শিরোনাম
◈ লাগেজ চুরি ঠেকাতে লাইভ নজরদারি, কতটা স্বস্তিতে যাত্রীরা? ◈ এশিয়া কাপের জন‌্য অনূর্ধ্ব-১৯ স্কোয়াড ঘোষণা করলো বি‌সি‌বি ◈ চারদিনেই ও‌য়েস্ট ইন্ডি‌জের কা‌ছে টেস্ট হারলো বাংলাদেশ ◈ মাজার বস্তিতে যাওয়ার আগে ২৭ অক্টোবর রাতে উত্তরার নেস্ট বারে দেড় ঘণ্টা ছিলেন নারীসহ তাহফিস সাউরি(ভিডিও) ◈ তাহসিফ হত্যা মামলায় ৪ দিনের রিমান্ডে দীপ, বললেন ‘আমি ফুললি স্ট্রং’ ◈ ১১ দলের লংমার্চে যাননি নাহিদ, জামায়াতের সঙ্গে দূরত্ব বাড়ছে এনসিপির? ◈ ঢাকা মহানগর পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত কমিশনার হারুন অর রশিদসহ ৭ কর্মকর্তা বরখাস্ত, বাধ্যতামূলক অবসরে ১ ◈ মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের মেডিকেল ফি ৮ হাজার টাকার বেশি নয়, অতিরিক্ত নিলেই কঠোর ব্যবস্থা ◈ ৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরির দাবিতে মিরপুরে ফের সড়ক অবরোধ, ভোগান্তিতে যাত্রীরা ◈ ঢাকায় সাফ ফুটব‌লে অংশ নি‌তে দ্বিতীয় সারির দল ঘোষণা কর‌লো ভারত

প্রকাশিত : ১৬ এপ্রিল, ২০২১, ০৪:৫৬ সকাল
আপডেট : ১৬ এপ্রিল, ২০২১, ০৪:৫৬ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

করোনার ছাপ পড়েছে কুমার পল্লীগুলোতে

ডেস্ক রিপোর্ট : নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলায় রয়েছে হাতে গোনা কয়েকটি কুমার পরিবার। করোনার ছাপ পড়েছে তাদের পলস্নীগুলোতে। সেখানে গিয়ে দেখা গেছে সুনসান নীরবতা। একদিকে মহামারি করোনা, অন্যদিকে লকডাউন। মাটির তৈজসপত্র বিক্রি শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে। সংসার চালাতে গিয়ে ওই পরিবারগুলোর কপালে পড়েছে ভাঁজ।

বাড়ির উঠানে খোলা আকাশের নিচে মাটির হাঁড়ি পাতিল নিয়ে দোকানে বসে আছেন ষাটোর্ধ্ব শ্রীমতি রজলী পাল। তার দোকানে বিক্রির জন্য সাজিয়ে রাখা হয়েছে মাটির থালা, প্রদীপ, ভাপা পিঠার খুলিসহ অনেক কিছু।

বিক্রির জন্য সাজিয়ে রাখা মাটির ব্যাংক আকার ভেদে দাম ১০ থেকে ৬০ টাকা, পাতিল ২০ থেকে ৪০ টাকা, গরুর খাবারের জন্য চারি ৩০ থেকে ৬০ টাকা, পানি রাখার কলস ৪০ টাকা, কবুতরের ঘর ১৫ টাকা, পাতিলের ঢাকনা ১০ থেকে ৩০ টাকা, মাটির ফুলদানি ২০ থেকে ৫০০ টাকা, ছোট বাচ্চাদের খেলনা প্রতি পিস ১০ টাকা, মাটির থালা ৪০ থেকে ১৫০ টাকা, মগ ২০ থেকে ৮০ টাকা, ফুলের টব ২০ থেকে ১০০ টাকা, বাটনা ৩০ থেকে ৫০ টাকা, সাত পিঠার বাটি ৪০ টাকা, পানের বাটা ৩০ টাকা ও মাটির প্রদীপ ২০ টাকা।

তবে মাটির দুষ্প্রাপ্যতার সাথে শ্রমিকের মূল্য বৃদ্ধির কারণে মাটির তৈজসপত্র বিক্রি করে খুব একটা লাভের মুখ দেখছেন না মৃৎশিল্পীরা। তাদের অভিযোগ সরকারের অর্থনৈতিক সহযোগিতা না পেলে এ শিল্প টিকিয়ে রাখা সম্ভব হবে না।

মৃৎশিল্পের জাদুকর রামায়ণ প্রসাদ পাল বলেন, 'আমি এখন আমার বংশের হাল ধরে আছি। মৃৎশিল্পকে টিকিয়ে রাখার জন্য ছেলেদের কাজ করতে বললেই বলে, মৃৎশিল্প দিয়ে সংসার চলবে না। প্রয়োজনে মাঠে কাজ করব, ভ্যান রিকশা চালাব তবে দ্বিতীয় ছেলে সন্তোষ কুমার পাল আমার চৌদ্দ পুরুষের হাল ধরে আছে।'

অক্ষেপ করে রজলী পাল বলেন, 'শুধু বৈশাখ নববর্ষ এলেই সাহেব বাবুদের আমাদের কথা মনে পড়ে। বিশেষ করে পান্তা-ইলিশে আমাদের মাটির থালা দরকার হয়। তারপর কেউ মনে রাখে না। সরকার আমাদের দিকে নজর না দিলে না খেয়ে মরতে হবে।' যায়যায়দিন

  • সর্বশেষ