কোম্পানিগুলোকে অনেক সাপোর্ট দিচ্ছি। টিকটকে যে গানটি ভাইরাল হয়, সেই গানটির ইউটিউব ভিউ অনেকাংশে বেড়ে যায়।

[৭] এত ব্যস্ততার মাঝেও রথি আহমেদ একজন ভ্রমণপিপাসু। তিনি বিভিন্ন জায়গায় ভ্রমণ করেন এবং সেই মুহূর্তগুলো ক্যামেরায়বন্দী করেন। ট্রাভেল ভিডিও বানানোর চ্যালেঞ্জ কতটা সে প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘একজন নারীর ট্রাভেল করতে হবে সেটা চিন্তা করাটাই তো অনেক বড় চ্যালেঞ্জ। কোথাও ট্রাভেল করার আগে পরিবারের অনুমতি নেওয়া, যেখানে যাবো সেই জায়গাটা কতটুকু নিরাপদ সেটা নিশ্চিত হওয়াসহ আরও অনেক বিষয় থাকে। সেগুলোকে মিলিয়ে একটা জায়গায় যাওয়া আসলেই চ্যালেঞ্জিং।

[৮] তিনি বলেন, আমার কাছে মনে হয়, একজন নারীর জন্য ট্রাভেল করার আগে তার সিকিউরিটি নিশ্চিত হওয়াটা জরুরি। কারণ, রাস্তায় কখন কোথায় কি হয়ে যায় সেটা বোঝা মুশকিল। তাই আগে থেকেই সতর্ক থাকতে হবে।

[৯] খুব ছোটবেলা থেকেই রথির ইচ্ছা ছিলো তার একটা রেস্টুরেন্ট, একটা ফ্যাশন হাউজ থাকবে। তবে এখন তার স্বপ্ন ফ্যাশন ক্লথিং নিয়ে। পাশাপাশি তিনি এখন যেসব বিষয় নিয়ে কাজ করছেন, সেগুলোও চালিয়ে যেতে চান। সম্পাদনা : রাশিদ

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত