প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] মহাখালীতে কোভিডের সবচেয়ে বড় হাসপাতালের প্রস্তুতি সম্পন্ন, পরির্দশনে যাচ্ছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

শাহীন খন্দকার: [২] ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম নাসির উদ্দিন জানিয়েছেন ১২ অথবা ১৩ এপ্রিল সীমিত আকারে রোগী ভর্তি শুরু হবে।

[৩] আজ ৬ এপ্রিল, বিকেল ৪ টার পর, মহাখালীস্ত ঢাকা নর্থ সিটি কর্পোরেশন মার্কেট কভিড ডেডিকেটেড হাসপাতাল পরিদর্শন করবেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক, এমপি। পি.আর.ও/স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছেন।

[৪] জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. এম. এস. এ. মনসুর আহমেদ বলেন, দিনরাত হাসপাতালে দিগিবিদিক ছুটোছুটির পর অবশেষে অজানা আশঙ্কা নিয়ে ফিরতে হচ্ছে বাড়িতে। রাজধানীর কয়েকটি সরকারি হাসপাতালের পরিচালকরা বলছেন, রোগীর চাপ সামাল দেয়া সম্ভব হচ্ছে না তাদের পক্ষে। সাইরেন বাজিয়ে আসা এক-একটা অ্যাম্বুলেন্স যেন প্রবেশ করছে এক একটা দুঃসংবাদকে সঙ্গী করেই। কর্তৃপক্ষ সূত্র জানিয়েছে, আইসিইউ, এইচডিইউ সহ হাসপাতালের সকল সুযোগ-সুবিধা নিয়ে এই হাসপাতালটি আগামী সপ্তাহ থেকেই চালু হবে। প্রাথমিকভাবে ২০টি আইসিইউ বেডসহ ২৫০ শয্যার সেবা কার্যক্রম দিয়ে শুরু হলেও পর্যায়ক্রমে এপ্রিল মাসের শেষ নাগাদ হাসপাতালটি চালু করার পরিকল্পনা নিয়ে দ্রুত কাজ করা হচ্ছে।

[৫] ২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে প্রথম তিনজনের মাঝে কোভিড-১৯ সংক্রমণ শনাক্ত হয়। পরবর্তীতে সংক্রমণ বাড়তে থাকলে ডিএনসিসি মার্কেটে আইসোলেশন সেন্টার করার উদ্যোগ নেওয়া হয়। তবে সেটি পরবর্তীতে আর চালু করা হয়নি। দেশে সংক্রমণ কমে আসতে থাকলে এটি বন্ধ ঘোষণা করা হয়। তবে স¤প্রতি নভেল করোনাভাইরাস সংক্রমণ বৃদ্ধির পরে দেশে ২২ মার্চ এক প্রজ্ঞাপনে ডিএনসিসি করোনা আইসোলেশন সেন্টার প্রস্তুত করার নির্দেশনা দেয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

[৬] বর্তমানে ডিএনসিসি আইসোলেশন সেন্টারটিকে খুব দ্রুত হাসপাতালে রূপান্তরিত করার জন্য দৈনিক তিন শিফটে ২৪ ঘণ্টা কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন ডিএনসিসি আইসোলেশন সেন্টারের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাসির উদ্দিন। পরিচালক আরো বলেন, আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি দ্রæত কাজ করে যাওয়ার। এটা অনেক বড় একটা প্রতিষ্ঠান হতে যাচ্ছে। যদি সবকিছু পরিকল্পনা মত হয়, তবে অবশ্যই এটি একটি উদাহরণ হয়ে থাকার মতো কাজ হবে।

[৭] তিনি বলেন,আমরা ১২ বা ১৩ এপ্রিলের দিকে এটা সীমিত আকারে শুরু করবো। প্রাথমিকভাবে ২৫০ শয্যা দিয়ে আমরা শুরু করবো এটা। এই সময়ে অন্তত ২০টি আইসিইউ সহ এটি শুরু করার পরিকল্পনা আছে। এর সঙ্গে আমরা ভাবছি পরবর্তী প্রতি সপ্তাহে একেকটা ফ্লোর বাড়াতে থাকবো চিকিৎসাসেবা দেওয়ার জন্য।

[৮] তিনি বলেন, আশা করছি এই মাসের শেষ দিকে অন্তত পুরোটাই যাতে সচল করে ফেলতে পারি। আগামী সপ্তাহে শুরু করার পরের সপ্তাহেই হয়তোবা ৫০ শতাংশ কাজ আমরা শেষ করে ফেলতে পারবো। আমাদের জেনারেল ওয়ার্ডগুলো অনেকাংশেই প্রায় প্রস্তুত। কিছু লজিসটিকসের জন্য আমরা আরেকটু সময় নিচ্ছি।

[৯] এ কে এম নাসির উদ্দিন বলেন, শয্যা ও রোগীর থাকার ব্যবস্থা ইতোমধ্যেই করা হয়েছে। কারণ আপনারা জানেন আগেই এটি এক হাজার শয্যার আইসোলেশন সেন্টার হওয়ার কথা ছিল। এখন যেহেতু হাসপাতাল বিশেষ করে কোভিড চিকিৎসার জন্য পুরো সিস্টেমটাকেই গড়ে তোলা হচ্ছে।

[১০] তিনি আরও বলেন, আমরা ন্যূনতম এক হাজার বেডের পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। তবে এটির সংখ্যা এর চাইতে আরও বাড়বে, কমার সম্ভাবনা নেই। সে বিষয়ে এখনই আগাম কিছু বলতে চাইছি না। এখানে আমরা অন্তত ১০০ আইসিইউ বেড যুক্ত করবো চিকিৎসাসেবা দেওয়ার জন্য। ১২২ টির মতো এইচডিইউ শয্যার এখানে যুক্ত হতে যাচ্ছে। এটা আসলে সর্বোচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন হাসপাতাল হতে যাচ্ছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত