প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ফ্রিজ ও ফিল্টার পরিষ্কার করবেন যেভাবে

ডেস্ক রিপোর্ট: গরমে ফিল্টার এবং ফ্রিজের ব্যবহার বেশি হয়। তাই সঠিক যত্ন না নিলে দ্রুত নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। দেশ রূপান্তর

ফ্রিজ পরিষ্কারের উপায়: বেশি ব্যবহার হলে দু-তিন মাস পরপর ফ্রিজ একবার ভালো করে পরিষ্কার করে নিতে হবে। ফ্রিজ পরিষ্কার করার আগের দুদিন থেকে ফ্রিজে যতটা সম্ভব কম খাবার বা সবজি রাখবেন। ফ্রিজ পরিষ্কারের আগের দিন রাতে ফ্রিজ থেকে সব খাবার বার করে নিয়ে ফ্রিজ বন্ধ করে রাখুন। এতে জমে থাকা বরফ গলে যাবে।

সকালবেলা ফ্রিজের সব ট্রে খুলে নিন। দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহার করার ফলে অনেক সময় খাবার পড়ে ফ্রিজের ভেতরে দাগ হয়ে যায় বা তেল-মসলা জমে চটচটে ভাব দেখা দেয়। বাটিতে ঈষদুষ্ণ গরম পানিতে এক কাপ ভিনেগার এবং চার চামচ লবণ মিশিয়ে নিন। মিশ্রণে পরিষ্কার কাপড় ভিজিয়ে ফ্রিজের ভেতরের অংশ ভালো করে মুছে নিন।

যেসব দাগ উঠতে চায় না তা তোলার জন্য বেকিং সোডা, মাইল্ড সোপ ও ঈষদুষ্ণ গরম পানি মিশিয়ে স্পাঞ্জ দিয়ে আলতো হাতে ঘষে নিন। এতে জমে থাকা তেলমসলা উঠে যাবে। একই মিশ্রণ দিয়ে ফ্রিজের শেলফগুলো ধুয়ে ফেলুন। এবার পরিষ্কার শুকনো কাপড় দিয়ে ফ্রিজের ভেতরের অংশ ভালো করে মুছে নিন।

শেলফগুলো শুকনো করে মুছে ফ্রিজে লাগিয়ে ফেলুন। ফ্রিজ পরিষ্কার করার পর অন্তত আধঘণ্টা ফ্রিজের দরজা খুলে রেখে দিন। এতে সাবানের গন্ধ চলে যাবে। তারপর আবার পাওয়ার অন করে দিন। ফ্রিজের বাইরের অংশ পরিষ্কার করার জন্য নরম কাপড় লিকুইড ক্লিনজারে ডুবিয়ে মুছে নিন। ফ্রিজ খালি না রেখে কয়েকটি পানির বোতল ভরে ফ্রিজে রেখে দিন। ফ্রিজের দরজা খুব জোরে বন্ধ করবেন না। এতে ফ্রিজের সিল খারাপ হয়ে যেতে পারে। ফ্রিজের মাথায় খুব ভারী জিনিস রাখবেন না। ফ্রিজ দেয়ালের সঙ্গে একদম ঠেকিয়ে না রেখে একটু দূরত্ব বজায় রাখুন।

পানির ফিল্টার পরিষ্কারের উপায়: পানি ব্যবহার না হলেও ফিল্টারের পানি প্রতিদিন বদলানো উচিত। তাই প্রতিদিন আপনার যতটুকু পানির প্রয়োজন হয়, ঠিক ততটুকু পানিই ফিল্টার দিন। বেশি দিন হলে পানি ফেলে দিতে হবে, নইলে দুর্গন্ধ হয়ে যাবে। মনে রাখবেন, পানিতে কোনোভাবেই শ্যাওলা জমতে দেওয়া যাবে না। সাত দিন পর পর ফিল্টারের সিরামিক পরিষ্কার করা উচিত। সাধারণত নেট ব্যাগ দিয়ে এটি পরিষ্কার করা যায়।

ফিল্টারের ভেতর কখনোই সাবান বা ডিটারজেন্ট দিয়ে ধোয়া যাবে না, একটা বাটিতে ডিশ ওয়াশিং লিকুইড গুলিয়ে নেট দিয়ে হালকা করে ভেতরটা পরিষ্কার করে নিয়ে তারপর পানি দিয়ে ধুতে পারেন। তবে বাইরের অংশ সাবান বা ডিটারজেন্ট দিয়ে ধোয়া যাবে। ফিল্টারে কখনোই গরম পানি ঢালা যাবে না। যেই ফিল্টারই কিনুন না কেন, কেনার আগে নিয়মাবলি ভালোভাবে বুঝে নিতে হবে।

ইলেকট্রনিক ফিল্টার ব্যবহারে সতর্ক থাকতে হবে। ফিল্টার পদ্ধতির ভিন্নতা থাকতে পারে। এক এক মানুষ এক এক রকমের ফিল্টার ব্যবহার করতে পারেন। কিন্তু সবারই একটি কাজ করতে হবে। তা হলো সময়মতো ফিল্টারের কার্টিজ বদলানো। পানিতে কেমন ময়লা আসে তার ওপর ভিত্তি করে কার্টিজ বদলাতে হয়।

তা ছাড়া এমনিতেই অন্তত ছয় মাস পরপর কার্টিজ বদলে ফেলতে হয়। আর পিউর ইট যদি ব্যবহার করেন, তাহলে সেখানে ইন্ডিকেটর আপনাকে জানিয়ে দেবে যে কখন আপনাকে বদলাতে হবে, তবে মূলত দেড় হাজার লিটার পানি ফিল্টার করার পরপরই ইন্ডিকেটর আপনাকে জানান দেবে। ফিল্টারে মাইক্রো ফাইবার ম্যাশ বা ছাঁকুনিটা পারলে প্রতি সপ্তাহে পরিষ্কার করুন। কার্টিজের সঙ্গে ছাঁকুনিটাও বদলান অন্তত বছরে দুবার।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত