শিরোনাম
◈ ৬৪৬ কোটি টাকার প্রকল্পে অগ্রগতি মাত্র ১৬ শতাংশ, দুই বছরেও শুরু হয়নি সিলেটের দুই গ্যাসকূপ খনন ◈ বাংলাদেশে ভ্যাকসিন উৎপাদন কারখানা স্থাপনে জাপানের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ টঙ্গীতে শিশু নির্যাতন: দেশ ছাড়ার কথা জানালেন শিশুটির বাবা রুমি ◈ স্পেনের বাজারে রপ্তানি বাড়াতে বাংলাদেশি পণ্যের বহুমুখীকরণে জোর ◈ ট্রাম্পের অভিবাসন নীতিতে ৫ বড় পরিবর্তন, সীমান্ত বন্ধ ও গণবহিষ্কারে জোর ◈ মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তন করে গেজেট প্রকাশ ◈ বাংলাদেশে হামের পর ডিফথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিওর ঝুঁকি, টিকাদান ব্যবস্থার দুর্বলতা নিয়ে সতর্কতা ◈ পাখিরা আসছে, ইচ্ছেমতো খাচ্ছে, দোকানদার বলছেন—‘খাক, ঈশ্বর আমাকে অনেক দিয়েছেন’ (ভিডিও) ◈ আইজিপির বক্তব্যে ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর ◈ ইউরোপজুড়ে রাজপথে জেন-জি, কেন বাড়ছে তরুণদের ক্ষোভ?

প্রকাশিত : ১৫ এপ্রিল, ২০২১, ১০:৩৪ দুপুর
আপডেট : ১৫ এপ্রিল, ২০২১, ১০:৩৪ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] সূর্যমুখীতে স্বপ্ন বুনছেন ওরা

মনিরুজ্জামান:[২] ভোলার বোরহান উদ্দিনে জনপ্র্রিয় হয়ে উঠছে সূর্যমুখী ফুলের চাষ। এ কাজে আর্থিকভাবে লাভবান ও সফল হওয়ার স্বপ্নে বিভোর অনেকে।একজনের দেখাদেখি আরেকজন চাষ করছে।যার কারনে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে সূর্যমুখী চাষ।

[৩] বোরহানউদ্দিন উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি বছর উপজেলার কুতুবা ইউনিয়নের লক্ষীপুর,মানিকা ইউনিয়নের বড় মানিকা,ছোট মানিকা গ্রাম,দেউলা ও গংগাপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন ব্লকে ৪৫ হেক্টর জমিতে সূর্যমুখী চাষ করা হয়।যদিও লক্ষ্যমাত্র ছিল ১৫ হেক্টর। এখানকার কৃষকরা হাইসান-৩৩ ও হাইব্রিড রবি জাতের সূর্যমুখী ফুলের চাষ করেছেন। কৃষি বিভাগ আরও জানায়, হেক্টর প্রতিফলন ১.৬-১.৮ টন।প্রতি কেজি সূর্যমুখী ফুল থেকে শতকরা ৪২-৪৪ ভাগ তৈল হয়।

[৪] সরজমিনে কুতুবা ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের পন্ডিত বাড়ির রাস্তার পাশে সূর্যমুখীর ফুলবাগানে গিয়ে অপরুপ নয়াভিরাম দৃশ্য দেখা যায়।সবুজের মাঝে হলুদের সমারোহ। ফুলে ফুলে উড়ছে মৌমাছি । কথা হয় চাষি মো: শাহজাহানের সাথে।তিনি জানান,”২০ শতাংশ জমিতে সূর্যমুখী চাষ করেন। প্রথমে বীজের সংকটে পরেন। পরে জেলা সদর থেকে সংগ্রহ করেন।মূলত সখ থেকে এ কাজ।গাছে ফুল ধরেছে।প্রতিদিনই বিভিন্ন এলাকার লোকজন ফুল দেখতে ভিড় করছেন।খরচ হয়েছে মাত্র ৭ হাজার টাকা।

[৫] লক্ষীপুর গ্রামের সূর্যমুখী ফুল চাষি অহিদ সর্দার জানান, “ এবছর ৩২ শতাংশ জমিতে হাইসান-৩৩ জাতের সূর্যমুখী ফুলের চাষ করেছেন।উপকরণ কৃষি বিভাগ দিয়েছে। ৫ মন ফলনের আশাবাদ করেন।প্রতি মনে ২০কেজি তেল পাওয়া যায়।যার বাজার মূল্য নূন্যতম ৩৫০ টাকা। প্রতিটি গাছে ফুল ধরেছে। সূর্যমুখী চাষে এবার সফলতা ও লাভের আশা করছেন তিনি”।বড় মানিকা ইউনিয়নের দক্ষিণ বাটামারা গ্রামে নুর হোসেন জানান,তিনি ৩৩ শতাংশ জমিতে সূর্যমুখী চাষ করেছেন।ফলন ভালো।

[৬] চাষি কালূ মিয়া,মালেক,মোতাহার জানান,কৃষি বিভাগের পরামর্শে তারা সূর্যমুখী ফুলের চাষ করেছেন। কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে বিনামূল্যে বীজ ও সার দিয়েছে। বাগানে ফুল আসার পর প্রতিদিনই লোকজন আসছে । বিকাল বেলা মোটরসাইকেল দিয়ে পুরুষ-মহিলা এসে ফটো তুলেন।তারা বলেন, সূর্যমুখী চাষ করে বাণিজ্যিকভাবে লাভবান হওয়া সহজ।

[৭] বোরহানউদ্দিন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো: ওমর ফারুক জানান,তেল ফসলের ঘাটতি দূরীকরণে এবং তেল আমদানি নির্ভরতা কমানোর জন্য সূর্যমুখী চাষের কোন বিকল্প নাই।এটা খুব লাভজনক বিধায় আগামীতে আর ওবেশি জমিতে সূর্যমুখীর চাষ হবে।সম্পাদনা:অনন্যা আফরিন

 

  • সর্বশেষ