প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] সালথায় প্রশাসনের ওপর হামলার ঘটনায় চার হাজার জনকে আসামি করে মামলা, আটক ১৩

এস.এম আকাশ: [২] জেলার সালথায় লকডাউনকে কেন্দ্র করে প্রশাসনের উপর হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় ৪ হাজার জনকে আসামী করে মামলা করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার রাতে এই মামলাটি করেন সালথা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মিজানুর রহমান। এসআই মিজানুর ঘটনার রাতে ফুকরা বাজার এলাকায় জনতার হামলায় আহত হন বলে জানান তিনি।‘

[৩] পুলিশ ঘটনার সঙ্গে জড়িত ১৩জনকে গ্রেপ্তার করেছে বলে জানিয়েছেন সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশিকুজ্জামান।

[৪] এ ঘটনায় পুলিশের করা মামলায় ৮৮ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া ৩ থেকে ৪ হাজার ব্যক্তিকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।

[৫] সালথা থানার ওসি মো. আশিকুজ্জামান জানান, থানায় হামলা ও সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে পুলিশ বাদী হয়ে মামলাটি করে। মামলার এজাহারভুক্ত ১৩ আসামিকে ইতিমধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

[৬] উল্লেখ্য গত সোমবার সন্ধ্যায় সালথা উপজেলার ফুকরা বাজারে লকডাউনের সামাজিক দুরত্ব বজায় ও বিভিন্ন বিধি নিষেধ আরোপ করতে যান উপজেলার সহকারী ভুমি অফিসার মারুফা সুলতানা খান হিরা মনি। এসময় তার সহকারীর সাথে ঐ বাজারের জাকির হোসেন নামে এক যুবকের সাথে কথা কাটাকাটি একপর্যায়ে তাকে বেধড়ক মারধর করলে সে মারাত্নক আহত হয়।

[৭] অবস্থা বেগতিক দেখে হিরা মনি সালথা থানাকে অবহিত করলে থানার উপ-পরিদর্শক মিজানুর রহমান ঘটনাস্থলে গেলে উত্তেজিত জনতা তার উপর হামলা চালায়। মিজানুর মারাত্নক ভাবে আহত হয়।

[৮] পরবর্তিতে রাতে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে কয়েক হাজার উত্তেজিত জনতা উপজেলা ভুমি অফিস, সালথা থানা, উপজেলার প্রশাসনিক ভবন, মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স, উপজেলা চেয়ারম্যানের বাস ভবন, ইউএনওর বাস ভবন, এসিল্যান্ডের বাস ভবনসহ তাদের ব্যবহৃত গাড়িতে আগুন লাগিয়ে পুড়িয়ে দেয়।

[৯] রাতভর চলে দফায় দফায় সংঘর্ষ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে ফরিদপুর সদর এবং ভাঙ্গা ও আশেপাশের উপজেলা হতে অতিরিক্ত পুলিশ এসে ৬ শতাধিক রাবার বুলেট, সাউন্ড গ্যানেট ও চাইনিজ রাইফেলের গুলি ছুড়ে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আসলেও পুরা উপজেলায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। সম্পাদনা: জেরিন আহমেদ

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত