প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] ওয়ার্ড কাউন্সিলরের কার্যালয়ে ‘হেল্প-ডেস্ক’ বস্তিবাসী ও স্বল্প আয়ের মানুষদের সমস্যার তাৎক্ষণিক সমাধান

আসাদুজ্জামান সম্রাট: [২] বস্তিবাসী ও নিম্ন আয়ের মানুষরা তাদের দীর্ঘদিনের সমস্যার তাৎক্ষণিক সমাধান পেয়েছেন। এলাকার স্বল্প আয়ের নাগরিকদের বিভিন্ন সমস্যার কথা শুনে দ্রুত এলাকায় মশার ঔষধ ছিটানো, এলাকার ড্রেন পরিস্কার ও বিশুদ্ধ খাবার পানির সরবরাহসহ সমস্যা তাৎক্ষণিকভাবে সমস্যাগুলির সমাধান করা হয়।

[৩] শনিবার ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মিরপুর ছয় নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পি স্থানীয় বাসিন্দাদের উপস্থিতেত এসব সমাধান করেন। এ সময় ওয়ার্ডে বসবাসকারি বিভিন্ন বস্তিবাসি ও স্বল্প আয়ের বাসিন্দারা উপস্থিত থেকে তাদের সমস্যার কথা সরাসরি ওয়ার্ড কাউন্সিলরের সাথে আলোচনা করেন। কিছু সমস্যার তাৎক্ষণিক সমাধান করেন এবং অন্যান্য সমস্যা সমাধানের আশ্বাস প্রদান করেন কাউন্সিলর।

[৪] ওয়ার্ড কাউন্সিলরের কার্যালয়ে স্বল্প আয়ের মানুষদের জন্য ‘হেল্প-ডেস্ক’ প্রক্রিয়া একবারেই নতুন পদ্ধতি। মাসের এক বা একাধিক একটি নির্দিষ্ট দিনে ওয়ার্ড কাউন্সিলর শুধুমাত্র স্বল্প আয়ের মানুষদের সাথে বসবেন এবং তাদের সমস্যা সমাধান করবেন।

[৫] জাতীয়ভিত্তিক বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা রিসোর্স ইন্টিগ্রেশন সেন্টার (রিক) এবং সলিডারিটিস ইন্টারন্যাশনালের (এসআই) কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ‘স্লাম-বেইজড্ সিটিজেন এ্যাকশন নেটওয়ার্ক (স্ক্যান)’ প্রকল্পের আওতায় এই প্রক্রিয়া ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের আটটি ওয়ার্ডে চালু হয়েছে। দাতা সংস্থা ইউরোপীয় ইউনিয়ন এ প্রকল্পে আর্থিক ও কারিগরি সহযোগিতা দিচ্ছে।
ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পি বলেন, হেল্প- ডেস্ক প্রথাটি চালু হওয়ার ফলে আমি দরিদ্র মানুষদের সাথে সরাসরি আলোচনা করতে পারছি। তাদের অনেক সমস্যা যা তারা কখনই বলতে পারতো না, তারা সরাসরি উপস্থিত থেকে আমাকে জানিয়েছে। আমিও যথা সম্ভব সমাধানের চেষ্টা করেছি। একজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হিসেবে আমার ওয়ার্ডে সকল শ্রেণী-পেশার বাসিন্দা আমার কাছে সমান। কিন্ত দরিদ্র জনগোষ্ঠি সব সয়ম আসার সুযোগ করতে পারে না। তাই এই হেল্প-ডেস্ক প্রথা চালু হওয়ায় তাদের যেমন সুবিধা হয়েছে, আমিও সাধারণ জনগণের সমস্যার কথা জানতে পারছি। আমার ওয়ার্ডে এই হেল্প-ডেস্ক চালু করার উদ্যোগ নেয়ার জন্য আমি রিক সংস্থাকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

[৬] রিকের প্রকল্প সমন্বয়কারী এসএমএ মুঈদ বলেন, নগরের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠি বিশেষ করে বস্তিবাসিরা পানি, পয়:নিস্কাশন, বর্জ্য অপসারণ সহ সবধরনের নাগরিক সেবা চাহিদা অনুযায়ী পায় না। অন্যদিকে সেবাপ্রদানকারীরাও দরিদ্র মানুষদের প্রতি কিছুটা কম সহনশীল। আমরা ইউরোপীয় ইউনিয়নের সহায়তায় নগর দরিদ্রদের সমস্যা জানানোর জন্য একটি প্লাটফর্ম তৈরীর উদ্যোগ নিয়েছি। আর এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে ওয়ার্ড কাউন্সিলরের কার্যালয়ে ‘হেল্প-ডেস্ক’ প্রথা চালু চালু করা হয়েছে।

[৭] দুয়ারী পাড়া বস্তির বাসিন্দা সুমী হাসান বলেন, এই হেল্প-ডেস্ক চালু হওয়ার ফলে আমরা এখন আমাদের যেকোন সমস্যার কথা বলার একটা জায়গা পেয়েছি। আমরা আশাবাদি মাননীয় কাউন্সিলর নিয়মিতভাবে আমাদের কথা শুনবেন এবং সমস্যার সমাধান করবেন।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত