শিরোনাম
◈ দেশের স্বার্থ রক্ষাই আমাদের দায়িত্ব, চীন-মালয়েশিয়া সফরের সব অর্জন জনগণের: সংসদে প্রধানমন্ত্রী ◈ বিদেশি নাগরিকদের জরুরি সতর্কবার্তা দিলো মার্কিন দূতাবাস ◈ আমরা সবাই চাই, আমাদের রিলেশন হবে মিউচুয়াল রেসপেক্ট এবং ইকুইটির ভিত্তিতে: মির্জা ফখরুল ◈ জাতীয় পরিচয়পত্র ১৫ বছর পূর্ণ হলেই নবায়ন বাধ্যতামূলক করতে ভাবছে নির্বাচন কমিশন! (ভিডিও) ◈ ক্রীড়াবিদদের সুযোগ দিলে বিশ্বে বাংলাদেশের মর্যাদা আরও বাড়বে: সেনাপ্রধান ◈ হরমুজ প্রণালী‌তেকার্গো জাহাজে ইরানের হামলার পর পাল্টা হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ◈ ধর্মীয় কার‌ণে মুসলিম ফুটবলারদের জন্য বিশ্বকা‌পে ম্যাচ সেরার আলাদা পুরস্কার   ◈ রাজধানীজুড়ে কালিমাখচিত সাদা পতাকা, কারা লাগাচ্ছে জানে না পুলিশ, উদ্দেশ্য নিয়ে তদন্তে প্রশাসন ◈ লিও‌নেল মে‌সি ইতিহাসের সেরা: নেদারল‌্যান্ডস তারকা ডি ইয়ং ◈ ক্ষুধার সমস্যা সমাধানে আমেরিকার নিজেরই সাহায্যের প্রয়োজন: ইরান পররাস্ট্র মন্ত্রণালয়

প্রকাশিত : ১৬ এপ্রিল, ২০২১, ০৪:৫৬ সকাল
আপডেট : ১৬ এপ্রিল, ২০২১, ০৪:৫৬ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

করোনার ছাপ পড়েছে কুমার পল্লীগুলোতে

ডেস্ক রিপোর্ট : নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলায় রয়েছে হাতে গোনা কয়েকটি কুমার পরিবার। করোনার ছাপ পড়েছে তাদের পলস্নীগুলোতে। সেখানে গিয়ে দেখা গেছে সুনসান নীরবতা। একদিকে মহামারি করোনা, অন্যদিকে লকডাউন। মাটির তৈজসপত্র বিক্রি শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে। সংসার চালাতে গিয়ে ওই পরিবারগুলোর কপালে পড়েছে ভাঁজ।

বাড়ির উঠানে খোলা আকাশের নিচে মাটির হাঁড়ি পাতিল নিয়ে দোকানে বসে আছেন ষাটোর্ধ্ব শ্রীমতি রজলী পাল। তার দোকানে বিক্রির জন্য সাজিয়ে রাখা হয়েছে মাটির থালা, প্রদীপ, ভাপা পিঠার খুলিসহ অনেক কিছু।

বিক্রির জন্য সাজিয়ে রাখা মাটির ব্যাংক আকার ভেদে দাম ১০ থেকে ৬০ টাকা, পাতিল ২০ থেকে ৪০ টাকা, গরুর খাবারের জন্য চারি ৩০ থেকে ৬০ টাকা, পানি রাখার কলস ৪০ টাকা, কবুতরের ঘর ১৫ টাকা, পাতিলের ঢাকনা ১০ থেকে ৩০ টাকা, মাটির ফুলদানি ২০ থেকে ৫০০ টাকা, ছোট বাচ্চাদের খেলনা প্রতি পিস ১০ টাকা, মাটির থালা ৪০ থেকে ১৫০ টাকা, মগ ২০ থেকে ৮০ টাকা, ফুলের টব ২০ থেকে ১০০ টাকা, বাটনা ৩০ থেকে ৫০ টাকা, সাত পিঠার বাটি ৪০ টাকা, পানের বাটা ৩০ টাকা ও মাটির প্রদীপ ২০ টাকা।

তবে মাটির দুষ্প্রাপ্যতার সাথে শ্রমিকের মূল্য বৃদ্ধির কারণে মাটির তৈজসপত্র বিক্রি করে খুব একটা লাভের মুখ দেখছেন না মৃৎশিল্পীরা। তাদের অভিযোগ সরকারের অর্থনৈতিক সহযোগিতা না পেলে এ শিল্প টিকিয়ে রাখা সম্ভব হবে না।

মৃৎশিল্পের জাদুকর রামায়ণ প্রসাদ পাল বলেন, 'আমি এখন আমার বংশের হাল ধরে আছি। মৃৎশিল্পকে টিকিয়ে রাখার জন্য ছেলেদের কাজ করতে বললেই বলে, মৃৎশিল্প দিয়ে সংসার চলবে না। প্রয়োজনে মাঠে কাজ করব, ভ্যান রিকশা চালাব তবে দ্বিতীয় ছেলে সন্তোষ কুমার পাল আমার চৌদ্দ পুরুষের হাল ধরে আছে।'

অক্ষেপ করে রজলী পাল বলেন, 'শুধু বৈশাখ নববর্ষ এলেই সাহেব বাবুদের আমাদের কথা মনে পড়ে। বিশেষ করে পান্তা-ইলিশে আমাদের মাটির থালা দরকার হয়। তারপর কেউ মনে রাখে না। সরকার আমাদের দিকে নজর না দিলে না খেয়ে মরতে হবে।' যায়যায়দিন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়