প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] করোনা সংক্রমণ দ্রুত ফুসফুসে ছড়িয়ে পড়ার কারণেই রোগীরা সংকটাপন্ন হচ্ছেন বেশি: ডা. আবু রায়হান

শাহীন খন্দকার : [২] রাজধানীর শ্যামলী ২৫০ শয্যা যক্ষা হাসপাতালের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক ও প্রকল্প পরিচালক ডা. আবু রায়হান আরো বলেন, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ৯ দিনেই মারা গেছে ৭১৯ জন, যার মধ্যে ৬৯৩ জনই মারা গেছে হাসপাতালে। প্রথম থেকে গুরুত্ব দিলে গুরুতর অবস্থায় যাওয়ার আগেই তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা শুরু হতো। তাহলে এ অবস্থা হতো না।

[৩] ডা. আবু রায়হান বলেন, আফ্রিকার ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্তদের ফুসফুস সংক্রমণ খুব দ্রুত তা ড্যামেজ হচ্ছে। ফুসফুস ফুটবলের মতো হয়ে যায়। আমাদের এখানে যত রোগী আসছে প্রায় সবার একই অবস্থা। অনেকে আবার দ্রুত লাইফ সাপোর্ট সুবিধা নিতে রাজী হয়না। অর্থাৎ শুরুতেই ফুসফুসের অবস্থা খারাপ হয়ে হাসপাতালে আসার পর চিকিৎসার ক্ষেত্রে আবার রোগীর দিক থেকে নানা সিদ্ধান্তহীনতাও জটিলতা সৃস্টি করছে।

[৪] তিনি বলেন, গত জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারিতে যারা সংক্রমিত হয়েছেন তারা মনেই করেননি যে এটা করোনা। তারা ইনফ্লুয়েঞ্জা ভেবে চুপ ছিলেন। তবে এবার দ্বিতীয় দফার সংক্রমণে ঢাকার বাইরেও সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার তথ্য আসছে। সে অনুপাতে চিকিৎসা সুবিধা অপ্রতুল হওয়ায় জেলা ও উপজেলায় চিকিৎসা নিয়েও অবস্থা ভালো না হওয়ায় অনেকে ঢাকায় আসছেন।

[৫] এদিকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসেবে, করোনায় আক্রান্ত হয়ে বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত ১০ হাজার ৮১ জনের মৃত্যু হয়েছে। তবে এক সপ্তাহে বেশ কয়েকবার মৃত্যুর রেকর্ড ভেঙ্গেছে। সর্বশেষ বুধবার ৯৬ জন ,বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত মারা গেছে ৯৪ জন।

[৬] তিনি বলেন, দ্বিতীয় ঢেউ শুরুর আগে দু’মাস মানুষ গুরুত্ব দেয়নি তেমনি কর্তৃপক্ষের দিক থেকেও সেকেন্ড ওয়েভ বা দ্বিতীয় ঢেউয়ের যথাযথ প্রস্তুতি নেয়া হয়নি। গতবার ধীরে ধীরে সংক্রমণ বাড়ছিলো। রোগটিতো চলে যায়নি। একটু কমে গিয়েছিলো। রোগটা মাথাচাড়া দেওয়ার অন্যতম কারণ অসচেতনতাকেই দায়ি করলেন তিনি। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললে এতোটা আক্রান্ত হতো না।

[৭] স্বাস্থ্য বিভাগের পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে গত ৭এপ্রিল যে ৬৩ জন ও ১০ এপ্রিল ৭৭ জন মারা গেছে তাদের সবাই হাসপাতালেই মারা গেছে। ১৫ এপ্রিল মারা যাওয়া ৯৪ জনের মধ্যে ৯০ জন হাসপাতালে ৪ জন বাসায় মারা গেছেস। বুধবার মারা যাওয়া ৯৬ জনের মধ্যে ৯৪ জনই হাসপাতালে মারা গেছে। সম্পদনা: রাশিদ

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত