প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] কোভিডে রোগী সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছেন হাসপাতালে স্বাস্থ্যসেবা কর্মীরা: ড. নিরুপম দাস

মিনহাজুল আবেদীন: [২] শুক্রবার বিবিসি বাংলায় নোয়াখালী সরকারি হাসপাতালের পরিচালক ড. নিরুপম দাস বলেন, স্বাস্থ্য কর্মীরা আক্রান্ত হওয়ার ফলে চিকিৎসা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে ।

[৩] তিনি বলেন, রোস্টার ডিউটিতে একজনকে ৮ ঘণ্টা কাজ করতে হয়। সেখানে জনবল কম হওয়ার কারণে ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত কাজ করতে হচ্ছে। এই গরমে পিপিই পরে এতক্ষণ ডিউটি করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

[৪] নিরুপম বলেন, পরিস্থিতি সামাল দিতে যেসব জায়গায় রোগী কম কিন্তু ডাক্তার বেশি সেখান থেকে ডাক্তার এনে যেখানে রোগী বেশি সেখানে কাজ করানো হচ্ছে। সব চিকিৎসকদের শিক্ষা-কালীন ছুটি বাতিল করা হয়েছে। যারা ট্রেনিং করছিলেন তারাও পূর্ণকালীন কাজ করছেন।

[৫] বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসক মিলি দে বলেন, কয়েক মাস রোগীর চাপ কম ছিলো কিন্তু এখন মারাত্মক চাপে আছি আমরা। হাসপাতালের ১০০ বেড এবং ২০ আইসিইউ বেড রয়েছে। কোনটাই খালি থাকছে না।

[৬] তিনি বললেন, রোগীদের সিরিয়াল এত দীর্ঘ যে একটা বেড খালি হলে সঙ্গে সঙ্গে রোগী ভর্তি করতে হচ্ছে।

[৭] হেলথ অ্যান্ড হোপ হাসপাতালের চেয়ারম্যান এবং জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ লেলিন চৌধুরী বলেন, কোনও আইসিইউ বেড ফাঁকা নেই, সাধারণ বেড যেগুলো আছে সেগুলোর কয়েকটা সাধারণ রোগীদের জন্য রেখে, কোভিড রোগীদের জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে।

[৮] তিনি বলেন, এক বছরের বেশি সময় ধরে এই স্বাস্থ্য কর্মীরা কোভিডের সেবা দিচ্ছেন, তারা এখন মানসিক, শারীরিকভাবে ক্লান্ত এবং হতাশ।

[৯] করোনাভাইরাসের টেকনিক্যাল কমিটির সদস্য ইকবাল আরসালান বলেন, প্রথম ওয়েভ করোনাভাইরাস মোকাবেলায় স্বাস্থ্য কর্মীরা ইমারজেন্সি ভিত্তিতে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলো। কিন্তু পরবর্তীতে তাদের কাজের বৈধতা দেয়া হয়নি। এইজন্য তারা কেউ এগিয়ে আসছে না। সম্পাদনা: মহসীন

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত