প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] রমজানের অজুহাতে আদমদীঘিতে নিত্যপণ্যের দাম বেড়েছে

আমিনুল জুয়েল:[২] রমজান মাসের অজুহাতে বগুড়ার আদমদীঘি বাজারে নিত্যপণ্যের দাম বেড়েছে। বিশেষকরে মসলা জাতীয় পণ্যের দাম কয়েক ধাপ বেড়েছে। রমজান মাসকে কেন্দ্র করে উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি বাজারে নিত্যপণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ফলে রমজান মাসের জন্য বাজার করতে আসা সাধারণ ক্রেতারা ক্ষোভ জানিয়েছেন।

[৩] লকডাউনের মধ্যে নিত্যপণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় চরম বিপাকে পরেছেন দিন-মজুর, খেটে খাওয়া এবং নিম্ন আয়ের মানুষ। একদিকে করোনার শঙ্কা আর অন্যদিকে দ্রব্যমূল্যের র্উধ্বগতি সামাল দিতে পারছেন না সাধারণ ক্রেতা। কেউ কেউ কম টাকায় পণ্য কেনার জন্য সন্ধ্যা অবধি বাজারে ঘুরছেন। তবে, বাজারে অপরিবর্তিত রয়েছে মুরগী, ডিম, মাছ ও মাংসের দাম।

[৪] সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, বাজারে প্রতিটি নিত্যপণ্যের দাম কেজিতে ১০-১৫ টাকা বেড়েছে। বাড়তির দিকে রয়েছে মসলা জিরা ও দারুচিনির দাম। এছাড়াও, রমজানের সাথে সম্পৃক্ত পণ্যেরও দাম বেড়েছে। আটা ৪০ টাকা, গুড় ৮০ টাকা, চিড়া ৬০ টাকা ও মুড়ি ৮০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

[৫] বাজারে ছোলা বুট বিক্রি হচ্ছে মানভেদে ৭০-৮০ টাকা কেজি দরে। মসুর ডাল ১৩০ টাকা এবং খেসারী ৬০ টাকা কেজি। খোলা সয়াবিন তেল কেজিতে পাঁচ টাকা বেড়ে ১৩৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

[৬] সান্তাহার কাঁচাবাজারের বিক্রেতা আকরাম হোসেন জানান, প্রতিকেজি আলু ১০-১৫, পটল ৬৫, করলা ৪০-৫০, কাঁচা মরিচ ৫০, বেগুন ৩০, কচুর লতি ৬০, শশা ৪০, গাজর ৩০, টমেটো ২০, ঝিঙ্গা ৩০ এবং সজিনা ২৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বাজারে প্রতি কেজি মিষ্টিকুমড়া ৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। আর লাউ আকারভেদে ৪০-৫০ টাকা, লেবু প্রতি পিস ৫ টাকা আর কাঁচাকলার হালি ২০ টাকা।

[৭] এদিকে, শাক বাজারে লালশাক ১৫, পুঁইশাক ২০, পালংশাক ১৫, নোনতা শাক ১৫, ডাঁটা এক আটি (৫ পিস) ১৫ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। তবে, বাজারে গরুর মাংস কেজি প্রতি ৫৫০, খাসির মাংস ৮০০, মুরগীর মাংস (ব্রয়লার লাল) ২০০, মুরগী (ব্রয়লার সাদা) ১৪০ টাকায় বিক্রি হলেও অপরিবর্তিত রয়েছে ডিম (২৮ টাকা হালি) ও মাছের দাম।

[৮] আদমদীঘি হাটের সবজি বিক্রেতা মিজান জানান, সব তরকারীর দাম বাড়তির দিকে। চাহিদা রয়েছে কিন্তু যোগান নেই। এজন্য দাম বেড়েছে। আর কয়েকদিন পর রমজান শুরু হবে তাই অনেকেই অতিরিক্ত বাজার করছে।

[৯] বাজারে আসা কৈকুড়ী গ্রামের বাসিন্দা মুকুল হোসেনের সাথে কথা হয়। তিনি ক্ষোভ জানিয়ে বলেন, বাজারের প্রতিটি কাঁচা পণ্যের দাম বেড়েছে রমজানের অজুহাতে। বাজার মনিটরিং না থাকায় নিত্যপণ্যের দাম বেড়েছে বলেও অভিযোগ জানান তিনি।

[১০] গোরগ্রাম ও ছোট আখিড়া গ্রামের মসলা ব্যবসায়ী আরমান ও এনামুল হক জানান, মসলা বাজারে শুধু জিরা ও দারুচিনির দাম বেড়েছে। তবে, তেলসহ অন্যান্য মসলার দাম সামান্য বেড়েছে।

[১১] এদিকে, দৈনিক মুরগী বাজারের তাজরিন পোল্ট্রি হাউসের মালিক জুয়েল রানা জানান, লকডাউনে মুরগীর দাম কমতির দিকে। করোনাকালীন সময়ে অনেক পরিবারই মুরগী কিনছে না। করোনার প্রভাব কমলে মুরগীর দাম বাড়বে এমনটাই আশা করছেন এই মুরগী ব্যবসায়ী।

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত