প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

আশুগঞ্জে কৃষকের ঘরে ঘরে ধান কাটার উৎসব

গোলাম সারোয়ার: নবান্নের আনন্দে আমন ধান কাটার ধুম লেগেছে আশুগঞ্জে। উপজেলায় আগাম জাতের ধান কাটা মাড়াই চলছে পুরোদমে। মাঠের সোনালী ধান এখন ঘরে তুলতে ব্যস্ত এ অঞ্চলের কৃষকরা।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ জানায়, চলতি বছর বোরো চাষে প্রতিকুল আবহাওয়া মোকাবিলা করতে হয়েছে ছয় উপজেলার কৃষকদের। কিন্ত আশুগঞ্জ উপজেলায়
বর্তমানে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় নির্বিঘ্নে ধান কাটা মাড়াই ও শুকানোর কাজ করতে পারছেন কৃষান-কৃষানিরা। মাঠ জুড়ে সোনালী ধানের মৌ মৌ গন্ধে মনের আনন্দে কাজ করছেন তারা।

ধান কেটে অনেক কৃষকই আঁটি বেঁধে কাঁধে করে, আবার অনেকেই বিভিন্ন যানবহনে বাড়িতে নিয়ে যাচ্ছেন। বাসা-বাড়ির উঠানে চলছে আগাম জাতের ধান মাড়াইয়ের কাজ। এসব ধান নিয়ে কৃষকের যেমন ব্যস্ততা তেমনি আনন্দও প্রচুর।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর সুত্রে জানা যায়, জেলার ছয় উপজেলায় ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। এই মৌসুমে জেলায় এক লাখ ৩ হাজার ২৫ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের চাষ হয়েছে। এর মধ্যে আগাম বোরো ৫৪ হাজার ২৩০ হেক্টর, স্থানীয় জাত ৪০৫ হেক্টর, ও হাইব্রিড ২৫ হাজার ৩২০ হেক্টর জমিতে রোপা আমনের চাষ করা হয়েছে। অপরদিকে, কয়েক দফার অতি বৃষ্টির কারণে নিম্মাঞ্চলের ৫৯০ হেক্টর জমির ধান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

জেলা সদরের আড়াইসিধা ইউনিয়নের পাচভিটা মধুপুর গ্রামের কৃষক কামাল জানান, প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যেও ধানের বাম্পার ফলন করেছে কৃষকরা। আগাম ধান বৈশাখ মাসে পুরো ধান কাটা শুরু হলেও আগাম জাতের বিভিন্ন ধান কাটা শুরু করেছে।

একই এলাকার কৃষক ফয়জুদ্দিন জানান, কয়েক দফা অতিবৃষ্টির কারণে বোরো ধান চাষে ব্যাঘাত ঘটলেও এবার ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। আগাম জাতের ধানের বাম্পার ফলনে কৃষক বেজায় খুশি।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের মো: রবিউল হক মজুমদার জানান, জেলায় এক লাখ ৩২ হাজার ২৫ হেক্টর জমিতে বোরোর চাষ হয়েছে। ইতোমধ্যে কৃষক ধান কাটতে শুরু করেছেন। বাজারে ভালো দাম পেলে কৃষক এবার লাভবান হবে।

সর্বাধিক পঠিত