প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] শেরপুরে কল্যানী হাটে দূর্ঘনটার ঝুকি নিয়ে ক্রেতা বিক্রেতার সমাগম

আবু জাহের: [২] বগুড়ার শেরপুরের ঐতিহ্যবাহী কল্যানী হাটের ঘরগুলোর বর্তমান বেহাল অবস্থা। যে কোন সময় ঘরের খুঁটি ভেঙ্গে দুর্ঘটনা ঘটতেপারে এমন আশংকা নিয়েই বসছে হাট আসছে এ হাটে আসে ক্রেতা বিক্রেতারা। বেহাল এই ঘরগুলো সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। এছাড়াও ইজারা কম হওয়ায় সরকার এ হাটের সংস্কারের উদ্যোগ নেই বলে মন্তব্য করেছেন ক্রেতা বিক্রেতারা।

[৩] সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, শেরপুর উপজেলার সুঘাট ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী কল্যানী হাট একসময় জাকজমক ছিল। এ হাটে দোকান বসানোর জন্য প্রায় ৬৫ বছর আগে সিমেন্টের খুঁটি, বাঁশ ও কাঠ দিয়ে টিনের দোচালা তিনটি ঘর নির্মাণ করা হয়েছিল। বর্তমানে হাটের ঘরগুলোর বেহাল অবস্থা। কিছুদিন হয়েছে একটি ঘর অনেকদিন আগেই ভেঙ্গে পড়েছে। যে দুইটি ঘর অবশিষ্ট আছে সেগুলোর খুঁটি, কাঠের রুয়া ও পাইর ভেঙ্গে গেছে।

[৪] অনেকটাই হেলে পড়েছে ঘর দুটি। সামনে কাল বৈশাখী ঝড়ে এ ঘরগুলো দাড়িয়ে থাকবে কিনা এ নিয়ে শংকায় রয়েছে হাটের দোকানীরা। এতে করে যে কোন সময় দুর্ঘনার কবলে পড়তে পারে হাটে আসা ক্রেতা বিক্রেতারা।এ ব্যাপারে জুয়েল নামের এক ক্রেতা বলেন, প্রত্যেক শুক্রবার, রবিবার ও মঙ্গলবার কল্যানী হাট বসে।

[৫] আমরা প্রত্যেক হাটেই সাংসারিক জিনিসপত্র কিনতে আসি। হাটের ঘরের যে অবস্থা তাতে যেকোন সময় আমরা দুর্ঘটনার স্বীকার হতে পারি।এ প্রসঙ্গে হাটের ইজারাদার মো. ফজলুল হক বলেন, আমি প্রায় ২৯ হাজার টাকা দিয়ে এ হাট ইজারা নিয়েছি। ইজারা নেয়ার আগে উপজেলা নিবাহি অফিসারের সাথে ঘর সংস্কারের বিষয়ে কথা বলেছিলাম। কিন্তু এখনো সংস্কার হয়নি। সামনে বৈশাখী ঝড়ের দিন। যে কোন সময় ঘর দুটি ভেঙ্গে পড়তে পারে।

[৬] এ হাটে মাছ, গোস্ত, মুদির দোকান, কাঁচা বাজারের পাশাপাশি বাঁশও বিক্রি হয় প্রচুর। তাই হাটের সংস্কার করে আধুনিকায়ন করলে ইজারা বেশি হবে এবং সরকারের রাজস্বও বাড়বে আমি আশা করি।এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহি অফিসার মো. লিয়াকত আলী সেখ বলেন, ইজারা কম বেশী এটা কোন সমস্যা নয়।

[৭] করোনা ভাইরাসের কারণে হাটে সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে দোকান বসানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে তাই হাটের ঘরগুলো সংস্কার করতে দেরী হচ্ছে। তবে খুব দ্রুত ওই ঘরগুলো সংস্কার করে দুর্যোগ সহনীয় করে গড়ে তোলা হবে।সম্পাদনা:অনন্যা আফরিন

সর্বাধিক পঠিত