প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] শেরপুরে কজওয়ের সেতুর ড্রেজার বসিয়ে বালু উওোলন

তপু সরকার:[২] শেরপুরে কজওয়ের ব্রিজ উদ্বোধনের পরপরই নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগে সেতুর নির্মাণ কাজ বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

[৩] ৪ জুলাই শনিবার ২০ সালে শেরপুর-জামালপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের পোড়ারদোকান ও শিমুলতলী এলাকার কজওয়ের উপর দু’টি সেতুর নির্মাণ কাজ উদ্বোধনের পর এলাকাবাসীর অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে শিমুলতলী এলাকার সেতুটির নির্মাণ কাজ বন্ধের নির্দেশ দেন জাতীয় সংসদের হুইপ ও শেরপুর-১ আসনের সাংসদ আতিউর রহমান আতিক।

[৪] ওই সময় সড়কের পাশে নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রীর স্তূপ দেখে তিনি ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করেন।এলাকাবাসী বলেন প্রতি বছর বন্যা ও বর্ষা মৌসুমে শেরপুর-জামালপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের শেরপুর সদর উপজেলার শিমুলতলী ও পোড়ারদোকান এলাকায় দু’টি কজওয়ে দিয়ে বন্যার পানি প্রবাহিত হওয়ায় যানবাহন এবং মানুষ চলাচল ও জামালপুর-টাঙ্গাইলসহ উত্তরবঙ্গের সাথে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে থাকে দীর্ঘসময়।

[৫] ওইসময়কালে নৌকা দিয়ে যাতায়াত করতে হয় শেরপুরবাসীর। ওই অবস্থার উত্তরণে হুইপ আতিক ওই সড়কের দুটি কজওয়েতে দু’টি সেতু এবং সংযোগ সড়ক নির্মাণের উদ্যোগ নেন।এরই ধারাবাহিকতায় সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর (সওজ)’র শেরপুর-জামালপুর সড়কের পোড়ারদোকান ও শিমুলতলী এলাকায় ১২৫ দশমিক ৪৯৭ মিটার দৈর্ঘ্যরে দু’টি সেতু নির্মাণ প্রকল্প গ্রহণ করে।

[৬] পোড়ারদোকান ও শিমুলতলী এলাকার সেতু দু’টির প্রকল্পব্যয় ধরা হয় ২০ দশমিক ৯২৩ কোটি ও ১৮ দশমিক ৭৫৮ কোটি টাকা। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মোজাহার এন্টারপ্রাইজ প্রাইভেট লিমিটেড সেতু দু’টির নির্মাণ কাজ হাতে নেয়।এলাকাবাসীর অভিযোগ,করেছিল সেতুর পাইলিংয়ের কাজে নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী বিশেষ করে ভাল মানের পাথরের পরিবর্তে পূর্বের পাইলিংয়ের কাজের ইট-খোয়ামিশ্রিত পাথর ব্যবহার করা হচ্ছে।

[৭] ওই সময় সংসদের হুইপ অতিউর রহমান আতিক নিজেও সেতুর নির্মাণস্থলের সড়কের পাশে স্তূপাকারে রাখা নিম্নমানের পাথর দেখে ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করেন এবং এ জন্য দায়ী সওজ’র তদারকি কর্মকর্তা ও ঠিকাদারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সওজ’র নির্বাহী প্রকৌশলীকে নির্দেশ দেন।

[৮] পরে হুইপ আতিক শিমুলতলী এলাকার সেতুর নির্মাণ কাজ বন্ধ থাকার ঘোষণা দেন এবং নিম্নমানের সামগ্রী পরিবর্তন করে ভালোমানের সামগ্রী আনিয়ে তারপর কাজ শুরুর নির্দেশ দেন। সে সময়ে মিডিয়ায় বেশ আলোচিত হয়েছিল খবরটি ।

[৯] কিছুদিন বন্ধ থাকার পর আবার কাজটি শুরু করে ।কাজ শরু করার পর শেরপুর সওজ’র নির্বাহী প্রকৌশলী খঃ মোঃ শরীফুল আলম এর সাথে কথা হলে তিনি জানান নিম্নমানের পাথর ব্যবহারের বিষয়টি তদন্ত টিম বলেছে সেগুলি টেষ্টে ভাল রেজাল্ট এসেছে এবং অফিসিয়ালী কাজ করার অনুমতি দেয়া হয়েছে ।

[১০]  ৯ এপ্রিল শুক্রবার সরেজমিন দেখা যায় নির্মিত সড়ক ও জনপথের কজওয়ের ব্রিজ থেকে ৫০ গজ পূর্ব থেকে ড্রেজার মেশিন বসিয়ে কোড় থেকে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে।

[১১] আর উত্তোলনকৃত এসব বালু পাইপলাইন দিয়ে কজওয়ের রাস্তায় সে বালু ব্যাবহার করা হচ্ছে । এলাকাবাসী বলেন ৭/৮ মাস যাবৎ এভাবেই ব্রিজের কাজ থেকে বালু উওোলন করে রাস্তায় ব্যাবহার করা হচ্ছে ।বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ভূ-গর্ভস্থ বা নদীর তলদেশ হইতে বালু বা মাটি উত্তোলন সংক্রান্ত বিশেষ বিধান পাম্প বা ড্রেজিং বা অন্য কোন মাধ্যমে ভূ-গর্ভস্থ বালু বা মাটি উত্তোলন করা যাইবে না।সম্পাদনা:অনন্যা আফরিন

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত