শিরোনাম
◈ শহীদ জিয়ার সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা,ঢাকা ১৬ টি স্থানে বস্ত্র বিতরনে অংশ নিবেন ◈ ট্রাম্পের গলফ প্রকল্পে ভাঙছে কবরস্থান, জমি ছাড়তে নারাজ কৃষকেরা, ক্ষোভে ফুঁসছে ভিয়েতনামের গ্রামবাসী ◈ ট্রাম্পের দেওয়া যে ২ শর্তে ঝুলে আছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তিচুক্তি ◈ ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে ধ্বংস হয়েছে ৬ হাজার ৪৭৩টি ইসরায়েলি বাড়ি: জেরুজালেম পোস্ট ◈ আজ রা‌তে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনালে আর্সেনাল ও পিএস‌জি মু‌খোমু‌খি ◈ বর্ষায় গো-খাদ্যের ভরসা যমুনার চর, ঘাসের হাটে মিলছে কৃষকের স্বস্তি ◈ পথ দেখাচ্ছে বাংলাদেশের নতুন প্রজন্মের তরুণীরা : প্যারিসে অধ্যাপক ইউনূস ◈ বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের ভূমিকার প্রশংসা জাতিসংঘের ◈ বিশ্বকা‌পের গ্রুপ প‌র্বে বেলজিয়ামের সামনে মিশর-ইরান ও নিউজিল্যান্ড চ্যালেঞ্জ ◈ জু‌নের শুরু‌তে বিশ্বকাপ : যুদ্ধ আবহে এখনও ইরানি ফুটবলারদের ভিসা দেয়নি আমেরিকা

প্রকাশিত : ১৬ এপ্রিল, ২০২১, ০৪:৫৬ সকাল
আপডেট : ১৬ এপ্রিল, ২০২১, ০৪:৫৬ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

করোনার ছাপ পড়েছে কুমার পল্লীগুলোতে

ডেস্ক রিপোর্ট : নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলায় রয়েছে হাতে গোনা কয়েকটি কুমার পরিবার। করোনার ছাপ পড়েছে তাদের পলস্নীগুলোতে। সেখানে গিয়ে দেখা গেছে সুনসান নীরবতা। একদিকে মহামারি করোনা, অন্যদিকে লকডাউন। মাটির তৈজসপত্র বিক্রি শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে। সংসার চালাতে গিয়ে ওই পরিবারগুলোর কপালে পড়েছে ভাঁজ।

বাড়ির উঠানে খোলা আকাশের নিচে মাটির হাঁড়ি পাতিল নিয়ে দোকানে বসে আছেন ষাটোর্ধ্ব শ্রীমতি রজলী পাল। তার দোকানে বিক্রির জন্য সাজিয়ে রাখা হয়েছে মাটির থালা, প্রদীপ, ভাপা পিঠার খুলিসহ অনেক কিছু।

বিক্রির জন্য সাজিয়ে রাখা মাটির ব্যাংক আকার ভেদে দাম ১০ থেকে ৬০ টাকা, পাতিল ২০ থেকে ৪০ টাকা, গরুর খাবারের জন্য চারি ৩০ থেকে ৬০ টাকা, পানি রাখার কলস ৪০ টাকা, কবুতরের ঘর ১৫ টাকা, পাতিলের ঢাকনা ১০ থেকে ৩০ টাকা, মাটির ফুলদানি ২০ থেকে ৫০০ টাকা, ছোট বাচ্চাদের খেলনা প্রতি পিস ১০ টাকা, মাটির থালা ৪০ থেকে ১৫০ টাকা, মগ ২০ থেকে ৮০ টাকা, ফুলের টব ২০ থেকে ১০০ টাকা, বাটনা ৩০ থেকে ৫০ টাকা, সাত পিঠার বাটি ৪০ টাকা, পানের বাটা ৩০ টাকা ও মাটির প্রদীপ ২০ টাকা।

তবে মাটির দুষ্প্রাপ্যতার সাথে শ্রমিকের মূল্য বৃদ্ধির কারণে মাটির তৈজসপত্র বিক্রি করে খুব একটা লাভের মুখ দেখছেন না মৃৎশিল্পীরা। তাদের অভিযোগ সরকারের অর্থনৈতিক সহযোগিতা না পেলে এ শিল্প টিকিয়ে রাখা সম্ভব হবে না।

মৃৎশিল্পের জাদুকর রামায়ণ প্রসাদ পাল বলেন, 'আমি এখন আমার বংশের হাল ধরে আছি। মৃৎশিল্পকে টিকিয়ে রাখার জন্য ছেলেদের কাজ করতে বললেই বলে, মৃৎশিল্প দিয়ে সংসার চলবে না। প্রয়োজনে মাঠে কাজ করব, ভ্যান রিকশা চালাব তবে দ্বিতীয় ছেলে সন্তোষ কুমার পাল আমার চৌদ্দ পুরুষের হাল ধরে আছে।'

অক্ষেপ করে রজলী পাল বলেন, 'শুধু বৈশাখ নববর্ষ এলেই সাহেব বাবুদের আমাদের কথা মনে পড়ে। বিশেষ করে পান্তা-ইলিশে আমাদের মাটির থালা দরকার হয়। তারপর কেউ মনে রাখে না। সরকার আমাদের দিকে নজর না দিলে না খেয়ে মরতে হবে।' যায়যায়দিন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়