প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১]পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহারে নির্বাচনী সহিংসতা ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে নিহত ৫ তৃণমূল কর্মী

আসিফুজ্জামান পৃথিল: [৩] শীতলকুচির জোড়পাটকির ১২৬ নম্বর বুথের বাইরে এই ঘটনা ঘটেছে। গোটা ঘটনায় কেন্দ্রীয় বাহিনী সেন্ট্রাল আর্মড পুলিশ ফোর্সের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে তৃণমূল । এনডিটিভি

[৪] স্থানীয় এক তৃণমূল কর্মী বলেন, ‘দলে দলে মানুষ ভোট দিতে যাচ্ছিলেন। সেই সময় বিনা প্ররোচনায় গুলি চালায় কেন্দ্রীয় বাহিনী।’ গুলি চালানোর আগে সংঘর্ষে একই কেন্দ্রে ভোট দিতে গিয়ে নিহত হয় ১৮ বছরের এক কিশোর। তৃণমূল তাকেও নিজেদের সমর্থক বলছে। আনন্দবাজার

[৫] বিজেপি নেতা নিশীথ প্রামাণিক গোটা ঘটনার জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জিকেই দায়ী করেছেন। তিনি বলেন, ‘কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে লাগাতার উস্কানিমূলক মন্তব্য করেছেন মমতা। মাথাভাঙা, শীতলকুচি, কোচবিহারের সভা থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ঘিরে ধরতে বলেন তিনি, তাতেই একটি বিশেষ শ্রেণির লোক উত্তেজিত এবং তা থেকে আক্রমণাত্মক হয়ে পড়েন। কেন্দ্রীয় বাহিনী যদি গুলি চালিয়ে থাকে, তা আত্মরক্ষার্থেই চালিয়েছে।’

[৬] গোটা ঘটনায় অ্যাকশন টেকেন রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন। কমিশন জানিয়েছে, রাজ্য নির্বাচন পর্যবেক্ষক বিবেক দুবে জানিয়েছেন, তৃমমূল এবং বিজেপি-র মধ্যে সঙ্ঘর্ষ চলছিল। বাধা দেওয়া হচ্ছিল ভোটদানেও। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গেলে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ঘিরে ধরা হয়। রাইফেলও কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়।

[৭] এদিকে চুঁচুঁড়ায় লকেটকে লক্ষ্য করে ইট-পাথর ছোড়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করে তৃণমূলের পাল্টা দাবি, বুথে ঢুকে ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করছিলেন লকেট। সে জন্যই তাকে স্থানীয় বাসিন্দারা বাধা দেন।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত