প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] বদরগঞ্জে করোনাভাইরাস প্রতিরোধে স্থানীয় প্রশাসনের কার্যক্রম নজর পড়ার মতো নয়

আফরোজা সরকার : [২] বর্তমানে করোনাভাইরাস ভয়ংকর মহামারী আকার ধারণ করেছে। করোনা সংক্রমণ রোধে সরকার যে উদ্যোগ গ্রহন নিয়েছেন তা ব্যর্থ হবে বলে স্থানীয়রা আশঙ্কা করেছেন।

[৩] বদরগঞ্জ উপজেলা ১০ ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত। এ উপজেলায় বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত গার্মেন্টস শ্রমিকরা এসে ভিড় জামায়াত করেছে। উপজেলা স্থানীয় প্রশাসনের ভূমিকা নজর পড়ার মত নয়।

[৪] তবে পুলিশের আরো কঠোর হওয়া দরকার বলে সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা জানান।

[৫] অন্যদিকে স্থানীয় সুশীল সমাজের ব্যক্তিবর্গরা বলছেন, বদরগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন ভূমিকা খুব একটা ভালো দেখা যাচ্ছে না। গ্রাম পর্যায়ে পুলিশ প্রশাসনের একেবারেই কোন কার্যক্রম নেই বললেই চলে।

[৬] করোনাভাইরাস একটি ভয়ংকর রোগ বর্তমানে মহামারী আকার ধারণ করছেন, আগামী ১৪ তারিখে সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী কঠোর লকডাউন কারণে বাড়ি ফিরতে এলাকায় বহিরাগত ঢাকা থেকে আগত কিছু লোক উপজেলায় ঢুকে পড়েছে । এতে করে তারা ধারনা করছেন, করোনা ভাইরাস এর প্রভাব বদরগঞ্জ উপজেলাও দেখা দিতে পারে। বদরগঞ্জে কয়েকজন স্থানীয় রাজনীতিবিদ ও সাংবাদিক কর্মীরাও বলছেন, আমরাও আতঙ্কে আছি।

[৭] প্রশাসন আরো কঠোর না হওয়া দরকার। এ পর্যন্ত প্রশাসনের নজরদারি খুব একটা ভালো দেখা যায়নি। বিশেষ করে বদরগঞ্জ পৌর শহরের হক সাহেবের মোড় থেকে রেল ঘুমটি পর্যন্ত সকাল ৭ টা থেকে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত জনসমুদ্রে পরিণত হয়। স্বাভাবিক চলাচল করতে থাকে। দূরত্ব বজায় তো দূরের কথা মাস্ক ছাড়াই অবাধ ঘোরাফেরা করছে।

[৮] এব্যপারে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান কাউন্সিলররা কোন উদ্যোগ গ্রহণ করেননি। ঢাকা থেকে গার্মেন্টস শ্রমিকরা এসে এলারার অবাদ চলাফেরা স্থানীয় লোকজন একাধিকবার চেয়ারম্যান কে ফোন করে বলার পরও বিষয়টি চেয়ারম্যান কোন ভাবে দেছেন না। ইউপি চেয়ারম্যান মনে বলেন, এটা আমার কাজ নয় এটা পুলিশ প্রশাসনের কাজ তাই এটা পুলিশি দেখবেন।

[৯] দুলাল মাষ্টার বলেন, ঢাকা থেকে আগত গার্মেন্ট শ্রমিকরা বাড়িতে ফিরে অবাধ চলাফেরা শুরু করেছে। কারো কোন বাধা মানছে না। এতে করে আমিসহ অনেকে আতঙ্কে রয়েছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত