প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] মে মাসের শুরুতে বাংলাদেশ পাচ্ছে ৬ কোটি ৮০ লাখ টিকা, টিকার উপর নির্ভর করবে আগামী দিনের প্রবৃদ্ধি: বিশ্বব্যাংক

বিশ্বজিৎ দত্ত: [২] অর্থনীতি কত দ্রুত উন্নতি করবে সেটা নির্ভর করবে কত সাফল্যের সঙ্গে টিকাকরণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে পারছে বাংলাদেশ।করোনা অতিমারি ঠেকাতে বৈশ্বিক উদ্যোগের (কোভ্যাক্স) অংশ হিসাবে আগামী মে মাসের শুরুতে বাংলাদেশ ৬ কোটি ৮০ লাখ টিকা পাবে। বিশ্বে টিকার সংকট রয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশে কোভ্যাকসিনের টিকার সংকট হবে না। সোমবার বাংলাদেশের উন্নয়ন আপডেট প্রকাশনা উপলক্ষ্যে বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর মার্সি টেম্বন একথা বলেন।

[৩] রিপোর্টে বলা হয়, ২০২০ সালের ফেব্রয়ারিতে বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি প্রথমবারের মতো ক্ষতিগ্রস্থ হয়। দেশে দারিদ্রের হার বাড়ছিল। কিন্তু রফতানি, রেমিটেন্স ও ধানের বাম্পার ফলনের ফলে চলতি অর্থবছরের ২০২১ সালের প্রথম ৬ মাসে অর্থনীতি ধিরে ধিরে প্রাণ ফিরে পাচ্ছে। রপ্তানিমূখী কারখানাগুলো খোলে দেয়ার কারণে ও বিশ্ব বাজারে পণ্যের চাহিদা বৃদ্ধির ফলে দেশের রপ্তানিখাতে গতি ফিরে আসছে। তবে এটি নির্ভর করবে কোভিডের দ্বিতীয় ধাক্কার ফলাফলের উপর। দ্বিতীয় ধাক্কায় রপ্তানি ও রেমিটেন্স সমস্যায় পড়তে পারে। বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর বলেন, বাংলাদেশের সবুজ, স্মাট ও সার্বজনিন প্রবৃদ্ধির জন্য বিশ্বব্যাংক সহযোগীতা করে যাচ্ছে। তিনি ঢাকা ও চট্টগ্রামের অর্থনৈতিক কার্যক্রমের উপর পরিচালিত এক জরিপের বরাত দিয়ে বলেন, দেশের শ্রমবাজার স্থিতীশিল হচ্ছে। খাদ্য নিরাপত্তাও রয়েছে।

[৪] রিপোর্টে বলা হয়, বিশ্বের উন্নয়নশীল ও ইমার্জিং অর্থনীতির দেশগুলোর ২০২০ সালে প্রবৃদ্ধি ছিল ২.৬ শতাংশ। চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি ৫.৬ শতাংশ হতে পারে। এটি বলা হচ্ছে ২০২১ সালের অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়ানোর উপরভিত্তি করে। রিপোর্ট বলা হয়, গত ৮ বছরের মধ্যে ২০২১ সালের জানুয়ারিতে সবচেয়ে কম মূল্যস্ফিতি ছিল দেশে। এই সময়ের পরেও মূল্যস্ফীতি ৫.৫ শতাংশের মধ্যেই রয়েছে। দেশের রাজস্ব ঘাটতি ৬ শতাংশ হতে পারে। ২০২০সালে হ্রাস পেয়েছিল ২০২১ সালে আপেক্ষিকভাবে এটির কিছু উন্নতি হয়। চলতি অর্থবছরে ব্যাংকিং খাতের সমালোচনা করে বলা হয়, ২০২০ সালে খেলাপি ঋণের পরিমাণ বেড়েছে। শিল্পে ঋণ কমেছে। এই কারণে ব্যাংকগুলোতে তারল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। দেশের রাজস্ব কমে যাচ্ছে।

[৫] বিশ্ব ব্যাংকের কান্ট্রডিরেক্টর বলেন, এ সব কিছুই আসলে নির্ভর করছে করোনার টিকাকরনের উপর। বাংলাদেশের টিকা ক্রয়ে কোন আর্থিক সমস্যা নেই। বিশ্বব্যাংকও টিকাক্রয়ে বাংলাদেশকে ৫ কোটি ডলার দিচ্ছে। যা দিয়ে দেশের এক তৃতীয়াংশ লোকের টিকা ক্রয় করা যায়।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত