প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] বইমেলায় বিনিয়োগের প্রায় ৭০ শতাংশ ফেরত আসেনি, ক্ষতির পরিমাণ এবছর শতভাগ [২] প্রণোদনা চেয়ে প্রকাশকদের ৫ প্রস্তাব

শরীফ শাওন: [৩] এবছর বইমেলার অংশগ্রহণকারি ৩৮৩টি প্রতিষ্ঠানের ২৫ দিনে মোট বিক্রির পরিমাণ ২ কোটি ২২ লাখ ৬১ হাজার ৬৯৮ টাকা। যার মধ্যে প্রথম ১৪ দিনে বিক্রি হয়েছে ১ কোটি ৫৯ লাখ ৪৭ হাজার ৬৩৭ টাকা, শেষ ১১ দিনে ৬৩ লাখ ১৪ হাজার ৬১ টাকা।

[৪] সোমবার বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির প্রকাশকরা সংবাদ সম্মেলনে বইমেলা বিপর্যয়ের চারটি কারণ উল্লেখ করেন। প্রচণ্ড গরমে মেলার সময় নির্ধারণ, মেলার কাঠামো বিণ্যাস, বারবার মেলার সময় পরিবর্তণ ও লকডাউন।

[৫] প্রস্তাবনায় প্রকাশকরা বলেন, একুশে বইমেলায় অংশগ্রহণকারি মোট ৪১৩টি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে ১০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হোক। বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতি এবং বাংলাদেশ জ্ঞান ও সৃজনশীল প্রকাশক সমিতির মাধ্যমে তা বন্টন করা যেতে পারে। ১০০ কোটি টাকার বিশেষ বাজেট গ্রহণ করা যেতে পারে। সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রালয়, দপ্তর, অধিদপ্তর, সরকারি ও স্বায়শাসিত প্রতিষ্ঠানসমূহে মুজিব বর্ষ উপলক্ষ্যে বা ধারাবাহিক বইক্রয় কমিটিতে সমিতির প্রতিনিধি অর্ন্তভুক্ত করার নির্দেশ প্রদান করা। প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান ও বিক্রেতাদের জন্য এক হাজার কোটি টাকার সহজশর্ত ও স্বল্প সুদের ঋণের ব্যবস্থা করা। রাষ্ট্র ও সরকারের আরও যেসব প্রণোদনা বিভিন্ন শিল্প সেক্টরের জন্য রয়েছে, সেসব প্রণোদনা প্রকাশক ও বিক্রেতাদেরকেও দেওয়া হোক।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত