প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] নির্দেশনা মেনে শপিংমল বন্ধ, খোলা আছে কাঁচাবাজার, দু’একটি বাস চলেছে

সুজিৎ নন্দী: [২] করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সাত দিনের কঠোর বিধিনিষেধ জারির প্রথম দিনে নগরীর সকল শপিংমল বন্ধ আছে। সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত খোলা থাকছে কাঁচাবাজার খোলা থাকলেও সন্ধ্যা পর্যন্ত খোলা ছিলো। বিধিনিষেধ চলাকালীন সময়ে গত বছরের মতো এবারও শপিংমল পুরোপুরি বন্ধ রাখা হয়েছে। মাস্ক পরেই বেরিয়ে পড়ছেন কর্মজীবী সড়কে। লকডাউনের প্রথম দিনে সড়কগুলো দেখলে ছুটির আমেজ ছিলো।

[৩] বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি হেলাল উদ্দিন বলেন, যে অবস্থা দেখছি তাতে স্বাস্থ্য বিধি মেনে দোকান খোলা যেতে পারে। ইতোমধ্যে আমি ব্যক্তিগত ভাবে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন এবং মন্ত্রী পরিষদ সচিবের সঙ্গে কথা বলেছিলাম। তারা রাজিও হয়েছিলেন। কিন্তু শেষ মহুর্তে জানতে পারলাম শুধু সুপারশপ খোলা থাকবে। তবে সোমবার যে অবস্থা দেখলাম তাতে মনে হলো স্বাস্থ্যবিধি মেনে দোকান খোলা রাখা সম্ভব।

[৪] স্বপ্ন সুপারশপের নির্বাহী পরিচালক সাব্বির নাসের বলেন, অতীতের চেয়ে এবার আমরা কঠোর ভাবে ক্রেতা ঢোকানো এবং বের করার ব্যাপারে কাজ করার চেষ্টা করছি। সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। পাশাপাশি আমাদের অনলাইন স্বপ্ন ডটকম চালু আছে। স্বাস্থ্য বিধি মানার ব্যাপারে আমরা শতভাগ গ্যারান্টি দিতে পারি।

[৫] সরেজমিনে কল্যানপুর, মিরপুর-১,২,১০ এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, একাধিক দিনমজুর বলেন কাজের সন্ধানে ঘর থেকে বের হয়েছি। একাধিক দিনমজুর জানান, আমরা দিন আনা, দিন খাওয়া মানুষদের লকডাউনে পড়তে হয় মহাবিপদে। কর্ম আর খাবারের সন্ধানে ঘর থেকে বের হয়েছি।

[৬] লকডাউন উপেক্ষা করে সাধারণ মানুষ নিজ নিজ প্রয়োজনে ঘর থেকে বেরিয়ে পড়ছেন সড়কে। সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ ছাড়াই ঘোরাফেরা করতে দেখা গেছে নানা বয়সের নারী-পুরুষ ও বৃদ্ধদের।

[৭] দোকানগুলো পাইকারি ও খুচরা পণ্য অনলাইনের মাধ্যমে কেনাবেচা করতে পারবে। সেক্ষেত্রে সর্বোচ্চ স্বাস্থ্যবিধি মেনে কর্মচারি পণ্য পৌঁছে দেবেন। কোনোভাবেই ক্রেতা স্বশরীরে দোকানে হাজির হতে পারবেন না।

সর্বাধিক পঠিত