প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

বাংলাদেশের মানুষের জন্য আল্লাহর রহমত করোনা শনাক্ত কমছে, মৃত্যুও কমবে শীঘ্রই

নাঈমুল ইসলাম খান: [১] বাংলাদেশে করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে সর্বোচ্চ শনাক্ত হয়েছে ৭ এপ্রিল ২০২১, ৭ হাজার ৬২৬ জন।

[২] সর্বোচ্চ শনাক্তের পরবর্তী সাতদিনে শনাক্ত কম-বেশি করে করে কমেছে। একবার অনেকটা কমে, তারপর একটু বাড়ে, আবার অনেকখানি কমে, এভাবে চলতে চলতে গত ১৫ ও ১৬ এপ্রিল শনাক্ত হয়েছে যথাক্রমে ৪ হাজার ১৯২ এবং ৪ হাজার ৪১৭।

[৩] উল্লেখ্য, দ্বিতীয় ঢেউয়ের শুরুর সময়ে, ২৮ মার্চ শনাক্ত হয়েছিলো ৩ হাজার ৯৩৮। সেখান থেকে লাফিয়ে লাফিয়ে দশম দিন ৭ এপ্রিল সর্বোচ্চ শনাক্ত হয় ৭ হাজার ৬২৬ জন ।

[৪] ৫ এপ্রিল প্রথম লকডাউন আরোপের পর পরই একদিনের ব্যবধানে ৭ এপ্রিল সর্বোচ্চ শনাক্ত ৭ হাজার ৬২৬ (এর দায় নিশ্চয়ই পূর্ববর্তী সময়ের)।

[৫] লকডাউন অনেকখানি শিথিলভাবে পালন হচ্ছে। তারপরও শনাক্তের হারে লক্ষ্য করা যাচ্ছে ধীরে ধীরে, হোঁচট খেয়ে খেয়ে, ক্রমহ্রাসমান শনাক্তের ধারা।

[৬] ১৪ এপ্রিল আরেকটু জোরদার লকডাউন প্রয়োগের পাশাপাশি দেখা যাচ্ছে শনাক্তের হার কমা অব্যাহত রয়েছে।

[৭] মৃত্যুসংখ্যা গত ১৫ এপ্রিল ছিলো ১০১, তথা বাংলাদেশে করোনার ইতিহাসে ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ সংখ্যা। তবে আশা করা যায় ক্রমহ্রাসমান রোগী শনাক্তের প্রেক্ষাপটে আগামি কয়েকদিনের মধ্যে মৃত্যু সংখ্যাও কমে আসতে পারে।

[৮] বাংলাদেশে দ্বিতীয় ঢেউয়ের পর আপাতত বৈশিষ্ট্যটি মনে হচ্ছে, দ্রুত সর্বোচ্চ শনাক্তে পৌঁছে, আবার দ্রুতই কমে আসা। কোনো প্ল্যাটু নেই।

[৯] উপরোক্ত পরিস্থিতিতে আশা করা যায়, যদি বাংলাদেশের নাগরিক সমাজকে স্বাস্থ্যবিধি মানতে উৎসাহ দেওয়া যায় এবং চলমান লকডাউনকে যদি সর্বোচ্চ ২ সপ্তাহ সত্যিকার কার্যকরী রাখা যায় তাহলে দ্বিতীয় ঢেউ দ্রুতই পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসার সম্ভাবনা রয়েছে।

[১০] সকলেই যদি জরুরি প্রয়োজন ছাড়া জনসমাগম এড়িয়ে চলেন, মাস্ক পড়েন, যেকোনো মানুষের সাথে জনসম্মুখে কমপক্ষে ৩ ফিট শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখেন, নিয়মিত হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করেন বা হাত ধোয়ার চর্চা রাখেন তাহলে বাংলাদেশে করোনার দ্বিতীয় ঢেউকে পরাভূত করা সম্ভব দ্রুতই, ইনশাল্লাহ।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত