প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] সেতু তুমি কার, এলজিইডি না ঠিকাদারের

নেয়ামূল হক গজারিয়া: [২] মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার ভবেরচর ইউনিয়নে ওয়াজির আলী হাই স্কুল সংলগ্ন দুই কোটি একাশি লাখ টাকা ব্যয়ে আই এ ফরমালিকা ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান নির্ধারিত সময় পার হওয়ার পরেও জনগণের কল্যাণার্থে হস্তান্তর করিতে পারে নাই এই সেতুটি।

[৩] দীর্ঘ সময় পার হওয়ার পরেও সেতুটির পূর্ব প্রান্তে গাইড ওয়াল না থাকায় ব্যবহার করিতে পারেনা জনসাধারণ।

[৪] সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, যে সেতুটির পূর্ব প্রান্তে দিয়ে ওঠানামার জন্য সঠিক ও ডিজাইন অনুযায়ী কোন প্রকারের ব্যবস্থা নেই।

[৫] স্থানীয় ষাট ঊর্ধ্বে কয়েকজন প্রবীণ জানান সেতুটি কার জন্য নির্মাণ করা হয়েছে। সরকার জনগণের টাকা জলে ফেলে দিল।

[৬] ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান সেতুর পূর্ব প্রান্তের যথাযথ কাজ না করে, পশ্চিম প্রান্তে তড়িঘড়ি করে রং চুন লাগিয়ে অধিকাংশ অর্থ অফিস সমন্বয়ে উত্তোলন করে নিয়ে যায়। এমনকি সেতুর উপরে জমে থাকা পানি সরে যাওয়ার ব্যবস্থা না থাকায় পশ্চিম অংশে ইট সোলিংএর নিচের পানি প্রবাহিত হয়ে বালি সরে গিয়ে রাস্তাটি ভেঙ্গে যায় এবং জমে থাকা পানি নিষ্কাশনের জন্য ডিজাইন অনুযায়ী ছিদ্র না থাকায় লোহার শাবল দিয়ে ছিদ্র করা করা হয় ।
যাহা মূল ডিজাইনের সাথে সাংঘর্ষিক বলে প্রাথমিক পর্যায়ে ধারণা করা গেছে।

[৭] সেতুটির কাজ উদ্বোধনের সময় স্কুল কর্তৃপক্ষ, জনপ্রতিনিধি, দায়িত্বরত প্রশাসন উপস্থিত থাকার পরেও কেন এমন হলো তাই সবার মুখে একই প্রশ্ন সেতু তুমি কার।

[৮] তাদের কাছে প্রশ্ন করলে যে যার যার অবস্থান থেকে একে অন্যের উপর কৈফত তুলে ধরে। আংশিক কাজের সময় গনমাধ্যম কর্মীদের নজরে এলে স্কুল এবং সেতু জনগণের স্বার্থে এবং সাংঘর্ষিক নিয়ে একাধিক খবর প্রকাশিত হয়।

[৯] এ ব্যাপারে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের সাইট ইঞ্জিনিয়ার রাসেল সাহেবের নিকট জানতে চাইলে গণমাধ্যমকর্মীদের জানান, ব্রিজের কাজের ব্যাপারে উপজেলা এলজিইডির সাথে কথা বলোন এবং ব্রিজের কাজ শেষ।

[১০] উপজেলা এলজিইডির উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোজাম্মেল হক ভূঁইয়া জানান, নির্ধারিত সময় পার হওয়ার পরেও ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান কাজটি সম্পন্ন করিতে পারে নাই। এমনকি নকশা বা ডিজাইন বহির্ভূত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকলে তা যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সম্পাদনা: হ্যাপি

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত