প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] যে পাঁচ আপরাধে ৮ বছর নিষিদ্ধ হলেন হিথ স্ট্রিক

স্পোর্টস ডেস্ক : [২] আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল আইসিসির কোড অব কন্ডাক্টের বেশ কয়েকটি ধারা ভেঙে ৮ বছরের নিষেধাজ্ঞা পেয়েছেন জিম্বাবুয়ের কিংবদন্তি সাবেক পেসার হিথ স্ট্রিক। তার নিষেধাজ্ঞার খবর অপ্রত্যাশিত ও অভাবনীয় হয়ে ঠেকেছে ক্রিকেট বিশ্বের কাছে।

[৩] বাংলাদেশের সাবেক এই কোচ জিম্বাবুয়ের কোচিং প্যানেলে থাকাকালে দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন। দলের তথ্য জু’য়াড়িদের কাছে ফাঁস করে করেন ঘৃণ্য অপরাধ। স্ট্রিকের বিরুদ্ধে যখন তদন্ত হচ্ছিল, তখন তিনি নানাভাবে নিজেকে নির্দোষ প্রমাণের চেষ্টা করে গেছেন। এতে তার বিরুদ্ধে অভিযোগও আরও বেড়েছে।

[৪] ৪৭ বছর বয়সী এই ক্রিকেট ব্যক্তিত্ব অবশ্য শাস্তির হাত থেকে বাঁচতে পারেননি। শেষপর্যন্ত সব স্বীকারও করে নিয়েছেন। স্ট্রিক মূলত পাঁচটি অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছেন আইসিসির দুর্নীতি দমন বিভাগের কাছে। এগুলো হল : –

১। ২.৩.২ নম্বর ধারা: আইসিসির আইন বা বিভিন্ন ঘরোয়া টুর্নামেন্টের আইন ভঙ্গ করে দলের তথ্যাদি পাচার করেছেন জুয়াড়িদের কাছে। স্ট্রিকের ফাঁস করা তথ্যগুলো এমন ছিল যার মাধ্যমে জুয়াড়িরা ফায়দা লুটতে পারে, অর্থাৎ জু’য়ার কাজে ব্যবহৃত হতে পারে।

২। ২.৩.৩ নম্বর ধারা: সরাসরি অথবা পরোক্ষভাবে, ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃতভাবে তার অধীনস্থ দলের কোনো সদস্যকে আইন ভঙ্গে প্ররোচিত করেছেন। এমনকি জাতীয় দলের এক অধিনায়ককেও তিনি তথ্য সরবরাহের জন্য প্ররোচনা দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ আইসিসির।

৩। ২.৪.২ নম্বর ধারা: জুয়াড়িদের সহায়তা করার ফলে যেসব সুবিধা, উপহার, উপঢৌকন প্রভৃতি গ্রহণ করেছেন, তা যে অবৈধ বা অনৈতিক নয় কিংবা জুয়াড়িদের দেওয়া নয় নিজের দাবির পক্ষে সেই প্রমাণ দিতে পারেননি।

৪। ২.৪.৪ নম্বর ধারা: জুয়াড়িদের তথ্য সরবরাহ করেছেন ঠিকই, কিন্তু আকসুর চাহিদা অনুযায়ী দুর্নীতির প্রস্তাব সম্পর্কিত তথ্য সরবরাহ করেননি। তথ্য লুকানোর চেষ্টায়ও অভিযুক্ত হয়েছেন।

৫। ২.৪.৭ নম্বর ধারা: তদন্তের কাজে অসহযোগিতা করেছেন, বাধা সৃষ্টির চেষ্টা করেছেন। তদন্তের প্রমাণাদি নষ্ট করেছেন। আকসুর চোখে এটিও গুরুতর অপরাধ। – আইসিসি

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত